
বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পর্যায়ক্রমে সারাদেশে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কৌশল নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈঠকে প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে স্বচ্ছ ও প্রযুক্তিনির্ভর পদ্ধতিতে এ কর্মসূচির সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
সোমবার (২০ জুলাই) বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৈঠকে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির চলমান বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনার পাশাপাশি ধাপে ধাপে দেশের সব অঞ্চলে এ কর্মসূচি সম্প্রসারণের রূপরেখা নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা কার্যকর, স্বচ্ছ ও নির্ভুলভাবে পৌঁছে দিতে একটি নির্ভরযোগ্য ও সমন্বিত তথ্যভান্ডার গড়ে তোলা জরুরি। এজন্য তথ্য সংগ্রহ, যাচাই-বাছাই এবং উপকারভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়ার প্রতিটি ধাপে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থাগুলোর মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জোরদারের নির্দেশ দিয়ে বলেন, আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করে একটি বাস্তবসম্মত ও টেকসই পরিকল্পনার মাধ্যমে পর্যায়ক্রমে সারাদেশে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো কোনো যোগ্য পরিবার যেন এ কর্মসূচির সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয়। সে লক্ষ্যে উপকারভোগী নির্বাচনে নিরপেক্ষতা, তথ্যের নির্ভুলতা এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
বৈঠকে সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ. জেড. এম. জাহিদ হোসেন, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ. বি. এম. আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস. এম. আব্দুল আওয়াল, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বিশেষ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন মৃধাসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।