ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. জনস্বাস্থ্য

দরিদ্ররা সরকারি স্বাস্থ্যসেবার ২০ শতাংশও ভোগ করতে পারে না

প্রতিবেদক
Ibrahim Khalil
২০ মে ২০২৪, ৪:৪৯ বিকাল

Link Copied!

দেশের ২০ শতাংশ দরিদ্র পরিবার মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবার যেসব সরকারি সুবিধা রয়েছে, তার ২০ শতাংশও ভোগ করতে পারে না বলে দাবি করেছে এসডিজি অ্যাকশন অ্যালায়েন্স বাংলাদেশ। একইসঙ্গে দেশের ৪৬ শতাংশ মানুষ চিকিৎসা খরচ মেটাতে কোনও না কোনও অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছে বলেও জানায় সংগঠনটি।

রবিবার (১৯ মে) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর রুনি হলে ‘সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার অধিকার প্রতিষ্ঠায় নাগরিক সমাজের অবস্থানপত্র’‌ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরেন সংগঠনের নেতারা। যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে এসডিজি অ্যাকশন অ্যালায়েন্স বাংলাদেশ, গ্লোবাল কল টু অ্যাকশন অ্যাগেইনস্ট পোভার্টি এবং নোয়াখালী রুরাল ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (এনআরডিএস)।

এসডিজি অ্যাকশন অ্যালায়েন্স বাংলাদেশের জাতীয় সমন্বয়কারী ও এনআরডিএস এর প্রধান নির্বাহী আবদুল আউয়াল বলেন, করোনা মহামারির সময় দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার দুরবস্থার চিত্র ফুটে উঠে। কিন্তু তারপরও এই খাতটি বাজেটে প্রত্যাশিত মনোযোগ পাচ্ছে না। বরং বরাবরের মতোই অবহেলিত থেকে যাচ্ছে। টাকার অংকে স্বাস্থ্য খাতের বাজেট বাড়লেও মোট জিডিপির তুলনায় তেমন বাড়েনি। বর্তমানে স্বাস্থ্য খাতের বাজেট জিডিপির এক দশমিক ৫ শতাংশ। এটি মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে একটি বড় বাধা। তাই দেশের দরিদ্র জনসংখ্যার চাহিদা পূরণে স্বাস্থ্যখাতে সরকারি বরাদ্দ বাড়ানোর প্রয়োজন।

স্বাস্থ্য ব্যয়ের ৭০ শতাংশ নাগরিকদের নিজেদেরই বহন করতে হয় জানিয়ে তিনি আরও বলেন, মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা পেতে একজন বাংলাদেশির বছরে ৮৮ ডলার খরচ করা প্রয়োজন। কিন্তু বাংলাদেশে চিকিৎসা খাতে মাথাপিছু খরচ হয় ৫৮ ডলার, যার বড় অংশই নাগরিকরা নিজেরা ব্যয় করেন। জনগণ তাদের স্বাস্থ্য ব্যয়ের প্রায় ৭০ শতাংশ নিজেরাই সংস্থান করতে বাধ্য হন। এটি অনেক পরিবারের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য আর্থিক সংকট এবং এটি মানুষের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য সেবাকে বিলম্বিত করে।

অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্যে দেশের স্বাস্থ্যসেবাকে শক্তিশালী ও জনবান্ধব করতে সুপারিশ তুলে ধরেন বেসরকারি সংস্থা বন্ধনের নির্বাহী পরিচালক আমিনুজ্জামান মিলন।

তিনি বলেন, স্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং বাংলাদেশের সব নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্য সেবায় অভিগম্যতা সম্প্রসারণে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো অপরিহার্য। স্বাস্থ্য বীমা কর্মসূচির আওতা প্রসারিত করে এবং স্বাস্থ্যসেবা খরচের জন্য ভর্তুকি প্রদান করে স্বাস্থ্যের জন্য ব্যক্তি পর্যায়ে ব্যয় কমানো যায়। সরকার আরও প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা তৈরি করে, আরও স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে এবং প্রয়োজনীয় ঔষধ ও পরিষেবাগুলোকে আরও সহজলভ্য এবং সাশ্রয়ী করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে পারে। সরকার সকল নাগরিকের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য শিক্ষা, কৃষি, এবং পানি ও স্যানিটেশনের মতো অন্যান্য সেক্টরের সাথে কাজ করে স্বাস্থ্যের সামাজিক নির্ধারকগুলোর সমাধান করতে পারে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত নারী অধিকার জোটের সদস্য সচিব মনোয়ার আক্তার মিনু।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় জ্বালানি ও খাদ্যের দাম বাড়ার শঙ্কা, সতর্ক করল বিশ্বব্যাংক

স্পেনে দুই দ্রুতগতির ট্রেনের সংঘর্ষে নিহত ৬৪

Bangladesh Completes First Government-Led Inter-Ministerial Climate Negotiator Training Ahead of COP31

কপ৩১ সামনে রেখে প্রথমবার সরকারি উদ্যোগে জলবায়ু নেগোশিয়েটরদের প্রশিক্ষণ

তামাক ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে ডিএসসিসি

DSCC to Take Effective Measures to Control Tobacco Use

স্ট্রোকে দ্রুত চিকিৎসা কমাতে পারে পঙ্গুত্ব ও মৃত্যুঝুঁকি

ঢাকা মেডিকেলে অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট, ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজনরা

মালয়েশিয়াগামী কর্মীদের মেডিকেল পরীক্ষা নিয়ে কড়া নির্দেশনা

সৌদি রুটে ১৫৩ ফ্লাইট বাতিল-স্থগিত, ভোগান্তিতে ২২ হাজার যাত্রী

স্পেন থেকে মরক্কোয় ফেরত পাঠানো ১৬ অভিবাসীর দলে বাংলাদেশিও

আগামী ৫ দিন যেমন থাকতে পারে দেশের আবহাওয়া