
উত্তর বঙ্গোপসাগর এবং তৎসংলগ্ন উত্তর-মধ্য বঙ্গোপসাগর এলাকায় সৃষ্ট লঘুচাপটি শক্তি সঞ্চয় করে মৌসুমি সুস্পষ্ট লঘুচাপে পরিণত হয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এটি আরও শক্তিশালী হয়ে আগামী ১২ ঘণ্টার মধ্যে মৌসুমি নিম্নচাপে রূপ নিতে পারে।
বুধবার (২৮ মে) দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে লঘুচাপটি মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থান করছিল। এটি উত্তর দিকে এগোচ্ছে এবং আরও শক্তি অর্জন করতে পারে বলে পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে।
লঘুচাপ কেন্দ্রের ৬২ কিলোমিটারের ভেতরে বাতাসের একটানা গড় গতিবেগ ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার, যা দমকা ও ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৫৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়তে পারে। এর ফলে সাগর ইতোমধ্যেই বেশ উত্তাল রয়েছে।
মংলা, পায়রা, চট্টগ্রাম এবং কক্সবাজার—এই চারটি সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই লঘুচাপ আগামীকাল ২৯ মে (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যা বা রাতের দিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা (ভারত) এবং বাংলাদেশের সাতক্ষীরা উপকূলীয় এলাকায় নিম্নচাপ আকারে আঘাত হানতে পারে।
সম্ভাব্য প্রভাব:
১. আজ রাত থেকে পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে উপকূলীয় এলাকাসহ দেশের অধিকাংশ এলাকায় ভারি থেকে অতি ভারি বর্ষণ হতে পারে।
২. কিছু নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
৩. বিশেষ করে চট্টগ্রাম বিভাগের পাহাড়ি এলাকাগুলোতে পাহাড়ধসের ঝুঁকি রয়েছে।
আবহাওয়া অফিস জনগণকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে এবং নৌযান ও মৎস্যজীবীদের গভীর সাগরে না যাওয়ার নির্দেশনা জারি করেছে।