ঢাকাসোমবার , ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. জনস্বাস্থ্য

সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা দিবস আজ

প্রতিবেদক
Ibrahim Khalil
১২ ডিসেম্বর ২০২৩, ৭:৩৩ বিকাল

Link Copied!

সব মানুষের জন্য বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে গুণগত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষার (ইউনিভার্সাল হেলথ কাভারেজ-ইউএইচসি) মূলনীতি হলেও তা অর্জনে তেমন কোনো অগ্রগতি নেই।

সংবিধানে স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলেও চিকিৎসক ফি, রোগ নির্ণয় ও ওষুধ কিনতে রোগীকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ব্যক্তিকেই চিকিৎসা ব্যয়ের শতকরা ৭২ ভাগ বহন করতে। সরকারি গবেষণাতেই দেখা যাচ্ছে যে নাগরিকের মাথাপিছু সরকারি বরাদ্দ কমেছে। স্বাস্থ্যব্যয় বহন করতে গিয়ে বছরে ৮৬ লাখের বেশি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ব্যয় হচ্ছে ওষুধের পেছনে— ৬৪ দশমিক ৬ শতাংশ। এ ছাড়া রোগ শনাক্তে ১১ দশমিক ৭ শতাংশ, বিকল্প চিকিৎসা সেবায় ১৩ দশমিক ২ শতাংশ এবং হাসপাতালে খরচ ১০ দশমিক ১ শতাংশ।

এমন পরিস্থিতিতে আজ মঙ্গলবার ১২ ডিসেম্বর দেশে পালিত হচ্ছে সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘হেলথ ফর অল: টাইম ফর অ্যাকশন’, অর্থাৎ সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবার উদ্যোগ নেওয়ার এখনই সময়। এবারের প্রতিপাদ্যে মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি, চিকিৎসা নিতে গিয়ে সর্বস্বান্ত না হওয়া এবং জনস্বাস্থ্য সংকট থেকে রক্ষার উপায় সম্পর্কে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বের অন্যান্য দেশে জিডিপির ২ থেকে ৩ শতাংশ স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ থাকলেও বাংলাদেশে তা ১ শতাংশেরও কম। এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১৯৯৭ সাল থেকে স্বাস্থ্য ব্যয়ে সরকারের মাথাপিছু বরাদ্দ বাড়েনি বরং কমেছে। সরকার ২০১২ সালে চিকিৎসায় রোগীর ব্যয় কমানোর উদ্যোগ নেয়। ওই বছর স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি বিভাগ সর্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা অর্জনের কৌশলপত্র প্রণয়ন করে। সেখানে ২০৩০ সালের মধ্যে চিকিৎসা ব্যয়ের ৬৮ শতাংশ রাষ্ট্রীয় অর্থে এবং অবিশিষ্ট ৩২ শতাংশ রোগী পরিচালনা করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়। এরপর এক যুগেরও বেশি সময় পার হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। উল্টো ২০১৫ সালে ব্যক্তির চিকিৎসা ব্যয় ৬৪ থেকে বেড়ে ৬৭ শতাংশ হয়। ২০২০ সালে স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের সর্বশেষ গবেষণায় দেখা গেছে, একজন ব্যক্তি স্বাস্থ্য খাতে মোট ব্যয়ের ৬৮ দশমিক ৫ শতাংশ নিজেই বহন করেন। গত তিন বছর ধরে এ খাতে গবেষণা সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বর্তমানে জনপ্রতি ১০০ টাকা ব্যয়ের মধ্যে ৭২ দশমিক ৭০ টাকা রোগীর নিজের পকেট থেকে দিতে হয়।

বিশ্বব্যাংকের সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা সূচকে এখনো অনেক পিছিয়ে বাংলাদেশ। ১০০ স্কোরে বাংলাদেশের অবস্থান ৫১, যেখানে নেপালের ৫৩, ভারতের ৬১, ভুটানের ৬২, শ্রীলঙ্কার ৬৭ ও মালদ্বীপের ৬৯। অন্যদিকে ৪৫ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের নিচে আছে পাকিস্তান।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

দেশব্যাপী হাতি জরিপ পরিচালনা করবে অরণ্যক ফাউন্ডেশন

বিশ্বের সেরা নতুন ভবনের স্বীকৃতি পেল রংপুরের ‘গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি’

আম-লিচু বাগানে প্রথমবারের মতো মিলল নতুন প্রজাতির ঝিঁঝিঁ পোকা

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণে দেশের রোল মডেল হতে পারে বরিশাল

পাট খাতে চীনের প্রযুক্তি ও গবেষণা সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

Xiaomi Launches Xiaomi TV S Pro Mini LED and Xiaomi TV X Mini LED Series in Bangladesh

বাংলাদেশে শাওমি টিভি এস প্রো মিনি এলইডি ও শাওমি টিভি এক্স মিনি এলইডি নিয়ে এলো শাওমি

স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যানসার শনাক্তে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করছে সরকার

তৃণমূল পর্যায়ে স্তন ক্যান্সার শনাক্তে স্ক্রিনিং চালুর উদ্যোগ সরকারের

হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, নতুন রোগী ১,২৫৪

সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট ১৯৫

সোনাইমুড়ীতে ট্রলির চাপায় মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু