
বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলায় ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যাত্রীবাহী দু’টি বাস ও তেলবাহী লরির ত্রিমুখী সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১২ জনকে গুরুতর অবস্থায় বরিশাল শের ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে পাঠিয়েছে ফায়ার সার্ভিস ও হাইওয়ে পুলিশ।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে এগারটার দিকে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোরের বাইচখোলা নামক এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন গৌরনদী হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুর রহমান।
দুর্ঘটনার পর থেকে দেড় ঘণ্টা মহাসড়কের দুই প্রান্তের ৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে তীব্র যানজটের দেখা দেয়। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েন এই রুটের যাত্রীরা। যানচলাচল স্বাভাবিক করতে সেনাবাহিনী, ফায়ার হাইওয়ে পুলিশের সদস্যরা দুপুর তিনটায় যান চলাচল স্বাভাবিক করেন।
গৌরনদী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার বিপুল হোসেন জানিয়েছেন, যাত্রীবাহী বাস শ্যামলী পরিবহণ, এসই পরিবহণের দু’টি বাসের সঙ্গে তেলবাহী লরির ত্রিমুখী সংঘর্ষ হয়। খবর পেয়ে ১২ জনকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে শেবাচিম হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার পর শ্যামলী পরিবহণের বাসটি মহাসড়কের মধ্যে থাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে বাসটি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত গাড়ি তিনটি জব্দ করা হয়েছে।
গৌরনদী হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনায় ১২ জন ব্যক্তি গুরুতর আহত হয়েছেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর দুপুর তিনটা থেকে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। মৃত্যুর কোনো ঘটনা ঘটেনি বলে জানান তিনি।