
দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪২ জনে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৭২ জন।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন রোগীরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ১০ হাজার ৩১২ জনে।
অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অক্টোবরের প্রথম ১৬ দিনেই ডেঙ্গুতে ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে, ২০২৫ সালে ডেঙ্গুতে ৪১৩ জনের মৃত্যু হয় এবং আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন। ২০২৪ সালে এ রোগে ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয় এবং আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪।
দেশে ডেঙ্গুর সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখা যায় ২০২৩ সালে। ওই বছর এ রোগে ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয় এবং আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) প্রকাশিত পূর্ববর্তী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৫ সালে ডেঙ্গুতে ছয়জনের মৃত্যু হয় এবং আক্রান্ত হন ৩ হাজার ১৬২ জন। ২০১৬ সালে ১৪ জনের মৃত্যু ও ৬ হাজার ৬০ জন আক্রান্ত হন। ২০১৭ সালে মৃত্যু হয় আটজনের, আক্রান্ত হন ২ হাজার ৭৬৯ জন।
এ ছাড়া ২০১৮ সালে ডেঙ্গুতে ২৬ জনের মৃত্যু হয় এবং আক্রান্ত হন ১০ হাজার ১৪৮ জন। ২০১৯ সালে মৃত্যু হয় ১৬৪ জনের, আক্রান্ত হন ১ লাখ ১ হাজার ৩৫৪ জন। ২০২০ সালে সাতজনের মৃত্যু ও ১ হাজার ৪০৫ জন আক্রান্ত হন। ২০২১ সালে ১০৫ জনের মৃত্যু এবং ২৮ হাজার ৪২৯ জন আক্রান্ত হন। ২০২২ সালে ডেঙ্গুতে ২৮১ জনের মৃত্যু হয় এবং আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ৬০ হাজার ৩৩১ জন।