
রাজধানী ঢাকায় হঠাৎ নেমে আসা বৃষ্টি আর ঠান্ডা বাতাস শুধু তাপের দাহ কমিয়ে আনেনি, বরং ধুলায় জর্জরিত শহরটিকে ফিরিয়ে দিয়েছে এক ধরনের সজীবতা ও নির্মলতা। গাছপালা, রাস্তা এবং বাতাস—সব কিছু যেন আবার প্রাণ ফিরে পেয়েছে এই বর্ষণ ও বাতাসের ছোঁয়ায়।
গত কয়েকদিন ধরে রাজধানীজুড়ে বিরাজ করছিল তীব্র গরম ও ধুলাবালি। রাস্তার ধারে গাছগুলোর পাতাও হয়ে পড়েছিল বিবর্ণ, বাতাসে ছিল ঘন ধুলোর আচ্ছাদন। তবে আজকে বিকালে শুরু হওয়া বৃষ্টি ও তার সঙ্গে বইতে থাকা ঠান্ডা হাওয়া যেন ঢাকাকে ধুয়ে-মুছে এক নতুন রূপ দিয়েছে।
বৃষ্টির পানি রাস্তার জমে থাকা ধুলোকণা ভাসিয়ে নিয়ে গেছে, শুষ্ক গাছের পাতাগুলো হয়েছে চকচকে সবুজ, আর বাতাসে এখন ধুলোর বদলে ভাসছে এক ধরনের শীতল সতেজতা। নগরবাসীরা একে বলছেন “প্রকৃতির চাওয়া-পাওয়ার মিলন”।
শুধু মানুষ নয়, শহরের পশুপাখিরাও যেন বৃষ্টিতে স্বস্তি পেয়েছে। বাড়ির বারান্দা ও গাছে গাছে দেখা গেছে পাখিদের উড়োচক্কর। রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা কুকুরগুলোও আজ শান্তভাবে ভিজতে দেখা গেছে বৃষ্টির মধ্যে।
এই মুহূর্তে নগরবাসী একসাথে এক স্বস্তিদায়ক নিঃশ্বাস নিচ্ছে—বৃষ্টি যেন প্রকৃতির দেওয়া এক সাময়িক উপহার, যা শুধু পরিবেশকে নয়, মনকেও করেছে নির্মল ও প্রশান্ত।