পর্যটন জেলা কক্সবাজারে চলতি বছরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
একই সঙ্গে সকাল থেকে ঘণ্টায় ১৫ থেকে ২০ কিলোমিটার বেগে ঠান্ডা বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। ফলে কক্সবাজারসহ উপকূলীয় এলাকাজুড়ে শীতল আবহাওয়া বিরাজ করছে এবং সাধারণ মানুষ প্রচণ্ড ঠান্ডা অনুভব করছেন।
অন্যদিকে, কক্সবাজারের সীমান্তবর্তী উপজেলা টেকনাফ ও পার্বত্য জেলা বান্দরবানে সোমবার (৫ জানুয়ারি) চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এদিন টেকনাফে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বান্দরবানে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা দেশের উত্তরাঞ্চলের অনেক জেলার তুলনায়ও কম।
কক্সবাজার আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়াবিদ আব্দুল হান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, চলতি বছরে কক্সবাজারে এটাই সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। ঠান্ডা বাতাসের কারণে অনুভূত তাপমাত্রা আরও কম মনে হচ্ছে। তিনি জানান, উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে শীতল ও শুষ্ক বাতাস প্রবাহিত হওয়ায় উপকূলীয় ও পার্বত্য অঞ্চলে তাপমাত্রা দ্রুত হ্রাস পেয়েছে।
তিনি আরও জানান, আগামী কয়েকদিন ভোর ও রাতের দিকে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে। এ অবস্থায় প্রয়োজন ছাড়া ভোর ও রাতে বাইরে না যাওয়া এবং শীতজনিত রোগ থেকে বাঁচতে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
এদিকে হঠাৎ শীত বেড়ে যাওয়ায় কক্সবাজার, টেকনাফ ও বান্দরবানের নিম্ন আয়ের মানুষ, জেলে এবং পাহাড়ি অঞ্চলের বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। ভোর ও গভীর রাতে শীতের কারণে শিশু ও বয়স্কদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।


