
নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরামূল্য প্রতি ১০ শলাকায় ৬২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬৫ টাকা বা তার বেশি নির্ধারণের প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। আজ সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে আয়োজিত মন্ত্রিসভার ২০তম বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। রাতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নিম্নস্তরের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরামূল্য (প্রতি ১০ শলাকা) ‘৬২ টাকা ও তদূর্ধ্ব’-এর স্থলে ‘৬৫ টাকা ও তদূর্ধ্ব’ পুনর্নির্ধারণ করে মূল্য ঠিক করা এবং স্ট্যাম্প ও ব্যান্ডরোল ব্যবহার বিধিমালা সংক্রান্ত দুটি প্রজ্ঞাপন সংশোধনের প্রস্তাব করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এই মূল্য বৃদ্ধির ফলে নিম্নস্তরের সিগারেটের অবৈধ বাণিজ্য রোধ হবে এবং সরকারের রাজস্ব ঘাটতি হ্রাস পাবে। মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাবটি চূড়ান্তভাবে অনুমোদন করা হয়েছে।
সম্প্রতি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সিগারেটের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) কমানোর জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) বহুজাতিক তামাক কোম্পানি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটিবি) প্রস্তাব দিয়েছিলো। বাংলাদেশ নেটওয়ার্ক ফর টোব্যাকো ট্যাক্স পলিসি (বিএনটিটিপি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টিতে আপত্তি জানিয়ে বলেছিলো বিএটিবির প্রস্তাবে রাজি হলে ২২০০ কোটি টাকার বেশি রাজস্ব হারাবে সরকার। একইসঙ্গে এ প্রস্তাব আমলে নিলে তা তামাক করনীতির ইতিহাসে একটি অভূতপূর্ব বিপজ্জনক নজির হয়ে থাকবে। যা তামাক কোম্পানিকে লাভবান করবে, কিন্তু জনস্বাস্থ্য ও রাজস্ব আয় উভয়ের জন্যই ক্ষতিকর হবে। নিম্নস্তরের সিগারেটের অবৈধ বাণিজ্য রোধ ও রাজস্ব বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে দাম না কমিয়ে বরং দাম বাড়ানোর এ সিদ্ধান্ত নিলো এনবিআর।
এনবিআরে