ঢাকাবৃহস্পতিবার , ৬ অগাস্ট ২০২৬
  1. সর্বশেষ

কর্মসংস্থান সংকটে সরকার ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত ভূমিকার আহ্বান

প্রতিবেদক
Ibrahim Khalil
২৩ জুলাই ২০২৫, ১০:০৬ সকাল

Link Copied!

বাংলাদেশে সামষ্টিক-অর্থনৈতিক ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য কর্মংসংস্থান সৃষ্টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া জরুরি। এ জন্য অর্থনীতির প্রধান তিন খাতে চাহিদা মতো কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য সরকার ও ব্যক্তি খাতকে পরস্পরের পরিপুরক হিসেবে কাজ করতে হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। আজ (মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫) ঢাকায় উন্নয়ন সমন্বয় কার্যালয়ের খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ কনফারেন্স হলে “বাংলাদেশে কর্মসংস্থানের চ্যালেঞ্জ” শীর্ষক সেমিনারে তারা এমন মতামত দেন।

উন্নয়ন সমন্বয়ের আয়োজনে এই সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বিআইডিএস-এর গবেষণা পরিচালক ড. এস. এম. জুলফিকার আলী। বিশেষজ্ঞ আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউটের সহযোগি অধ্যাপক ড. সুজানা করিম, একই বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সাহাদাত হোসেন সিদ্দিকী, উন্নয়ন গবেষক ও সর্বজনকথার সম্পাদনা পরিষদের সদস্য মাহা মির্জা, এবং বিডিজবস-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ. কে. এম. ফাহিম মাশরুর।

উন্নয়ন সমন্বয়ের পক্ষ থেকে ধারণাপত্র উপস্থাপনকালে সংস্থার গবেষণা পরিচালক আব্দুল্লাহ নাদভী বলেন যে, সর্বশেষ আট বছরে স্থির মূল্যে জিডিপির আকার ৫৫ শতাংশ বাড়লেও এর বিপরীতে কর্মসংস্থান বেড়েছে মাত্র ১১ শতাংশ। বিশেষ করে শিল্প খাতে কর্মসংস্থান পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক বলে মনে করেন তিনি। কারণ সাম্প্রতিক ৮ বছরে মোট জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৮ শতাংশ হলেও এ খাতে কর্মে নিয়োজিত মানুষের সংখ্যা বছরে গড়ে ১ শতাংশ করে কমেছে।

এ প্রসঙ্গে মাহা মির্জা বলেন যে, শিল্প খাতে কাজ সৃষ্টির দায় তথাকথিত মুক্তবাজার অর্থনীতির ওপর চাপিয়ে দিলে- শিল্পের মুনাফা বাড়লেও চাহিদা মতো কর্মসংস্থান তৈরি হবে না। বিগত পাঁচ দশকে বাংলাদেশে শিল্পায়নের ধারা থেকেই এটা বোঝা যায়। অন্য দিকে ড. সাহাদাত হোসেন বলেন যে, ঋণখেলাপি সংস্কৃতি এবং অবাধ দূর্নীতির কারণে যে বিপুল সম্পদ নষ্ট হয়েছে, তা প্রকৃত অর্থে সদ্ব্যবহার করা গেলে কর্মসংস্থান নিয়ে এখন ভাবতে হতো না।

শিল্প বিকাশের জন্য কেবল একটি খাতের উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার মাশুল দিতে হচ্ছে বলে মত দেন ড. সুজানা করিম। শিল্পের বিকাশ এবং পর্যাপ্ত কর্মসংস্থানের জন্য বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এগুতে হবে বলে তিনি মনে করেন।

ফাহিম মাশরুর বলেন যে, বাংলাদেশে চাহিদার তুলনায় বেশি সংখ্যক তরুণ গ্র্যাজুয়েট হিসেবে বের হয়ে আসছেন, কর্মমুখী শিক্ষায় শিক্ষিত না নিয়েই। তাই প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক/উচ্চ-মাধ্যমিক পাশদের তুলনায় গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে বেকারত্বের হার অনেক বেশি।

সভাপতির বক্তব্যে ড. জুলফিকার বলেন যে, শ্রম বাজারের চাহিদার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে শিক্ষার মানোন্নয়ন নিশ্চিত করা না গেলে- অটোমেশন, ডিজিটাইজেশন, এবং সর্বোপরি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে না।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

৫ আগস্ট বান্দরবানের ৪ পর্যটনকেন্দ্রে ফ্রি প্রবেশ

তীব্র গরমে ইংল্যান্ডে দুই মাসে প্রায় তিন হাজার মৃত্যু

পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর নদীই এশিয়ার খাদ্য ব্যবস্থার রূপান্তরের চাবিকাঠি: এডিবি

সন্ধ্যার মধ্যে ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আশঙ্কা

realme Bringing Next C-Series Smartphone to Provide All-Day Power

সারাদিন নিরবচ্ছিন্ন পাওয়ার নিশ্চিতে নতুন সি-সিরিজ স্মার্টফোন নিয়ে আসছে রিয়েলমি

Australia provides another $25.25 million in aid for Rohingya

রোহিঙ্গাদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার আরও ২৫.২৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তা

দেশজুড়ে আরও কয়েকদিন বৃষ্টি, কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণের পূর্বাভাস

দেশ-বিদেশে চাহিদা বাড়ায় পাট চাষে ফিরছে কৃষকের আস্থা

মোবাইল ছেড়ে মাঠে, কৃষি শিখছে টাঙ্গাইলের কলেজ শিক্ষার্থীরা

এক মাস দুই দিনে দেশে এলো ৩.১৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স