ঢাকাবুধবার , ৪ নভেম্বর ২০২৬
  1. সর্বশেষ

ক্লাব কর্তৃক মাঠ পার্ক দখল বন্ধে সরকারের করণীয়: নাগরিকদের প্রত্যাশা

প্রতিবেদক
Ibrahim Khalil
১৬ অগাস্ট ২০২৫, ১:০২ বিকাল

Link Copied!

প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ, মাঠ, পার্ক জলাধার দখলমুক্ত আন্দোলন-এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানবেন।

আপনারা জানেন, রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন মাঠ, পার্কগুলো দখল করে নিচ্ছে কতিপয় ক্ষমতাবান ব্যক্তি, ক্লাব ও কিছু অপশক্তি। এ দখল সরকারি, বেসরকারি ও ব্যক্তিগতভাবে সমানতালে হচ্ছে। এর জন্য বিশেষভাবে গৃহায়ন ও গণপুর্ত মন্ত্রণালয়, পরিবেশ বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ডেপুটি কমিশনারের কার্যালয়, পুলিশ বিভাগ এবং রাজনৈতিকদলগুলোর উদাসীনতা দায়ী। যারা রাষ্ট্রের প্রতি কোনো ধরনের দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতা প্রদর্শন করছে না। একইসঙ্গে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলো ক্ষমতাবান ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও অপশক্তির কাছে একে একে পরাজয় স্বীকার করে নিচ্ছে। ক্ষেত্রবিশেষে, তাদের যোগসাজশে মাঠ-পার্কগুলো ধ্বংস করছে। আমাদের আজকের সংবাদ সম্মেলনে আমরা এ শহরের মাঠগুলো কিভাবে দখল হচ্ছে এবং সরকারের কিছু প্রতিষ্ঠান কিভাবে দায়ী তার তথ্য ও উপাত্ত তুলে ধরবো। একইসঙ্গে মাঠ-পার্ক রক্ষায় আমাদের পরবর্তী করনীয় বিষয়গুলো সম্পর্কে স্পষ্ট ঘোষণা দিবো।

প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ, আপনারা জানেন, মাঠ, পার্ক মানুষের বিলাসিতা নয়। হৃদরোগ, স্ট্রোক, ডায়বেটিস, ক্যান্সারসহ অসংক্রামক রোগ কমানোর পাশাপাশি তরুণদের মাদক, হতাশা কমাতে মাঠ, পার্ক গুরু্ত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক নিয়ন্ত্রণে খেলাধূলা বৃদ্ধিতে মাঠের ভূমিকা রয়েছে। মাঠ, পার্ক নাগরিকদের জন্য অতি প্রয়োজনীয় একটি বিষয়। আমাদের নগর পরিকল্পনায় মাঠ, পার্ক এখনো গুরুত্ব পায়নি। নগর কর্তৃপক্ষ মাঠ, পার্কগুলোর যথাযথ ব্যবস্থাপনা না করায় মাঠ পার্কগুলো বিভিন্ন ব্যক্তি, ক্লাব, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এমনকি সরকারি বিভিন্ন সংস্থার দখল চলে যাচ্ছে। আমরা দীর্ঘদিন থেকে এর বিরুদ্ধে সরব প্রতিবাদ ও আইনি পদক্ষেপ নিয়ে আসলেও দখলদাররা পেশিশক্তির মাধ্যমে তা লঙ্ঘন করছে।

প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ, আমরা লক্ষ করছি, সারাদেশে নানাভাবে সরকারি খেলার মাঠ-পার্ক দখলের হিড়িক চলছে। ধানমন্ডি মাঠের বিষয়েও আপনারা জানেন। এক সময়ের উম্মুক্ত এ মাঠটি একটি ক্লাব দখল করে নেয়। মাঠটি সবার জন্য উম্মুক্ত রাখার কথা বলা হলেও, এক সময় পুরো মাঠে ক্লাবটি নানা স্থাপনা তৈরি করে। ফলশ্রুতিতে শুধুমাত্র ক্লাবের সদস্যদের প্রশিক্ষনের জন্য মাঠটি সংরক্ষিত হয়ে যায়। জনগণের টাকায় তৈরি মাঠটি ক্লাবের দখলে চলে যায় এবং ক্লাবটি লক্ষ টাকায় শেয়ার বিক্রি করে কোটিপতি হয়ে উঠে। এই ক্লাব পরিবেশবাদীদের নামে মিথ্যা মামলা দেয় এবং পরিবেশবাদীদের ফলশ্রুতিতে গ্রেফতার করা হয়। মাঠটি এখনো দখলে নেয়ার প্রক্রিয়াধীনে আছে। কিছুদিন আগে গণপুর্ত নিজস্ব সাইনবোর্ড স্থাপন করলেও গোপনে তা সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

অন্যদিকে গুলশানে শহীদ তাজউদ্দিন স্মৃতি পার্ক ৮ একর এলাকাজুড়ে বিস্তৃত ছিল। এ মাঠ ও পার্কটি গুলশান ইয়ুথ ক্লাব ধ্বংস করে কিছু লোকের ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে রুপান্তর করেছে। বৃষ্টির পানি শোষণের জন্য রাখা উম্মুক্ত স্থানটি তারা ঢালাই দিয়ে বন্ধ করে, ফুটবলের টার্ফ বানিয়েছে। ঘণ্টা প্রতি সেই টার্ফ কয়েক হাজার টাকায় ভাড়াও দিচ্ছে। পার্কের ঘাসে ঢাকা সবুজ চত্ত্বর তারা ধ্বংস করে পার্কটিকে নিজেদের দখলে নিয়েছে। মাঠ ও পার্কের সকল প্রবেশ পথে নিজেদের নিরাপত্তা প্রহরী বসিয়ে জনসাধারণের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করছে। এভাবে পার্ক ও মাঠ দখল করে ইচ্ছামত স্থাপনা তৈরিসহ বেআইনিভাবে এর প্রকৃতি ও শ্রেণী পরিবর্তন করে ভাড়া বা ইজারা প্রদানের মাধ্যমে বানিজ্যিক কাজে ব্যবহার সুস্পষ্টভাবে আইন পরিপন্থী। এই পার্ক ও মাঠ নিয়ে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে ০৩ টি মামলা দায়ের এবং নিস্পত্তি হয়। যার ০৩ টিতেই মহামান্য আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ রাজউককে দখল উচ্ছেদের এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনকে কোনভাবে লিজ বা দখল দেওয়া বন্ধের নির্দেশনা দিয়েছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করছি, কোনো এক অদৃশ্য কারণে রাজউক ও ডিএনসিসি আদালতের আদেশ লঙ্ঘন ও অবমাননা করে চলেছে।

প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ, রাজউক শহীদ তাজউদ্দিন স্মৃতি পার্কটি ডিএনসিসিকে দেখভালের দায়িত্ব দিয়ে হস্তান্তর করে। যার প্রধান শর্ত ছিল এ পার্ক তৃতীয় কোনো পক্ষের কাছে হস্তান্তর, লিজ, ভাড়া দেয়া যাবে না। একইসঙ্গে মাঠের জমিতে কোনো স্থায়ী স্থাপনা/ অবকাঠামো নির্মান করা যাবে না। অথচ ডিএনসিসি সকল শর্ত ভঙ্গ করে গুলশান ইয়ুথ ক্লাবের কাছে পার্কটি হস্তান্তর করেছে! সম্প্রতি তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করে পাওয়া তথ্যে দেখা গেছে, ইয়ুথ ক্লাবের বাধার কারণেই প্রস্তাবিত নকশা অনুযায়ী শহীদ তাজউদ্দিন স্মৃতি পার্কটি পুর্নাঙ্গভাবে সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। সরকার নির্ধারিত পার্কের জমিতেই নকশা অনুযায়ী সংস্কার করতে দেয়নি পেশিশক্তিতে বলিয়ান গুলশান ইয়ুথ ক্লাব! অথচ রাজউক বা সরকারের কোনো দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি! আবার এই ক্লাবের কাছেই পার্কের দেখভালের দায়িত্ব দিয়েছে ডিএনসিসি!

প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ, আফসোসের বিষয়টি এখানেই শেষ নয়। আপনারা জানলে অবাক হবেন, নিজস্ব পরিদর্শনে চুক্তির শর্তভঙ্গের প্রমাণ এবং আদালতের নির্দেশের পর নিজেরাই ইমারত ভেঙ্গে ফেলার ও ইয়ুথ ক্লাবের কাছ থেকে পার্কটি হস্তগত করার সিদ্ধান্ত নেয় রাজউক। পাশাপাশি ডিএনসিসির সঙ্গেও চুক্তি বাতিল করে তারা। গত ৩১ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে রাজউকের সাধারণ সভায় এসব সিদ্ধান্ত চূড়ান্তও হয়। কিন্তু এ সিদ্ধান্ত আর বাস্তবায়ন হয়নি! উল্টো ক্লাবের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৯ জুলাই ২০২৫ ৮ম সভায় চুক্তিটি পুনর্বহাল করেছে ডিএনসিসি! মহামান্য আদালত এই মাঠ ও পার্কটি ভাড়া নিষিদ্ধ, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ নির্দেশ প্রদান করেছে। তথাপি Gulshan Youth Club Writ Petition No. 2891 of 2013 মামলায় হেরে যাওয়া গুলশান ইয়ুথ ক্লাবকে, কোন আইনের ক্ষমতা বলে ব্যবস্থাপনার জন্য দেয়া হয়েছে সেটা আমরা জানতে চাই। একইসঙ্গে রাজউক কেনো আদালতের আদেশ অমান্য করে এবং নিজেদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসে কেনো ইয়ুথ ক্লাবকে সুবিধা দিচ্ছে সেটার আমরা জবাব চাই। শুধু তাই নয়, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এ সময় মোট পাচটি মাঠ বিভিন্ন বেসরকারি কোম্পানি/প্রতিষ্ঠানের হাতে অপরেটারের নামে তুলে দিয়েছে যার সবগুলোতেই সাধারণ মানুষের প্রবেশ বন্ধ হয়ে গেছে। কেনো তাদের বিরুদ্ধে কেনো ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না সেটাও আমরা রাষ্ট্রকে স্পষ্ট করতে অনুরোধ করবো।

আমরা মাঠ রক্ষায় বিগত দিনে যে সকল কাজ করেছি।
১. প্রধানমন্ত্রী, প্রধান উপদেষ্টা, গণপুর্ত মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব, উপদেষ্টাদের একাধিক বার পত্র দেয়া হয়েছে।
২. মেয়র/প্রশাসক, রাজউককে একাধিক পত্র এবং স্বাক্ষাৎ করা হয়েছে।
৩. সিস্টেমে অভিযোগ প্রদান করা হয়েছে।
৪. একাধিকবার আরটিআই সাবমিট করেও এ সকল ক্লাবের সাথে চুক্তি পাওয়া যায়নি।
৫. নগরভবনসহ বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ সমাবেশ করা হয়েছে।
৬. গণমাধ্যম নিয়মিত বিশেষ সংবাদ প্রকাশ করেছে, সেগুলো মন্ত্রী, উপদেষ্টা, মেয়র প্রশাসককে পাঠানো হয়েছে।
৭. নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রেরণ করা হয়েছে।
৮. নগর কর্তৃপক্ষের সাথে দেখা করে অভিযোগ প্রদান করা হয়েছে।

গণপুর্ত মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, রাজউক, ঢাকা সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ মাঠ রক্ষায় কোন উদ্যোগ না নিয়ে অনেক সময় দখলদারদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে বা নিস্ত্রিয় থেকে। যা আদালত ও আইনের প্রতি অশ্রদ্ধা এবং নাগরিক অধিকার লঙ্ঘন।

মাঠ ও পার্ক রক্ষায় আমরা নিম্নোক্ত দাবিসমূহ উপস্থাপন করছি।

মাঠ, পার্ক রক্ষায় আমাদের দাবি – স্বল্প মেয়াদে
১. শহীদ তাজউদ্দিন স্মৃতি পার্কসহ সকল মাঠ পার্ক থেকে অবৈধ স্থাপনার উচ্ছেদ করতে হবে এবং মাস্টারপ্ল্যান/ বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ড্যাপ) অনুসারে খেলার মাঠ ও পার্কে রুপান্তর।
২. মাঠ ও পার্ক নাগরিকদের জন্য উম্মুক্ত থাকবে এবং কোনোভাবেই ক্লাবের কোচিং মাঠ করা যাবে না। পাশাপাশি মাঠ থেকে সব ক্লাবকে উচ্ছেদ করতে হবে।
৩. মাঠ দখল করে ক্লাবের ব্যবসার স্বার্থে অবৈধ ফুটবল টার্ফ/ যেকোনো কৃত্রিম স্থাপনা অপসারণ করতে হবে।
৪. ক্লাবের দখল উচ্ছেদ করে, কমিউনিটি ভবনে লাইব্রেরি ও নাগরিকদের বসার জায়গা করে দিতে হবে।
৫. পার্কের গেটে “সকল নাগরিকদের জন্য উম্মু্ক্ত” সাইন বোর্ডে লিখতে হবে এবং অভিযোগ করার নম্বর দিতে হবে। একইসঙ্গে প্রতিটি মাঠে রাজউক কর্তৃক “নাগরিকদের মাঠ, সকলের জন্য উম্মুক্ত” সাইন বোর্ড স্থাপন করা।
৬. মাঠ দখলকারীদের মামলা মোকাবেলা করার জন্য আইনজীবী নিয়োগ দিতে হবে।
৭. মাঠ দখল রোধে সোসাইটিসমূহকে দায়িত্ব প্রদান এবং অস্থায়ী আনসার নিয়োগ করা।
৮. যে সকল মাঠে ওয়াসার পাম্প আছে তাদের হতে ভাড়া আদায় করে মাঠ রক্ষায়/ রক্ষণাবেক্ষণে ব্যয় করার ব্যবস্থা করতে হবে।
৯. অনেক ক্ষেত্রে সোসাইটিগুলো পরিচালিত হয় সমাজের সঙ্কীর্ণ মানসিকতার বড়লোকবান্ধব লোক দ্বারা। আর গত আমলসহ স্বাধীনতার পর থেকে কারা বিত্তবান হয়েছে তাতো সকলেরই জানা আছে। সোসাইটিগুলো অনেক ক্ষেত্রেই ক্লাব এর মতই ব্যবহার করে আর ক্লাবগুলোর পৃষ্ঠপোষক। উদাহরণ স্বরূপ ধানমণ্ডি সোসাইটির উদাহরণ টানা যেতে পারে। অতএব সরকারকে তার প্রাসঙ্গিক সংস্থা ও পরিবেশ সংগঠন ও সোসাইটি সমন্বয়ে শক্তিশালী এপেক্স বডি গঠন করতে হবে মাঠ,পার্ক, গণপরিসর নিয়ন্ত্রন, ব্যবস্থাপনা, মনিটরিং, পরিচালনা এর জন্য।
১০. যেকোনো গণপরিসরে অবাধ প্রবেশ মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। খেলার অবারিত মাঠ এবং উন্মুক্ত স্থান শিশু কিশোরের বেড়ে উঠার শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের মৌলিক প্রয়োজন ও অধিকার হিসাবে ঘোষণা দিতে হবে।

দীর্ঘ মেয়াদে
১. মহানগরীর মাঠ, পার্ক, জলাধার সংরক্ষন আইন সংশোধন করার লক্ষ্যে অর্ডিন্যান্স প্রণয়নে দ্রুত একটি কমিটি করা।
২. মাঠ ও পার্ক ব্যবস্থাপনার জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করা।
৩. দেশের সকল মাঠ ও পার্কের তালিকা প্রণয়ন ও উম্মুক্ত করা এবং সংরক্ষন ও ব্যবস্থাপনার জন্য অর্থায়ন করা।
৪. নগর এলাকায় স্কুল কলেজ এবং অন্যান্য মাঠগুলো খেলারজন্য উম্মুক্ত করতে নীতিমালার মাধ্যমে ব্যবস্থা গ্রহণ।
৫. পরিবেশ আদালত আইন সংশোধন এবং মাঠ রক্ষায় সকল নাগরিকদের আদালতে যাওয়ার পথ উম্মুক্ত করা।
৫. মাঠ, পার্ক দখলদারদের বিরুদ্ধে শাস্তিমুলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

পরবর্তী ধাপে আমাদের সম্ভাব্য করণীয়সমূহ
প্রিয় সংবাদকর্মীগণ, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় আমরা আর চুপ থাকতে পারি না। একের পর এক আদালতের আদেশ অমান্য, অবৈধ চুক্তি ও পরিবেশ ধ্বংস করে মাঠ-পার্ককে নিজের ব্যক্তিগত সম্পদে পরিণত করতে দিতে পারি না। আমরা আজকের সংবাদ সম্মেলনের পর পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছি।
• মাঠ-পার্কের দখলদারদের নাম, পরিচয়সহ তালিকা তৈরি করে মন্ত্রণালয়ে চিঠি প্রেরণ।
• কোন কোন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, কর্মকর্তা মাঠ-পার্ক দখলে ও বাণিজ্যিকীকরণে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সহযোগিতা করেছে তাদের তালিকা তৈরি ও গণমাধ্যমে প্রকাশ করা। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলা করা।
• মাননীয় উপদেষ্টাগণের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে মাঠ ও পার্ক বেহাত করা কুশীলবদের বিষয়ে অবগতকরণ এবং তাদেরকে মাঠ-পার্কগুলো পরিদর্শনের অনুরোধ করবো।
• পার্ক-মাঠ ইজারা দিয়ে এবং অনিয়মের মাধ্যমে আর্থিকভাবে লাভবান ও জালিয়াতি করা ডিএনসিসি ও রাজউকের কর্মকর্তাদের তালিকা প্রস্তুত করে দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ দাখিল করবো।

সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য হুবহু তুলে ধরা হলো

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

নওগাঁয় ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ব্যাংক কর্মচারীর মৃত্যু

সপ্তাহজুড়ে কেমন থাকবে দেশের আবহাওয়া? জানাল অধিদপ্তর

স্তনবৃন্তে স্পর্শ করলেই কেন হঠাৎ মন খারাপ, কী এই ‘স্যাড নিপল সিনড্রোম’?

upay Rewards Three Distributor Partners with Umrah Packages under ‘Shopner Umrah 2026’ Campaign

উপায়ের ‘স্বপ্নের ওমরাহ’ ক্যাম্পেইনে পুরস্কার পেলেন ৩ ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনার

সাতক্ষীরায় ৭৫ শতাংশ জলবায়ু বাস্তুচ্যুত পরিবার তীব্র খাদ্য সংকটে

মিরপুর বেড়িবাঁধে বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৪

হাসপাতাল নেই ৬০ গ্রামে, অসুস্থ হলে আট ঘণ্টার নদীপথ পাড়ি

চাঁদপুরে হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারে ৬ যানবাহনকে জরিমানা

ঢাকায় শুষ্ক আবহাওয়া, কমতে পারে দিনের তাপমাত্রা

বাংলাদেশে জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ু রক্ষায় ১২ সংস্থার সঙ্গে ইউএনডিপির চুক্তি

সড়ক দুর্ঘটনার আচরণগত ঝুঁকি নিরসনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাথে মতবিনিময় সভা