
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু দেশের আরও বিস্তীর্ণ অঞ্চলে অগ্রসর হয়েছে। বর্তমানে এটি বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগ পর্যন্ত পৌঁছেছে এবং আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে বাংলাদেশের বাকি অংশেও বিস্তার লাভের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।
বুধবার (১০ জুন) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানায় আবহাওয়া অধিদফতর।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো ও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনাও রয়েছে।
আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্যমতে, বৃষ্টির কারণে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। তবে অন্যান্য অঞ্চলে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। অন্যদিকে সারা দেশে রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
আগামী বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিন দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
শুক্রবার (১২ জুন) এবং শনিবার (১৩ জুন) একই ধরনের আবহাওয়া বিরাজ করতে পারে। এসব দিনে রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু এলাকায় দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি ও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি। দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়লেও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
রোববার (১৪ জুন)ও দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে উত্তর, উত্তর-পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের অনেক এলাকায় মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে।
এদিকে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, বর্ধিত পাঁচ দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী দেশে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। ফলে মৌসুমি বায়ুর প্রভাব ক্রমেই জোরালো হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে টানা বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।