ঢাকারবিবার , ১২ জুলাই ২০২৬
  1. সর্বশেষ

জলবায়ুর গোলকধাঁধায় হারাচ্ছে বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস

প্রতিবেদক
হাসান মাহমুদ
১২ জুলাই ২০২৬, ৮:৩২ বিকাল

Link Copied!

পৃথিবীর প্রতিটি কোণে জলবায়ু পরিবর্তনের পদধ্বনি এখন স্পষ্ট। তাপমাত্রা বৃদ্ধি, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়া এবং চরম আবহাওয়ার ঘটনাগুলো কেবল মানুষের জনজীবনকেই বিপর্যস্ত করছে না, বরং বদলে দিচ্ছে পৃথিবীর জীববৈচিত্র্যের আদি মানচিত্রও। মানুষের পাশাপাশি বন, জঙ্গল, পাহাড় ও সমুদ্রের বাসিন্দারা এখন টিকে থাকার লড়াইয়ে দিশেহারা। সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্ববিখ্যাত পরিবেশ বিষয়ক সংবাদমাধ্যম ‘মঙ্গবে’-এর প্রকাশিত একটি গবেষণাধর্মী প্রতিবেদনে উদ্বেগজনক তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, বন্যপ্রাণীরা তাদের আবাসস্থল পরিবর্তন বা অভিবাসনের ক্ষেত্রে যে ধরনের আচরণের পূর্বাভাস বিজ্ঞানীরা এতদিন দিয়ে আসছিলেন, বাস্তবের পরিস্থিতি তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল, অনিয়মিত এবং অনিশ্চিত। প্রাণীদের এই অপ্রত্যাশিত গতিপথ বন গবেষক, পরিবেশবিদ এবং নীতিনির্ধারকদের সামনে এক বিশাল চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে, যা আধুনিক সংরক্ষণ কৌশলের ভিত্তিকেই নাড়িয়ে দিচ্ছে।

বিজ্ঞানীদের প্রত্যাশা বনাম প্রকৃতির রূঢ় বাস্তবতা:
এতদিন পর্যন্ত প্রচলিত বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব ছিল, পৃথিবী যত উত্তপ্ত হবে, প্রাণীরা তত দ্রুত তাদের বর্তমান আবাসস্থল ছেড়ে মেরু অঞ্চলের দিকে—অথবা পাহাড়ের শীতল উচ্চভূমির দিকে—নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বেরিয়ে পড়বে। গবেষকরা ভেবেছিলেন, এটি একটি রৈখিক বা নির্দিষ্ট গতির অভিবাসন প্রক্রিয়া হবে। কিন্তু আধুনিক উপগ্রহ ট্র্যাকিং প্রযুক্তি এবং বিশদ মাঠ পর্যায়ের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক প্রাণীর চলাচলের ধরন এই প্রচলিত ধারণার সঙ্গে একেবারেই মিলছে না।

এই অনিশ্চয়তা নিয়ে লিন্ডসে ওয়াইল্ডলাইফ এক্সপেরিয়েন্সের গবেষক ড. গ্রেগরি লিন্ডলে বলেন, ‘আমরা যদি মনে করি, প্রাণীরা কেবল একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পিছু পিছু ছুটছে, তবে আমরা ভুল করছি। বাস্তুসংস্থান এবং প্রজাতির বেঁচে থাকার বিষয়টি অনেক বেশি জটিল।’ তার মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে প্রাণীরা কেবল একটি মানচিত্র মেনে স্থান পরিবর্তন করছে না, বরং তারা স্থানীয় ভূ-প্রকৃতি ও প্রতিকূলতার সঙ্গে প্রতিনিয়ত লড়াই করছে। অনেক প্রাণী উত্তরের দিকে যাওয়ার পরিবর্তে দক্ষিণের দিকে পা বাড়াচ্ছে, আবার কেউ কেউ কোনো নির্দিষ্ট অভিমুখ ছাড়াই লক্ষ্যহীনভাবে ছড়িয়ে পড়ছে।

অভিবাসের পেছনে থাকা বহুমুখী জটিলতা:
প্রাণীদের এই অনিশ্চিত আচরণের পেছনে শুধুমাত্র তাপমাত্রা বৃদ্ধিই একক কারণ নয়। ইকোসিস্টেম ডাইনামিকস বিশেষজ্ঞ ড. সারাহ অ্যারনসন বলেন, ‘অনেক প্রজাতি এখন এমন সব জায়গায় যাচ্ছে যা আমাদের পূর্বের মডেলে ছিলই না। তারা ঐতিহাসিকভাবে সংরক্ষিত এলাকাগুলোর বাইরে চলে যাচ্ছে, যেখানে তাদের জন্য কোনো নিরাপত্তা নেই।’ তিনি আরও যোগ করেন, এই অনিয়মিত চলাচলের কারণে তারা মানুষের বসতির মুখোমুখি পড়ছে, যা তাদের বিলুপ্তির ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

মানুষের তৈরি রাস্তাঘাট, নগরায়ণ এবং শিল্পকারখানা প্রাণীদের প্রাকৃতিক করিডোর বা চলাচলের পথগুলোকে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, কোনো প্রজাতি নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে রওনা দিচ্ছে, কিন্তু মাঝপথেই তারা বিশাল হাইওয়ে বা জনবসতির সম্মুখীন হচ্ছে। ফলে তারা এক ধরণের ‘ইকোলজিক্যাল ট্র্যাপ’ বা ফাঁদে আটকা পড়ছে। যেখানে বাঁচার তাগিদে তারা যাচ্ছে, সেখানে হয়তো প্রাকৃতিক শিকারি কম, কিন্তু মানুষের তৈরি বাধার কারণে তারা সেখানেই অবরুদ্ধ হয়ে পড়ছে।

দ্রুত স্থান পরিবর্তনের চরম মূল্য:
গবেষণায় আরেকটি উদ্বেগজনক তথ্য হলো, যেসব প্রজাতি প্রতিকূল পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত স্থান পরিবর্তন করছে—প্রতি বছর গড়ে প্রায় ১৭ কিলোমিটার বা তার চেয়েও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করছে—তাদের জনসংখ্যা মাত্র এক দশকের ব্যবধানে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

এই বিপদ সম্পর্কে পরিবেশ বিশেষজ্ঞ ড. মার্কাস থম্পসন বলেন, “যেসব প্রাণী দ্রুত স্থান পরিবর্তন করছে, তাদের ক্ষেত্রে ‘অ্যাডাপ্টেশন ল্যাগ’ বা অভিযোজনের বিলম্ব একটি মারাত্মক সমস্যা। নতুন পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেওয়ার আগেই তারা শক্তির অভাবে বা খাদ্যের অভাবে মারা পড়ছে। এটি কোনো প্রাকৃতিক অভিবাসন নয়, এটি টিকে থাকার লড়াইয়ের একটি বিপজ্জনক রূপ।” নতুন পরিবেশে পৌঁছানোর আগেই তারা খাদ্য সংকটে পড়ছে বা নতুন কোনো পরজীবী ও রোগবালাইয়ের কবলে পড়ছে। এটি যেন প্রাণীদের জন্য এক মরণদৌড়, যেখানে শেষ সীমানায় পৌঁছানোর আগেই তাদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাচ্ছে।

সংরক্ষণ পরিকল্পনার প্রচলিত মডেলের ব্যর্থতা:
বর্তমানে বিশ্বজুড়ে সংরক্ষিত এলাকা বা ন্যাশনাল পার্কগুলো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে স্থির। কিন্তু প্রাণীরা যদি এই সীমানার বাইরে চলে যায়, তবে তারা আর কোনো আইনি সুরক্ষা পায় না। বর্তমান সংরক্ষণ নীতি নিয়ে সমালোচনা করে সংরক্ষণ পরিকল্পনাবিদ ড. এলিনা রদ্রিগেজ বলেন, ‘আমাদের বর্তমান ন্যাশনাল পার্ক বা সংরক্ষিত এলাকাগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের তুলনায় স্থির বা অচল। আমাদের এমন সব এলাকা সংরক্ষণ করতে হবে যা প্রাণীদের পরিবর্তিত রুটের সাথে মানানসই। বর্তমানের সীমানা নির্ধারণ পদ্ধতিটি দ্রুত পরিবর্তন করা প্রয়োজন, অন্যথায় আমরা শুধু মানচিত্রের ভেতরেই প্রাণীদের রক্ষা করছি কিন্তু বাস্তবে তারা হারিয়ে যাচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, এখন থেকে আমাদের ‘ডাইনামিক কনজারভেশন মডেল’ বা পরিবর্তনশীল সংরক্ষণ পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে। সরকারগুলোকে হয়তো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সংরক্ষিত এলাকার সীমানা পরিবর্তন করতে হবে, যাতে প্রাণীরা যেখানেই আশ্রয় নিক না কেন, তারা আইনি নিরাপত্তা পায়। যেসব বনকে আমরা আজ ‘সুরক্ষিত’ বলে ঘোষণা করেছি, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আগামী ২০ বছরে সেখানে হয়তো আর সেই প্রজাতিটি টিকে থাকতে পারবে না।

বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্যহীনতা:
জলবায়ু পরিবর্তন কেবল তাপমাত্রা বাড়াচ্ছে না, এটি বাস্তুতন্ত্রের অভ্যন্তরীণ খাদ্যশৃঙ্খলকেও ভেঙে দিচ্ছে। গবেষকরা একে বলছেন ‘ফেনোলজিক্যাল মিসম্যাচ’। উদাহরণস্বরূপ, কোনো পাখি যদি তার প্রজননের জন্য নির্দিষ্ট সময়ে নির্দিষ্ট এলাকায় পৌঁছায়, কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সেই এলাকায় পতঙ্গ বা খাদ্যের উৎস তৈরির সময় এগিয়ে আসে বা পিছিয়ে যায়, তবে সেই পাখিটি খাদ্যের অভাবে মারা পড়ে। মঙ্গবে-এর প্রতিবেদনটি স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে, আমরা শুধু প্রাণীদের চলাচলের পথ দেখছি না, আমরা পুরো বাস্তুতন্ত্রের যে সময়ের ছন্দ, তা ভেঙে যেতে দেখছি। গাছপালার মুকুল আসা, পতঙ্গের জন্ম নেওয়া এবং প্রাণীদের অভিবাসন—সবকিছুই এখন এক বিশাল তালগোল পাকানো পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছে।

সুন্দরবনের রয়েল বেঙ্গল টাইগার ও আবাসস্থল সংকট:
বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যের মুকুট হলো সুন্দরবন। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ায় সুন্দরবনের লবণাক্ততা বাড়ছে। এতে বাঘের প্রধান শিকারি প্রাণী হরিণের আবাসস্থল সংকুচিত হচ্ছে। ফলে বাঘ এখন তার পুরনো এলাকা ছেড়ে লোকালয়ের দিকে আসতে বাধ্য হচ্ছে, যা মানুষের সঙ্গে বাঘের সংঘাতকে বাড়িয়ে দিচ্ছে। মঙ্গবে-এর গবেষণায় বর্ণিত ‘ইকোলজিক্যাল ট্র্যাপ’ বা ফাঁদে পড়ার বিষয়টি এখানে খুবই প্রাসঙ্গিক। কারণ, বাঘ যখন নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বেরিয়ে পড়ছে, তখন সে মানুষের বসতি বা অবকাঠামোর মুখোমুখি হয়ে আটকে পড়ছে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের হাতি ও করিডোরের বিচ্ছিন্নতা:
পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে বন্যহাতির বিচরণক্ষেত্রগুলো এখন উন্নয়নের নামে খণ্ডিত। গবেষণার তথ্যানুযায়ী, প্রাণীরা যখন দ্রুত স্থান পরিবর্তন করে, তখন তারা পথ হারিয়ে ফেলে। বাংলাদেশের হাতিগুলো এখন পুরনো করিডোরগুলো খুঁজে না পেয়ে জনবসতিতে ঢুকে পড়ছে, যার ফলে হাতি ও মানুষের মৃত্যুর ঘটনা বাড়ছে। এখানে ‘ফেনোলজিক্যাল মিসম্যাচ’ বা সময়ের গরমিলও দেখা দিচ্ছে; বনজ খাদ্য ও ফলের প্রাপ্তির সময় বদলে যাওয়ায় হাতিরা খাদ্যাভাবের মুখে পড়ছে।

পরিযায়ী পাখির বিপন্ন যাত্রা:
প্রতি শীতে হাওর অঞ্চলসহ বাংলাদেশের জলাশয়গুলোতে হাজারো পরিযায়ী পাখি আসে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সাইবেরিয়া বা হিমালয় অঞ্চলের আবহাওয়া বদলে যাওয়ায় পাখিদের আসার সময় ও রুট পরিবর্তিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনেক পাখি এখন আর আগের মতো বাংলাদেশে আসছে না, কারণ তাদের যাত্রাপথের বিশ্রামস্থলগুলো জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বসবাসের অযোগ্য হয়ে পড়েছে।

এই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বন ও জলবায়ু গবেষণা ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো ড. আরমান চৌধুরী। তিনি বলেন, আমরা এতদিন প্রাণীদের যেভাবে দেখেছি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে তারা এখন তার চেয়ে অনেক বেশি অনিশ্চিত ও বিশৃঙ্খল আচরণ করছে। আমাদের সংরক্ষিত বনাঞ্চল বা ন্যাশনাল পার্কগুলোর সীমানা এখন আর প্রাণীদের সুরক্ষার জন্য যথেষ্ট নয়। তারা যখন খাদ্যের খোঁজে বা জলবায়ুর চাপে নতুন আবাসস্থল খুঁজতে বের হয়, তখন তারা মানুষের বসতি বা অবকাঠামোর জালে আটকা পড়ছে।’

তিনি আরও যোগ করেন, আমাদের বর্তমান সংরক্ষণ নীতিগুলো অত্যন্ত স্থির। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তন যেহেতু প্রাণীদের গতিবিধিকে প্রতিনিয়ত পরিবর্তন করছে, তাই আমাদের সংরক্ষণ কৌশলকেও ‘ডাইনামিক’ বা পরিবর্তনশীল করতে হবে। কেবল বনের সীমানা রক্ষা করলেই হবে না, প্রাণীদের পরিবর্তিত চলাচলের পথগুলোকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সুরক্ষার আওতায় আনতে হবে।

প্রযুক্তি ও গবেষণার সমন্বয়:
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কেবল প্রযুক্তির ওপর নির্ভর করলেই এই সংকটের সমাধান হবে না। বনের মাঝখান দিয়ে সড়ক বা রেললাইন নির্মাণ করার সময় ‘ইকো-ব্রিজ’ বা ‘আন্ডারপাস’ তৈরিতে জোর দিতে হবে। এছাড়া, যেসব এলাকায় প্রাণীরা অভিবাসিত হচ্ছে, সেই এলাকাগুলোকে আগে থেকেই পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে। স্থানীয় আদিবাসী এবং বননির্ভর জনগোষ্ঠীর জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে আমাদের এমন মডেল তৈরি করতে হবে, যেখানে বন্যপ্রাণীর চলাচলের পথ মানুষের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। কেবল নিয়ম তৈরি করলেই হবে না, এর সঠিক বাস্তবায়নই হতে পারে এই অরণ্যবাসীদের রক্ষার একমাত্র পথ।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

২৪ ঘণ্টায় ঢাকা ও আশপাশে ৯৭ মিমি বৃষ্টি

চীনে সুপার টাইফুন বাভির তাণ্ডব, সরিয়ে নেওয়া হলো ২০ লাখ মানুষ

সন্ধ্যার মধ্যে ঢাকাসহ ১৭ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

Exclusive Gifts Await with vivo Y500 pre-order

ভিভো ওয়াই৫০০-এর প্রি-অর্ডারে এক্সক্লুসিভ উপহার

সারা দেশে আরও পাঁচ দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ রাজধানী, নগরবাসীকে সতর্ক থাকার আহ্বান

OPPO Teams Up with BD’s Own Messi, Jamal Bhuyan, to Support Bangladesh Football

বাংলাদেশের ফুটবলকে এগিয়ে নিতে নিজস্ব ‘মেসি’ জামাল ভূঁইয়ার সাথে হাত মেলালো অপো

অতিরিক্ত কাঁঠালের বিচি খেলে হতে পারে যেসব সমস্যা

টানা বর্ষণে জলমগ্ন যাত্রাবাড়ী, দুর্ভোগে পথচারী-ব্যবসায়ীরা

টানা বৃষ্টি ও জোয়ারে ঝালকাঠিতে পানির নিচে আমনের বীজতলা, দুশ্চিন্তায় কৃষক