
ইন্দোনেশিয়ায় চলমান দাবানলের কারণে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন এলাকায় বিষাক্ত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে আন্তসীমান্ত ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বিবেচনায় সর্বোচ্চ সতর্কতা জারি করেছে আসিয়ান স্পেশালাইজড মেটিওরোলজিক্যাল সেন্টার (এএসএমসি)।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপির।
শনিবার সংস্থাটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দক্ষিণ আসিয়ান অঞ্চলে সতর্কতার তৃতীয় স্তর বা ‘অ্যালার্ট লেভেল-৩’ কার্যকর করা হয়েছে। শুক্রবার এ সতর্কতা জারি করা হয়।
সিঙ্গাপুরভিত্তিক এএসএমসি চার স্তরের সতর্কতাব্যবস্থা ব্যবহার করে। শূন্য থেকে তিন পর্যন্ত এই স্তরগুলোর মধ্যে তৃতীয় স্তরটি সর্বোচ্চ। কোনো অঞ্চলে আন্তসীমান্ত ধোঁয়া মারাত্মক আকার ধারণের উচ্চ ঝুঁকি দেখা দিলে এ সতর্কতা জারি করা হয়।
সংস্থাটির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, বিস্তীর্ণ এলাকায় আগুনের উৎস শনাক্ত হওয়া, টানা দুই বা তার বেশি দিন মাঝারি থেকে ঘন ধোঁয়া দেখা দেওয়া, দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক আবহাওয়া এবং বাতাসের প্রবাহে ধোঁয়া প্রতিবেশী আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোতে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা-এসব পরিস্থিতি সতর্কতা জারির অন্যতম কারণ।
চলতি বছর এর আগেও দুবার একই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। গত ২৬ আগস্ট ও ২৭ মার্চ ওই সতর্কতা দেওয়া হয়।
কয়েক মাস ধরে চলা ধোঁয়াশায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হয়েছে। পাশাপাশি শ্বাসকষ্টসহ শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যায় আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা বেড়েছে।
এদিকে, শুক্রবার সিঙ্গাপুর জানিয়েছে, ইন্দোনেশিয়ার দাবানলের জন্য দায়ী হিসেবে চিহ্নিত সাতটি কোম্পানিকে সতর্কবার্তা দেওয়া হবে। তবে পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলেও সতর্ক করেছে দেশটি।