ঢাকারবিবার , ১১ অক্টোবর ২০২৬
  1. সর্বশেষ

রূপপুরের দুই ইউনিট চালু হলে গ্রিডে যুক্ত হবে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
১১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৪ সকাল

Link Copied!

দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরের প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরুর পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। নিরাপত্তা ভালভের পরীক্ষার ফল অনুমোদিত হওয়ায় চুল্লির পরবর্তী পর্যায়ের কমিশনিং কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও কারিগরি কার্যক্রম সম্পন্ন হলে আগামী মাসে কেন্দ্রটি থেকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে।

পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের দুটি ইউনিটের প্রতিটির উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। উভয় ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এতে দেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনের উৎস বহুমুখী করার পাশাপাশি জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো এবং শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হতে পারে।

নিরাপত্তা ভালভের পরীক্ষায় অনুমোদন

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রকল্প-সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রথম ইউনিটে পারমাণবিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে তাপশক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়া শুরুর পরিকল্পনা ছিল গত সেপ্টেম্বরে। তবে নিরাপত্তা ভালভের পরীক্ষায় ত্রুটি ধরা পড়ায় পরবর্তী কার্যক্রম পিছিয়ে যায়।

পরে উচ্চ চাপে দুই দফা পরীক্ষা সম্পন্ন করে ফলাফল বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার কর্তৃপক্ষ পরীক্ষার ফল অনুমোদন করেছে বলে প্রকল্প-সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

পরীক্ষায় ভালভগুলো নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী কাজ করছে কি না, তা যাচাই করা হয়। পাশাপাশি অগ্নিনিরাপত্তা ও তেজস্ক্রিয়তাসংক্রান্ত নিরাপত্তাব্যবস্থাও পরীক্ষা করা হয়েছে। পরীক্ষার ফল অনুমোদনের ফলে চুল্লির পরবর্তী পর্যায়ের কমিশনিং কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

তবে পারমাণবিক বিক্রিয়া শুরু, চুল্লির তাপ উৎপাদনক্ষমতা ধাপে ধাপে বাড়ানো, টারবাইন চালু এবং জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ—এগুলো পৃথক ধাপ। তাই নির্ধারিত সময়ে উৎপাদন শুরু করতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পরীক্ষা ও কারিগরি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

প্রথম মাইলফলক ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’

রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের সামনে এখন গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ‘ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটি’। এ পর্যায়ে চুল্লির ভেতরে নিয়ন্ত্রিত ও স্বনির্ভর পারমাণবিক শৃঙ্খল বিক্রিয়া প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে চুল্লির কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী, এ পর্যায়ের পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করতে প্রায় এক মাস সময় লাগতে পারে। পরে ধাপে ধাপে চুল্লির তাপ উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানো হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে জাতীয় গ্রিডে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে। এরপরও পরীক্ষামূলক উৎপাদন ও কারিগরি পরীক্ষা চলবে। সব ধাপ সম্পন্ন করে বাণিজ্যিক উৎপাদনে পৌঁছাতে আরও সময় প্রয়োজন হবে।

২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য

রাশিয়ার কারিগরি সহায়তায় নির্মিত রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহার করা হচ্ছে তৃতীয় প্রজন্মের ভিভিইআর-১২০০ (VVER-1200) প্রযুক্তি। প্রতিটি ইউনিটের উৎপাদনক্ষমতা ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। দুটি ইউনিট পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হলে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদনক্ষমতা দাঁড়াবে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট।

প্রকল্প-সংশ্লিষ্টদের দীর্ঘমেয়াদি হিসাব অনুযায়ী, পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদিত বিদ্যুৎ দেশের মোট বিদ্যুৎ চাহিদার প্রায় ১০ শতাংশ পূরণ করতে পারবে। তবে প্রকৃত অবদান নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট সময়ের বিদ্যুৎ চাহিদা, কেন্দ্রের উৎপাদন, রক্ষণাবেক্ষণ এবং জাতীয় গ্রিডের সরবরাহ পরিস্থিতির ওপর।

পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লা, তেল বা গ্যাসের মতো জ্বালানি পুড়িয়ে তাপ তৈরি করা হয় না। চুল্লির ভেতরে ইউরেনিয়ামের পরমাণুর বিভাজন বা নিউক্লিয়ার ফিশনের মাধ্যমে উৎপন্ন তাপ দিয়ে পানি থেকে বাষ্প তৈরি করা হয়। সেই বাষ্প টারবাইন ঘোরায় এবং টারবাইনের সঙ্গে যুক্ত জেনারেটর বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।

৬০ বছরের পরিকল্পিত আয়ুষ্কাল

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিকল্পিত আয়ুষ্কাল ৬০ বছর। প্রয়োজনীয় কারিগরি সংস্কার, নিরাপত্তা মূল্যায়ন এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন সাপেক্ষে এ আয়ুষ্কাল আরও ২০ থেকে ৩০ বছর বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদে কেন্দ্রটি পরিচালনার জন্য নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, জ্বালানি পরিবর্তন এবং নিরাপত্তা পরীক্ষা প্রয়োজন হবে। পরিচালন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রায় দেড় বছর পরপর নতুন পারমাণবিক জ্বালানি দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। এ সময় ব্যবহৃত জ্বালানি অপসারণ, নতুন জ্বালানি স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট ইউনিট নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ রাখতে হবে।

স্বাধীনতার পর থেকেই ছিল পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিকল্পনা

বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের ধারণা স্বাধীনতার পরপরই আলোচনায় আসে। বিভিন্ন সময়ে সম্ভাব্যতা যাচাই ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা নেওয়ার উদ্যোগও নেওয়া হয়।

১৯৭৭ সালে ফরাসি প্রতিষ্ঠান সফরাটম রূপপুরে ১২৫ মেগাওয়াটের একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করে। তবে তখন প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়নি।

পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন সমীক্ষা ও প্রস্তুতিমূলক কাজের মাধ্যমে পরিকল্পনাটি এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ অব্যাহত থাকে। ১৯৯৬ সালের জাতীয় জ্বালানি নীতিতে পারমাণবিক শক্তিকে বিকল্প জ্বালানি উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ২০০৫ সালে চীনের সঙ্গে সহযোগিতা চুক্তি এবং ২০০৭ সালে ৫০০ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট স্থাপনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়।

পরবর্তী সময়ে রাশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে বর্তমান প্রকল্পের কাঠামো নির্ধারিত হয়। ২০২৩ সালের অক্টোবরে প্রকল্প এলাকায় পারমাণবিক জ্বালানি পৌঁছানোর মধ্য দিয়ে কেন্দ্রটি কমিশনিংয়ের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে প্রবেশ করে। এখন প্রথম ইউনিটের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাছাকাছি পৌঁছেছে।

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে রাজনৈতিক অঙ্গীকার

বাংলাদেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা বিভিন্ন সরকারের সময়ে এগিয়েছে। বিএনপির ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারেও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রতিশ্রুতি ছিল। ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারেও শান্তিপূর্ণভাবে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার অব্যাহত রাখার কথা উল্লেখ করেছে দলটি।

এ ছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদনক্ষমতা বৃদ্ধি, স্মার্ট গ্রিড সম্প্রসারণ, সর্বনিম্ন ব্যয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন পরিকল্পনা, জ্বালানি আমদানিনির্ভরতা কমানো এবং স্বচ্ছ ট্যারিফ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার বিষয়ও ইশতেহারে রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের লক্ষ্যের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

বিদ্যুৎ খাতের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় রূপপুরের ভূমিকা শুধু উৎপাদনক্ষমতা বাড়ানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ সরবরাহ, জ্বালানির উৎস বহুমুখীকরণ, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশগত লক্ষ্য অর্জনের সঙ্গেও এ প্রকল্পের সম্পর্ক রয়েছে।

দক্ষ মানবসম্পদ ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধির সুযোগ

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পারমাণবিক শক্তি (পাশ) উইংয়ের যুগ্ম সচিব শেখ মুহম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের জন্য শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প নয়; এটি প্রযুক্তিগত সক্ষমতা ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নেরও বড় সুযোগ।

তিনি বলেন, প্রথম ইউনিট উৎপাদনের প্রস্তুতির চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। দ্বিতীয় ইউনিটের ইউরেনিয়ামও ইতোমধ্যে প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে। নির্ধারিত সময়সীমার আগেই কাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

একই উইংয়ের অতিরিক্ত সচিব বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হলে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও অর্থনীতির প্রচলিত অনেক সমীকরণ নতুনভাবে বিন্যস্ত হবে। ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি শিল্পকারখানার উৎপাদনক্ষমতা বৃদ্ধি, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। নির্ভরযোগ্য ও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের মাধ্যমে শিল্পায়ন, বিনিয়োগ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।

তিনি আরও বলেন, রূপপুরের মাধ্যমে বাংলাদেশ পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন সক্ষমতার দ্বার উন্মোচন করেছে। নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এ সক্ষমতা কাজে লাগানোর মাধ্যমে জ্বালানি-নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বর্তমান বিএনপি সরকারের সদিচ্ছা বাস্তবায়নে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো কাজ করছে।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ও সমন্বয়ে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের পারমাণবিক শক্তি (পাশ) উইং কাজ করছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি করপোরেশন রোসাটম কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে।

প্রথম ইউনিটে নিরাপত্তা পরীক্ষার ফল অনুমোদন প্রকল্পের অগ্রগতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তবে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরুর সময় নির্ভর করবে পরবর্তী কমিশনিং, নিরাপত্তা যাচাই এবং কারিগরি পরীক্ষার সফল সমাপ্তির ওপর।

তথ্যসুত্র: বাসস

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

বাগেরহাটে অবৈধ ক্লিনিকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর

সোনাগাজীতে ৩ হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস

দুধে হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড মিশিয়ে ভেজাল, জরিমানা লাখ টাকা

রিয়াদগামী বিমানের দুই ফ্লাইট স্থগিত

রূপপুরের দুই ইউনিট চালু হলে গ্রিডে যুক্ত হবে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ

Grab the vivo Y32 and Win Exclusive Gifts

ভিভো ওয়াই৩২ নিয়ে জিতে নিন আকর্ষণীয় উপহার

বিশ্বের বৃহত্তম পেঙ্গুইন কলোনিতে বিপর্যয়, কমছে চিনস্ট্র্যাপের সংখ্যা

বর্জ্য থেকে জ্বালানি তেল উৎপাদনে সহযোগিতার আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর

লালমনিরহাটে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে ট্রাকচাপায় দুই নারীর মৃত্যু

হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু

দিনাজপুরে গাছের ডাল পড়ে মোটরসাইকেল আরোহী নিহত