
যশোরে টানা দশ দিন ধরে শৈত্যপ্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। শীতের দাপটের সঙ্গে কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ার সংমিশ্রণে জনজীবন দুর্ভোগে পড়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়, ৯.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
রোববার (৪ জানুয়ারি) দিনভর কুয়াশা থাকলেও সোমবার সকালে সূর্যের দেখা মিলেছে। তবে হাড়কাঁপানো শীত উত্তাপহীন রোদের সঙ্গে উত্তরের হাওয়ার কারণে পুরোপুরি কমেনি।
যশোর বিমান বাহিনীর আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, গত দশদিনে যশোরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭.৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করেছে। বৃহস্পতিবার ছিল ৭.৮ ডিগ্রি, শুক্রবার ৮ ডিগ্রি, শনিবার ১০ ডিগ্রি, রোববার ৯.৬ ডিগ্রি এবং সোমবার ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাতের তাপমাত্রা: ৮.১–১০ ডিগ্রি = মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬.১–৮ ডিগ্রি = মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ, ৪.১–৬ ডিগ্রি = তীব্র শৈত্যপ্রবাহ, ৪ ডিগ্রি বা তার নিচে = অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ।
যশোরে প্রতিদিন রাত থেকেই কুয়াশা ঘিরে রাখছে চারদিক। সোমবার সকালেও কুয়াশার মধ্যে সূর্য উঠলেও ক্ষীণ আলো মানুষের গায়ে উষ্ণতা জাগাতে পারেনি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা সরলেও শীতের প্রকোপ বজায় থাকে, ফলে মানুষজনের স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ব্যাহত হচ্ছে।