আমেরিকার পর এবার অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠাচ্ছে যুক্তরাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ১০টায় (বাংলাদেশ সময় ভোর ৩টা) লন্ডনের স্ট্যানস্টেড বিমানবন্দর থেকে একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে ১৫ বাংলাদেশিকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। আজ শুক্রবার দুপুরে তারা ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
যুক্তরাজ্য কর্তৃপক্ষ জানায়, ফেরত পাঠানো এসব অভিবাসীর বিরুদ্ধে অভিবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ মিশন, লন্ডনও এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
গত ২৬ আগস্ট পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক জরুরি চিঠিতে বাংলাদেশ মিশন লন্ডন জানায়, ফেরত পাঠানোদের মধ্যে ৬ জনের পাসপোর্ট (বৈধ ই-পাসপোর্ট ও মেয়াদোত্তীর্ণ এমআরপি) রয়েছে। তাদের মধ্যে ৩ জনের বৈধ পাসপোর্ট থাকায় ট্রাভেল পারমিটের প্রয়োজন হয়নি। বাকি ৩ জনের বৈধ পাসপোর্ট না থাকায় তাদের জন্য ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করা হয়। অবশিষ্ট ৯ জনের পাসপোর্ট না থাকায় বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা সাক্ষাৎকার নিয়ে জাতীয়তা যাচাইয়ের পর তাদের ট্রাভেল পারমিট প্রদান করেন।
বাংলাদেশ হাইকমিশন, লন্ডনের কনসুলার শাখা এসব অভিবাসীর দেশে ফেরার জন্য ট্রাভেল পারমিট ইস্যু করেছে। ফেরত পাঠানোদের মধ্যে নারীও রয়েছেন। তাদের বাড়ি সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও ঢাকার বিভিন্ন জেলায়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, অনেক অভিবাসী ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও যুক্তরাজ্যে অবস্থান করেন। দেশটি নিজস্ব আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করে নিয়মিত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তাদের ফেরত পাঠাচ্ছে।
এর আগে চলতি মাসের ২ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র থেকে এক নারীসহ ৩৯ বাংলাদেশিকে একটি বিশেষ সামরিক বিমানে (সি-১৭) দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছিল।


