
দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চলতি জুলাই মাসে ১১ কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) আমদানি করছে সরকার। এসব কার্গোতে মোট প্রায় ৩ কোটি ৫২ লাখ মিলিয়ন ব্রিটিশ থার্মাল ইউনিট (এমএমবিটিইউ) এলএনজি রয়েছে। আগামী ৬ বা ৭ জুলাই প্রথম চালান দেশে পৌঁছাতে পারে।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, আমদানিকৃত ১১ কার্গোর মধ্যে একটি দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায়, তিনটি স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় এবং বাকি সাতটি স্পট মার্কেট থেকে কেনা হয়েছে। সব কার্গোই জুলাই মাসের মধ্যেই দেশে পৌঁছাবে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশনের (পেট্রোবাংলা) পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মাইনস) প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, দেশের গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখতে জুলাই মাসের জন্য ১১ কার্গো এলএনজি আমদানি নিশ্চিত করা হয়েছে। এগুলো দীর্ঘমেয়াদি, স্বল্পমেয়াদি চুক্তি এবং স্পট মার্কেট-এই তিন উৎস থেকেই সংগ্রহ করা হয়েছে।
তিনি জানান, দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ নিয়মিত তিনটি উৎস থেকেই এলএনজি আমদানি করছে। গড়ে প্রতিটি কার্গোতে প্রায় ৩২ লাখ এমএমবিটিইউ এলএনজি থাকে।
এর আগে, গত জুন মাসে সরকার দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তি এবং স্পট মার্কেটের মাধ্যমে মোট ৯ কার্গো এলএনজি আমদানি করে। ওই চালানগুলোর মোট পরিমাণ ছিল প্রায় ২ কোটি ৮৮ লাখ এমএমবিটিইউ।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল) সূত্রে জানা গেছে, কাতারভিত্তিক কাতার এনার্জি এবং ওমানের ওকিউ ট্রেডিং দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ করে। এছাড়া সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক ওকিউ ট্রেডিং স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায়ও বাংলাদেশে এলএনজি সরবরাহ করছে।
সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত কমিটির অনুমোদনের ভিত্তিতে প্রয়োজন অনুযায়ী স্পট মার্কেট থেকেও এলএনজি কার্গো সংগ্রহ করা হচ্ছে।