
সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জরুরি সতর্কবার্তা জারি করেছে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, লাল পতাকা চিহ্নিত স্থানে পানিতে নামা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব এলাকায় সমুদ্র অত্যন্ত বিপজ্জনক হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়ে যায়। জেলা প্রশাসন, টুরিস্ট পুলিশ, বীচকর্মী এবং লাইফগার্ড সার্বক্ষণিকভাবে পর্যটকদের সহায়তায় নিয়োজিত থাকলেও তাঁদের নির্দেশনা না মানলে বিপদ ঘটতে পারে।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়—
১. লাইফগার্ড সার্ভিস ছাড়া অন্য কোথাও পানিতে নামা যাবে না; ওই সীমানার বাইরে দুর্ঘটনা ঘটলে দ্রুত উদ্ধার সম্ভব হয় না।
২. পানিতে নামার আগে অবশ্যই জোয়ার-ভাটার সময় ও সমুদ্রের বিপদ সংকেত সম্পর্কে জানতে হবে।
৩. প্রতিকূল আবহাওয়ায় কিংবা ভাটার টানের সময় বেপরোয়া হয়ে সমুদ্রে নামা যাবে না।
৪. সাঁতার না জানলে সমুদ্রে নামা থেকে বিরত থাকতে হবে।
৫. সৈকত এলাকায় শিশুদের কখনো একা ছেড়ে দেওয়া যাবে না; অভিভাবকদের সবসময় তত্ত্বাবধানে রাখতে হবে।
এছাড়া সব হোটেল, মোটেল, গেস্টহাউস ও রিসোর্টকে পর্যটকদের জন্য লাইফ জ্যাকেট ব্যবহারের সুযোগ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, “লাইফগার্ড হিসেবে টিউব নয়, শুধুমাত্র লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করতে হবে।”
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পানির তীব্র স্রোত, ঘূর্ণি স্রোত বা সমুদ্রতটে বালি সরে তৈরি হওয়া গর্ত অত্যন্ত বিপজ্জনক। এ ধরনের পরিস্থিতিতে অপ্রশিক্ষিত কেউ উদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নিলে তাঁর জীবনও হুমকির মুখে পড়তে পারে।
সরকার পর্যটকদের উদ্দেশে আহ্বান জানিয়েছে—সতর্কবার্তা মেনে চললে সমুদ্র ভ্রমণ নিরাপদ ও আনন্দময় হবে।