ঢাকামঙ্গলবার , ১১ অগাস্ট ২০২৬
  1. সর্বশেষ

এক আগুন নিভতেই আরেক আগুন, ভয়াবহ দাবানলে যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিবেদক
বিপ্লব হোসাইন
১১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৮ সকাল

Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলে ২০২৬ সালের দাবানলের মৌসুম ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। কলোরাডোসহ পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন রাজ্যে একের পর এক বড় দাবানল ছড়িয়ে পড়ছে। রেকর্ড কম তুষারপাত, দীর্ঘ খরা ও বসন্তের তীব্র তাপপ্রবাহে বনভূমি ও মাটি অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে পড়ায় সামান্য স্ফুলিঙ্গ বা বজ্রপাত থেকেও দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ছে।

কলোরাডোর রিজওয়ের কাছে গোল্ড মাউন্টেন ফায়ার এই পরিস্থিতির বড় উদাহরণ। জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে আগুনটি প্রায় ৩৮ হাজার একর এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। তখন আগুন মাত্র ১৪ শতাংশ নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছিল। রিজওয়ের একটি মেলা প্রাঙ্গণকে অস্থায়ী ফায়ার ক্যাম্পে পরিণত করা হয়। সেখানে প্রতিদিন সকাল ৬টায় আগুনের অবস্থা, আবহাওয়া ও নিরাপত্তা নিয়ে ব্রিফিং করতেন কর্মকর্তারা।

তবে গোল্ড মাউন্টেনই একমাত্র বড় আগুন নয়। পুয়েব্লোর কাছে অ্যাসপেন একরস ফায়ার এক লাখ একরের বেশি এলাকা পুড়িয়ে ৩৩৭টি বাড়ি ও ৮০০টির বেশি স্থাপনা ধ্বংস করেছে। গোল্ড মাউন্টেন ও অ্যাসপেন একরসের মাঝামাঝি এলাকায় এল্ক ফায়ারও ১০ হাজার ফুট উচ্চতার বনভূমি ঘেরা শৈলশিরা পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ছিল। একই সময়ে ইউটাহ, ওরেগন, ওয়াশিংটন ও নেভাডাসহ পশ্চিমাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকায়ও বড় দাবানল জ্বলছিল।

আগুন নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি

দাবানলের বিস্তার এতটাই ব্যাপক ছিল যে যুক্তরাষ্ট্রের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার ওপর বড় চাপ তৈরি হয়। ওয়াশিংটনে জরুরি অবস্থা জারি করা হয় এবং পুরো দেশকে ‘প্ল্যানিং লেভেল ৫’-এ রাখা হয়। এর অর্থ, ফায়ার ক্রু, হটশট দল, হেলিকপ্টারসহ প্রায় সব ধরনের অগ্নিনির্বাপণ সম্পদ কাজে নিয়োজিত বা প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত ছিল।

গোল্ড মাউন্টেন ফায়ার মোকাবিলায় রিজওয়ের ক্যাম্পে প্রায় ৯০০ অগ্নিনির্বাপক ও সহায়ক কর্মী ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের ৩৭টি অঙ্গরাজ্য ও ভার্জিন আইল্যান্ডস থেকে তারা সেখানে এসেছিলেন। অস্থায়ী ক্যাম্পে ব্রিফিংয়ের জায়গা, অফিস, খাবারের ব্যবস্থা ও বিভিন্ন ট্রেলার স্থাপন করা হয়। প্রতিটি কর্মীকে প্রতিদিন প্রায় ৫ হাজার ক্যালোরির খাবার দেওয়ার ব্যবস্থাও ছিল।

জীবনঝুঁকি নিয়ে সম্মুখ সারিতে

দাবানল নিয়ন্ত্রণের কাজ প্রতিদিনই অগ্নিনির্বাপকদের জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলছে। গোল্ড মাউন্টেন ফায়ারে দায়িত্ব পালন করা ইনসিডেন্ট টিমের নেতা জেমি কার্পেন্টার ২২ বছর ধরে দমকলকর্মী হিসেবে কাজ করছেন। তার অধীনে প্রায় ১০০ জন কর্মী ও কয়েকটি দল কাজ করছিল।

কার্পেন্টারের কাছে সবচেয়ে কঠিন বিষয় হলো, মানুষকে বিপদের মধ্যে পাঠানোর দায়িত্ব নেওয়া। সর্বোচ্চ সতর্কতা ও ঝুঁকি কমানোর চেষ্টা থাকলেও কখনো কখনো কর্মীরা আহত হন, এমনকি প্রাণও হারান।

গোল্ড মাউন্টেনের পাশের সিলভার জ্যাক জলাধার থেকে পানি তোলার সময় কানাডিয়ান হেলিকপ্টার পাইলট নিকোলাস ডেল দুর্ঘটনায় মারা যান। এ ঘটনার কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী থাকলেও দুর্ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

হটশট দলগুলোর ওপর বাড়ছে চাপ

গোল্ড মাউন্টেনে কাজ করা সল্ট লেক ১ দলের সদস্যরা সবচেয়ে কঠিন কাজগুলোর একটি করছিলেন। ২১ সদস্যের দলটির নেতৃত্বে ছিলেন ক্যামেরন সেসর। সাত বছর ধরে দলটি একসঙ্গে কাজ করছে এবং হটশট মর্যাদা পাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

হটশট হলো অভিজ্ঞ ও বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অগ্নিনির্বাপকদের দল, যাদের সবচেয়ে দুর্গম, বিপজ্জনক ও জটিল দাবানলে পাঠানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রে এমন শতাধিক আন্তঃসংস্থা হটশট দল রয়েছে। ২০২৬ সালের দাবানলের মৌসুমে এসব দলের ওপর ব্যাপক চাপ তৈরি হয়েছে।

সেসরের দলকে এর আগে অ্যারিজোনার আগুন মোকাবিলা করে দ্রুত গোল্ড মাউন্টেনে পাঠানো হয়েছিল। তাদের দক্ষতার প্রয়োজন ছিল আগুনের সবচেয়ে কঠিন এলাকায়। তবে দীর্ঘদিন আগুনের সম্মুখ সারিতে কাজ করার আরেকটি বড় মূল্যও আছে—পরিবার ও স্বাভাবিক জীবন থেকে দীর্ঘ সময় দূরে থাকা।

সেসর জানান, গত গ্রীষ্মে তিনি প্রায় ১২০ দিন বাড়ির বাইরে ছিলেন। দীর্ঘ সময় কঠোর ও নিয়মতান্ত্রিক পরিবেশে কাজ করার পর হঠাৎ স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা তার জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।

আকাশ থেকেও ভয়াবহ দাবানলের চিত্র

দাবানলের ভয়াবহতা আকাশ থেকেও স্পষ্ট দেখা যায়। ১৩ হাজার ফুটের বেশি উচ্চতায় একটি ছোট বিমান থেকে গোল্ড মাউন্টেন ও এল্ক ফায়ারের ওপর দিয়ে উড়ে দেখা যায়, পাহাড়ের উপত্যকাগুলো ঘন ধোঁয়ায় ঢাকা। কোথাও শুধু পাহাড়ের চূড়াগুলো দেখা যাচ্ছিল।

একটি কালো ধোঁয়ার বিশাল স্তম্ভ মাশরুম মেঘের মতো আকার নিয়ে ২৫ হাজার ফুট বা তারও বেশি উচ্চতায় উঠে যাচ্ছিল। নিচে কমলা রঙের শিখা পাইনগাছের দ্বিগুণ উচ্চতা পর্যন্ত উঠে আবার ধোঁয়ার আড়ালে হারিয়ে যাচ্ছিল।

স্নাইডার ফায়ারে প্রাণ গেল পাঁচজনের

স্নাইডার ফায়ার প্রায় তিন সপ্তাহে ২৮ হাজার একরের বেশি এলাকা পুড়িয়ে দেয়। আগুনে একটি খামারবাড়ি, ঘাসের মাঠ ও শতবর্ষী কটনউড গাছ পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

২৭ জুন নোলস ও গোর ফায়ার স্নাইডার ফায়ারের সঙ্গে মিশে যাওয়ার পর পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়। আগুনে রাইফেল হেলিট্যাকের তিন দমকলকর্মী—৩৮ বছর বয়সী এমিলি বার্কার, ২৭ বছর বয়সী নিক হাচারসন ও ২৭ বছর বয়সী সিডনি ওয়াটসন—নিহত হন। পরে আহত ৪৩ বছর বয়সী নাথান ম্যাথিউসও মারা যান। আরও একজন আহত দমকলকর্মী তখন সুস্থ হচ্ছিলেন।

শুষ্ক জ্বালানি ও ঘণ্টায় প্রায় ৫০ মাইল বেগের বাতাস আগুনের আচরণকে ভয়াবহ করে তুলেছিল। ধোঁয়ার পরিস্থিতির কারণে হেলিকপ্টারে উদ্ধার অভিযানও চালানো সম্ভব হয়নি। স্নাইডার ফায়ারকে ২০২৬ সালের সবচেয়ে প্রাণঘাতী দাবানল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

আট বছর আগে নিজের বাড়িও হারাতে বসেছিলেন ফটোগ্রাফার

দাবানলের ছবি তুলতে যাওয়া ফটোগ্রাফার পিট ম্যাকব্রাইডের জন্য এই আগুনের গল্প ব্যক্তিগতও। আট বছর আগে লেক ক্রিস্টিন ফায়ারের সময় নিজের বাড়ি ছেড়ে পালাতে হয়েছিল তাকে।

২০১৮ সালের ওই আগুনে বাসাল্ট শহর হুমকির মুখে পড়ে। ম্যাকব্রাইডের পুরোনো কাঠের বাড়িও আগুনের ঝুঁকিতে ছিল। তিনি ও তার পরিবার বাগানের পানির পাইপ দিয়ে বাড়ি রক্ষার চেষ্টা করেন। কিন্তু বাতাসের কারণে আগুন দ্রুত ভয়ংকর হয়ে ওঠে এবং প্রায় ২০০ ফুট উঁচু শিখা নিয়ে শহরের দিকে এগিয়ে যায়।

পরে আকাশ থেকে একাধিক অগ্নিনির্বাপণ বিমান এসে আগুনের বিরুদ্ধে কাজ শুরু করে। একটি ডিসি-১০ বিমান ম্যাকব্রাইডের বাড়ির কাছাকাছি লাল অগ্নি-প্রতিরোধক রাসায়নিক ছড়িয়ে দেয়। স্থানীয় ফায়ার চিফ স্কট থম্পসনের মতে, ওই ট্যাঙ্কার বিমানটি শহরটিকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

তবে পাইলট জন ম্যাকনালি বলেন, আকাশ থেকে পানি বা রাসায়নিক ছিটিয়ে আগুন পুরোপুরি নেভানো যায় না। এতে আগুনের গতি কমানো যায়; শেষ পর্যন্ত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে মাটিতে থাকা দমকলকর্মীদের কাজ অপরিহার্য।

দাবানলের মৌসুম কি এখন সারা বছর?

দমকলকর্মী ও পাইলটদের অভিজ্ঞতা বলছে, দাবানলের চরিত্র বদলে যাচ্ছে। আগুন এখন আগের তুলনায় দ্রুত ছড়াচ্ছে, আকারে বড় হচ্ছে এবং আচরণও কম অনুমানযোগ্য হয়ে উঠছে। একজন পাইলট জানান, আগে একটি আগুন ছয় মাইল ছড়াতে অনেক সময় লাগলেও এখন কখনো কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা সম্ভব হচ্ছে।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দীর্ঘ খরা, কম তুষারপাত এবং বসন্তের রেকর্ড তাপপ্রবাহের কারণে বিপুল পরিমাণ শুকনো দাহ্য পদার্থ জমেছে। ফলে নতুন আগুন ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি বেড়েছে।

বৃষ্টি কিছু আগুনের গতি কমালেও নতুন ঝুঁকি তৈরি করছে। অতিরিক্ত গরম ও শুষ্কতায় মাটি শক্ত হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টির পানি সহজে মাটিতে ঢুকতে পারছে না। ফলে বজ্রপাত থেকে নতুন আগুনের পাশাপাশি আকস্মিক বন্যার আশঙ্কাও বাড়ছে।

বন ব্যবস্থাপনায় বাড়তি গুরুত্ব

দাবানল নিয়ন্ত্রণে কখন আগুন নেভাতে হবে আর কখন নিয়ন্ত্রিতভাবে জ্বলতে দিতে হবে—এটিও এখন বড় প্রশ্ন। অনেক বনপ্রজাতির স্বাভাবিক পুনর্জন্মের জন্য নির্দিষ্ট সময় পর আগুন প্রয়োজন হয়। আদিবাসী জনগোষ্ঠীগুলো দীর্ঘদিন ধরে নিয়ন্ত্রিত আগুনের ব্যবহার করে আসছে। কিন্তু অতিরিক্ত গরম ও শুষ্ক আবহাওয়ায় নিয়ন্ত্রিত আগুনও কখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে, তা অনুমান করা কঠিন।

ফায়ার কর্মকর্তারা বন ব্যবস্থাপনা জোরদার, ফায়ার ব্রেক তৈরি এবং অতিরিক্ত দাহ্য পদার্থ সরিয়ে ফেলার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। একই সঙ্গে প্রত্যন্ত এলাকার বাড়িঘর এমনভাবে নির্মাণের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, যাতে আগুনের সময় অগ্নিনির্বাপক গাড়ি পৌঁছাতে না পারলেও স্থাপনাগুলো তুলনামূলকভাবে নিরাপদ থাকে।

আগস্টেও থামেনি আগুন

গোল্ড মাউন্টেনে কাজ করা সল্ট লেক ১ দলটি মাত্র চার দিনের ছুটি কাটিয়ে আবার কাজে ফিরে যায়। এবার তাদের পাঠানো হয় আইডাহোর ওয়াশিংটন কাউন্টির টারটার ফায়ারে।

আগস্টের শুরুতে দলটি দিনরাত কাজ করছিল। পরে আগুন দ্রুত বেড়ে ৯৭ হাজার একরের বেশি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। মহাসড়ক বন্ধ করতে হয় এবং মানুষকে সরিয়ে নিতে হয়। দলটির সদস্যরা একটানা ২৬ ঘণ্টা কাজ করেন। পরে ৩২ ঘণ্টার একটি শিফটসহ আরও কয়েক দিন কঠিন পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালন করেন।

এর দুই দিন পর ইউটাহতে ওয়াইডমাউথ ২ ফায়ার নেভানোর সময় সিকোরস্কি এস-৬৪ ‘স্কাইক্রেন’ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। ওই দাবানলে এক মাসে এক লাখ ১৫ হাজার একরের বেশি এলাকা পুড়ে যায়। দুর্ঘটনায় থাকা দুই আরোহীরই মৃত্যু হয়। চরম আগুনের কারণে উদ্ধারকারী দল এক দিনের বেশি সময় পর ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারে।

দাবানল এখন সারা বছরের বাস্তবতা

২০২৬ সালের ঘটনাগুলো দেখাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলে দাবানল আর শুধু গ্রীষ্মের কয়েক মাসের সমস্যা নয়। দীর্ঘ খরা, অতিরিক্ত তাপ, কম তুষারপাত এবং শুষ্ক দাহ্য পদার্থের কারণে আগুন দ্রুত ছড়াচ্ছে এবং দীর্ঘ সময় ধরে জ্বলছে। ফায়ার চিফ, হটশট, পাইলট ও আবহাওয়াবিদদের অভিজ্ঞতাতেও এই পরিবর্তন স্পষ্ট।

কানাডায় প্রায় ৭৪ লাখ একর জমি পুড়ে গেছে। ফ্রান্স, স্পেন ও গ্রিসেও চরম দাবানল ও মানুষ সরিয়ে নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ফলে ২০২৬ সালের দাবানল শুধু যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিমাঞ্চলের নয়, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের জন্যও বড় পরিবেশগত ও মানবিক সংকট হয়ে উঠেছে।

সব মিলিয়ে, আগুন নেভানোর পাশাপাশি বন ব্যবস্থাপনা, দাহ্য পদার্থ অপসারণ, ফায়ার ব্রেক তৈরি এবং নিরাপদ অবকাঠামো গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব বাড়ছে। কারণ ২০২৬ সালের অভিজ্ঞতা বলছে—দাবানলের মৌসুম হয়তো আর মৌসুমি থাকছে না; এটি ক্রমেই সারা বছরের ঝুঁকিতে পরিণত হচ্ছে।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

এক আগুন নিভতেই আরেক আগুন, ভয়াবহ দাবানলে যুক্তরাষ্ট্র

Banglalink Stands with Communities During the Monsoon

জলবায়ুর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃষি ভর্তুকি পুনর্বিন্যাসের আহ্বান

১০ সিটি করপোরেশনে ১২ হাজারের বেশি রেইনকোট বিতরণ

তামাকের মোড়কে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী থাকলেও আইন মানছে না অধিকাংশ প্রতিষ্ঠান

ধূমপায়ীদের শরীরে মিলল উচ্চমাত্রার মাইক্রোপ্লাস্টিক

হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

বগুড়ায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে আরেক ট্রাকের ধাক্কা, নিহত ২

শব্দদূষণে অতিষ্ঠ কুমিল্লাবাসী, মানছে না নতুন বিধিমালাও

খুলনায় পিকআপ-ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে ভ্যানচালক নিহত

পাহাড়ে সম্প্রীতি রক্ষায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও সামাজিক উদ্যোগ

পাকিস্তানি পাসপোর্টে ভিসা ছাড়াই ১১ দেশে ভ্রমণের সুযোগ