ঢাকাসোমবার , ১৩ জুলাই ২০২৬
  1. সর্বশেষ

২০২৬ সালে ইরানে রেকর্ড ১.৩৫ কোটি টন গম উৎপাদনের আশা

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৩ জুলাই ২০২৬, ২:১৩ বিকাল

Link Copied!

বৃষ্টি-নির্ভর কৃষির সম্প্রসারণ এবং অভ্যন্তরীণ কৃষি উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগের ফলে ২০২৬-২০২৭ কৃষি বছরে (ইরানি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ১৪০৫) ইরানে গম উৎপাদন ১ কোটি ৩৫ লাখ টনে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে দেশটির কৃষি মন্ত্রণালয়। একই সঙ্গে যব উৎপাদনও উল্লেখযোগ্য হারে বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

টিভি ব্রিকসের অংশীদার তেহরান টাইমস জানিয়েছে, উৎপাদিত গমের মধ্যে প্রায় ১ কোটি টন সরকারি সংগ্রহ কেন্দ্রগুলোতে সরবরাহ করা হবে। এর মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার করা এবং কৌশলগত খাদ্যশস্যের মজুত নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে, ইরানের মোট কৃষি উৎপাদনের প্রায় ৭৫ শতাংশ আসে শস্য উৎপাদন খাত থেকে। গমের পাশাপাশি চলতি বছরের তুলনায় যবের উৎপাদনও প্রায় ১০ লাখ টন বাড়বে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, যা দেশের খাদ্যশস্য খাতকে আরও শক্তিশালী করবে।

দেশটি বৃষ্টি-নির্ভর কৃষি সম্প্রসারণে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হলো ভূগর্ভস্থ ও ভূপৃষ্ঠের পানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে টেকসই উপায়ে শস্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা এবং জলসম্পদের ওপর চাপ হ্রাস করা।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, কর্মসূচির শেষ বছরে বৃষ্টি-নির্ভর কৃষিজমি থেকে ৬০ লাখ টন গম উৎপাদনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর ফলে জাতীয় গম উৎপাদনে বৃষ্টি-নির্ভর গমের অংশ বর্তমান ১০ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪০ শতাংশে উন্নীত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া কর্মসূচির আওতায় প্রতিবছর ৬ লাখ টন তৈলবীজ এবং অতিরিক্ত ১০ লাখ টন পশুখাদ্য উৎপাদনেরও লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে খাদ্যশস্যের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং পশুপালন খাতকে আরও শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, সর্বশেষ এই উৎপাদন পূর্বাভাস ইরানের দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য নিরাপত্তা কৌশলের অংশ। এর মাধ্যমে কৃষি খাতের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানো, প্রধান খাদ্যশস্যে স্বনির্ভরতা অর্জন এবং টেকসই কৃষি পদ্ধতির সম্প্রসারণে দেশটি আরও একধাপ এগিয়ে যেতে চায়।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন