
আগামী কয়েক দিন দেশের চারটি বিভাগে ভারী বর্ষণ ও ঝড়ো হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি সুস্পষ্ট রূপ নিয়েছে এবং তা আরও ঘনীভূত হতে পারে। এর প্রভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টির তীব্রতা বাড়ছে।
বুধবার (২৮ মে) সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমীবায়ু এরইমধ্যে বরিশাল, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিংহ এবং ঢাকা বিভাগের পূর্বাঞ্চলে অগ্রসর হয়েছে। এর ফলে বর্ষার প্রভাব দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।
আজ বুধবার ময়মনসিংহ, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় দমকা হাওয়াসহ বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারী কিংবা অতিভারী বৃষ্টিও হতে পারে। রংপুর ও রাজশাহী বিভাগেও কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে।
আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে শনিবার পর্যন্ত (২৯-৩১ মে) দেশের আটটি বিভাগেই বজ্রসহ বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে। কিছু এলাকায় ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের শঙ্কাও রয়েছে। তবে এই সময়ে তাপমাত্রায় বড় কোনো পরিবর্তন হবে না।
রোববার (১ জুন) থেকে বৃষ্টির প্রবণতা কিছুটা কমলেও তাপমাত্রা আবার বাড়তে পারে। সেদিন রংপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলে বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। অন্যদিকে, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগে দু-এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সামনের পাঁচ দিনে বৃষ্টির প্রবণতা কমে আসলেও তার প্রভাবে তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ সময় সড়ক ও জনজীবনে জলাবদ্ধতা ও ভোগান্তি বাড়তে পারে।
বিশেষ করে বরিশাল, খুলনা, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের বাসিন্দাদের প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।