
ফেনীতে ডেঙ্গু ও হামের প্রকোপ বাড়ছে। চলতি বছর জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্তের সংখ্যা ইতোমধ্যে গত বছরের মোট আক্রান্তের রেকর্ড ছাড়িয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৯১ জন, যাদের বড় অংশই শিশু।
জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের ৬ সেপ্টেম্বরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর ফেনীতে ৩০৫ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৪১টি নমুনা পরীক্ষা করে নতুন করে ২৬ জনের ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে। ২০২৫ সালে জেলায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন ২০১ জন।
ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন ফেনী সদর উপজেলায়—১৯৮ জন। এছাড়া দাগনভূঞায় ৩৬, সোনাগাজীতে ৩০, ছাগলনাইয়ায় ২০, ফুলগাজীতে ১১ এবং পরশুরামে ১০ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
অন্যদিকে, হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ১ হাজার ৫৯১ জনের মধ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৫৯ জন। ফেনী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ১ হাজার ৩৩০ জন। এর মধ্যে ১ হাজার ২৭১ জন সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
জেলায় সন্দেহজনক রোগীদের মধ্যে ফেনী পৌর এলাকায় ২২ জন, সোনাগাজীতে ৮, দাগনভূঞায় ৪, ফেনী সদরে ২, ফুলগাজীতে ২ এবং ছাগলনাইয়ায় ১ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
এদিকে, শহরে মশার উপদ্রব বাড়লেও মশক নিধন কার্যক্রম নিয়ে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। তবে ফেনী পৌরসভা জানিয়েছে, ১৮টি ওয়ার্ডে প্রতি সপ্তাহের শনিবার ও মঙ্গলবার মশার ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। পাশাপাশি ড্রেন পরিষ্কারেও জোর দেওয়া হচ্ছে।