
আগামী ৪ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে চলেছে, যার প্রভাবেই দেশে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ অব্যাহত থাকবে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ এ কে এম নাজমুল হক জানান, মৌসুমি বায়ুর অক্ষ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে, যার একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত। বর্তমানে মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে এটি মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।
আগামী কয়েকদিনের আবহাওয়ার পূর্বাভাস:
মঙ্গলবার (২২ জুলাই)
রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে দু-এক জায়গায় দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাশাপাশি রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগে মাঝারি থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
বুধবার (২৩ জুলাই)
রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেটে অনেক জায়গায় এবং অন্যান্য বিভাগে কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কোথাও কোথাও ভারী থেকে মাঝারি ধরনের বর্ষণও হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে, তবে রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই)
দেশের সব বিভাগেই অধিকাংশ স্থানে বৃষ্টিপাত হতে পারে। দমকা হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণও হতে পারে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমবে।
শুক্রবার (২৫ জুলাই)
সারাদেশেই একই ধরনের বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। অধিকাংশ জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি এবং কিছু কিছু স্থানে ভারী বর্ষণ হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমে যেতে পারে।
আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, উত্তর বঙ্গোপসাগরে সম্ভাব্য লঘুচাপ সৃষ্টি হলে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। নদ-নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে জলাবদ্ধতা ও স্থানীয় বন্যার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। কৃষি ও জনজীবনে এর প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।