পর্যটকদের নির্মল বাতাস ও সুস্বাস্থ্য রক্ষায় কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতগুলোকে ধূমপানমুক্ত করা হবে। পুলিশ প্রশাসন ও জেলা প্রশাসন যৌথভাবে এ কার্যক্রম পরিচালনা করবে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মান্নান। এ উদ্যোগ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তামাকমুক্ত পর্যটন পরিবেশ গড়ে তোলার জাতীয় লক্ষ্যে সহায়তা করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আজ বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর ২০২৫) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহযোগিতায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের উদ্যোগে আয়োজিত কক্সবাজারে “আতিথেয়তা খাত ও সমুদ্রসৈকতে তামাকমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ” শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দিন এবং বাংলাদেশে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ডেপুটি প্রতিনিধি ড. রাজেশ নারওয়াল।
এসময় তারা আতিথেয়তা খাতে তামাক নিয়ন্ত্রণ প্রচেষ্টা জোরদার এবং ধূমপানমুক্ত সৈকত বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা ও পরামর্শ প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানে ভাইটাল স্ট্রাটেজিসের সিনিয়র কারিগরি পরামর্শক সৈয়দ মাহবুবুল আলম তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন পর্যালোচনা করে বলেন, তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে জনসাধারণকে ধূমপানমুক্ত পরিবেশে নিয়ে আসার সক্ষমতা দিয়েছে। জেলা প্রশাসনের এ উদ্যোগ অত্যন্ত ইতিবাচক এবং দেশের পর্যটন ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অবদান রাখবে।
কর্মশালায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন, সিভিল সার্জনের কার্যালয়, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, পর্যটন পুলিশ, হোটেল ও রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সদস্য এবং জেলা তামাক নিয়ন্ত্রণ টাস্কফোর্স কমিটির প্রতিনিধিসহ মোট ১০০-এর বেশি অংশগ্রহণকারী অংশগ্রহণ করেন।
অংশগ্রহণকারীরা দলীয় আলোচনায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে আতিথেয়তা খাতে ও সৈকত এলাকায় ধূমপানমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ এবং বাস্তবসম্মত সমাধান নির্ধারণ করেন। নীতিনির্ধারক এবং প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের নির্দেশনায় তারা আইন প্রয়োগ শক্তিশালী করা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির উপায় নিয়ে যৌথভাবে আলোচনা করেন।


