
দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) দেশের বাজারে এই দামেই স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।
সোমবার (৬ জুলাই) সকালে বাজুস এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সোমবার সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ১৫ হাজার ১৪২ টাকায়, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৭৫৮ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫০ হাজার ৯৩২ টাকা।
বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। এছাড়া স্বর্ণ ও রৌপ্য অলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না।
এর আগে গত ৩ জুলাই প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্তে সেই দাম থেকে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ৮৭ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৩ বার দাম বেড়েছে, ৪৩ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। ২০২৫ সালে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার কমানো হয়।
অন্যদিকে, স্বর্ণের দাম কমলেও দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৮৯৯ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৬৬৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৩৩ টাকায়।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম ৫৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৭ বার দাম বেড়েছে এবং ২৬ বার কমেছে।