
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, আগামী ২৭ মে নাগাদ পশ্চিমমধ্য এবং তৎসংলগ্ন উত্তর বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এই লঘুচাপ নিম্নচাপে পরিণত হয়ে পরে ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে জানানো হয়, বর্তমানে লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ হয়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল হয়ে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু মিয়ানমারের আকিয়াব উপকূল পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে এবং তার আরও এগিয়ে যাওয়ার উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ কাজী জেবুন্নেছা জানান, “বাংলাদেশ সংলগ্ন এলাকায় গভীর সঞ্চারণশীল মেঘমালা সৃষ্টি হচ্ছে, যার ফলে আগামী ১০ দিন দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে।”
এ অবস্থায় উত্তর বঙ্গোপসাগর, বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্রবন্দরগুলোতে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার সম্ভাবনায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
উল্লেখ্য, মে মাসকে ঘূর্ণিঝড়প্রবণ মাস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। গত বছরের ২৬ মে ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ উপকূলে আঘাত হেনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছিল। এবারও প্রায় একই সময়ে ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্যমতে, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়টির নাম হবে ‘শক্তি’, যা শ্রীলঙ্কার দেওয়া নাম।