
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্পোরেশন (বিআরটিসি) ও ডেভলপমেন্ট এ্যাকটিভিটিস অফ সোসাইটি (ডাস) এর যৌথ উদ্যোগে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বিষয়ে প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ (টিওটি) অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিআরটিসির ৩৫ জন ড্রাইভিং প্রশিক্ষক এই প্রশিক্ষক-প্রশিক্ষণে অংশ নেন। গত বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ সকাল ৯.৩০ টায় গাজিপুরে বিআরটিসি কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট এর সভাকক্ষে এটি অনুষ্ঠিত হয়।
পাবলিক পরিবহনে তামাক নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা ছাড়াও চালকগণ মুখ্য ভূমিকা পালন করতে পারে। এজন্য দরকার চালকদের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি এবং নিজেকে অধূমপায়ী হওয়া। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ চালকদের যেমন দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন আনতে পারে তেমনি চালক নিয়োগে ও প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচনে কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছাও দরকার বলে মনে করেন বক্তারা। বিআরটিসি কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট, গাজীপুর এর ইউনিট প্রধান ইঞ্জি. মো: মশিউজ্জামানএর সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিআরটিসি পরিচালক (প্রশাসন ও অপারেশন) মো: রাহেনুল ইসলাম (যুগ্মসচিব) প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাস্ এর প্রোজেক্ট ম্যনেজমেন্ট লীড দোয়া বখশ শেখ, বিইআর এর প্রকল্প পরিচালক হামিদুল ইসলাম হিল্লোল ও টিসিআরসি’র প্রোজেক্ট কোঅর্ডিনেটর ফারহানা জামান লিজা। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডাস্ এর প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর মোয়াজ্জেম হোসেন টিপু। কর্মশালাটির প্রথমাংশে তামাক সেবন ও ধূমপানের ক্ষতিকর দিকসমূহ এবং দ্বিতীয়াংশে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন ও দন্ড বিধি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয় এবং অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেয়া হয়। কর্মশালা শেষে সকল অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়।
প্রধান অতিথি তাঁর বক্তব্যে গাড়ি চালকের পাশাপাশি চালকদের প্রশিক্ষকদেরকে আরও বেশী তামাকমুক্ত আইন ও তার কূফল সম্পর্কে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন। সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই নিজস্ব সচেতনতাই পারে নিজেকে তামাকমুক্ত জীবন গড়তে সহায়তা করতে। তিনি আশ্বাস প্রদানের সাথে বলেন, আগামীতে প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহের সকল কোর্সেই ভর্তির সময় ধূমপায়ীদেরকে ভর্তি না করে এনফোর্সমেন্ট এর বিষয়টা গুরুত্ব দেবে বিআরটিসি। প্রয়োজনে যে কোনো কোর্সের শুরুতে এবং কোর্স সমাপ্তির পরে দু’টি সার্ভে করে ছাত্র-ছাত্রীদের ধূমপানের অবস্থা যাচাই করারও পরামর্শ দেন তিনি।