ট্রাভেল খাতের শীর্ষ নেতা ও ব্যবসায়ীরা ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ-২০২৬ বাতিলের জোর দাবি জানিয়েছেন। জাতীয় প্রেসক্লাবে রোববার আটাব সদস্য কল্যাণ ঐক্যজোটের আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তারা এই দাবি জানায়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আটাবের সাবেক সভাপতি মনজুর মোর্শেদ মাহবুব, আহ্বায়ক মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন টিপু, সদস্য সচিব মোহাম্মদ জুমান চৌধুরী, হাবের অর্থ সম্পাদক আব্দুল হামিদ, যুগ্মসচিব মাহমুদ ভুঁইয়া মানিক এবং আটাব সংস্কার পরিষদের আহ্বায়ক গোফরান চৌধুরী।
বক্তারা বলেন, নতুন অধ্যাদেশের একাধিক ধারা ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসাকে কার্যত অচল করে দিতে পারে। এসব ধারা কার্যকর হলে দেশে প্রায় পাঁচ হাজার ট্রাভেল এজেন্সি বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যা হাজারো কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে অন্য কোনো ট্রাভেল এজেন্সি থেকে টিকিট ক্রয়-বিক্রয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে অধিকাংশ এজেন্সির পক্ষে যাত্রীসেবা দেওয়া সম্ভব হবে না। কারণ দেশে নিবন্ধিত প্রায় ৫ হাজার ৮০০ ট্রাভেল এজেন্সির মধ্যে মাত্র ৮০০টি আইয়াটা সদস্য, বাকিগুলো বার্ষিক বিক্রয় বিবরণী না দেখাতে পারায় লাইসেন্স নবায়নেও সংকটে পড়বে।
বক্তারা অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সির জন্য ১০ লাখ টাকা ব্যাংক গ্যারান্টি বিধানকে অযৌক্তিক ও অবাস্তব বলে উল্লেখ করেন। তাদের মতে, আর্থিক সক্ষমতার অভাবে হাজারো এজেন্সির পক্ষে শর্তটি পূরণ করা সম্ভব নয়। এছাড়া শুনানি ছাড়া লাইসেন্স স্থগিতের বিধান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তারা দাবি করেন, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ট্রাভেল এজেন্সিকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হোক। একই সঙ্গে শাস্তির মেয়াদ ও জরিমানা বৃদ্ধির প্রস্তাবেরও তারা বিরোধিতা করেছেন।


