ঢাকাসোমবার , ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • অন্যান্য

২০৩০ সালে দক্ষিণ এশিয়ার ১৮০ কোটি মানুষ হিটওয়েভে ঝুঁকিতে

নিজস্ব প্রতিবেদক
নভেম্বর ২৪, ২০২৫ ১:২০ অপরাহ্ণ । ৫১১ জন

২০৩০ সালের মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ার ১৮০ কোটি মানুষ চরম তাপপ্রভাবের (হিটওয়েভ) শিকার হবে, যা এই অঞ্চলের মোট জনসংখ্যার ৮৯ শতাংশ। একই সময়ে ৪৬ কোটি মানুষ তীব্র বন্যার ঝুঁকিতে থাকবে, যা মোট জনসংখ্যার ২২ শতাংশ বলে জানিয়েছে বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ঝুঁকি থেকে স্থিতিস্থাপকতা’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংকের শীর্ষ অর্থনীতিবিদ সিদ্ধার্থ শর্মা জানিয়েছেন, আগামী দশকে দক্ষিণ এশিয়ার মানুষ ঘন ঘন তাপপ্রবাহ, বন্যাসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের মুখোমুখি হবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২০২৯ সালের মধ্যে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও অন্যান্য ক্ষতির পরিমাণ তিনগুণ বেড়ে যেতে পারে। দরিদ্র ও কৃষিপ্রধান পরিবারগুলো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে। তবে ক্ষতিগ্রস্ত ৮০ শতাংশ পরিবার খাপ খাইয়ে নিতে সক্ষম এবং আগাম সতর্কবার্তা পেলে ৯০ শতাংশ পরিবার ক্ষতি কমাতে পদক্ষেপ নেয়।

বাংলাদেশের ২৫০টি উপকূলীয় গ্রামে পরিচালিত এক জরিপে দেখা গেছে, পরিবর্তিত জলবায়ুর সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য সবচেয়ে জরুরি উপাদান হলো জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো। দীর্ঘমেয়াদে ৫৭ শতাংশ পরিবার অপর্যাপ্ত দুর্যোগ-প্রতিরক্ষা অবকাঠামো এবং ৫৬ শতাংশ পরিবার সীমিত আর্থিক সম্পদকে মূল চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছে।

প্রতিবেদনে দক্ষিণ এশিয়ার প্রতিষ্ঠানের পরিস্থিতিও তুলে ধরা হয়েছে। গত ৫ বছরে ৭৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে অন্তত ১টি আবহাওয়াজনিত শকের অভিজ্ঞতা হয়েছে এবং বার্ষিক গড় ক্ষতি প্রতিষ্ঠানের মোট আয়ের ১৭ শতাংশ। বাংলাদেশসহ পুরো অঞ্চলে অনেক প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম দুর্বল এবং ৫০ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে রেকর্ডভিত্তিক পরিকল্পনা নেই।