ঢাকামঙ্গলবার , ১১ অগাস্ট ২০২৬
  1. সর্বশেষ

পাকিস্তানে মানব প্লাসেন্টা পাচারচক্রের সন্ধান, ৬০০ কেজি টিস্যু জব্দ

প্রতিবেদক
Ibrahim Khalil
৪ জুলাই ২০২৬, ৩:৫৫ বিকাল

Link Copied!

পাকিস্তানে মানব প্লাসেন্টা (গর্ভফুল) পাচারের অভিযোগে একটি সংঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক চক্রের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির ফেডারেল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এফআইএ)। কর্তৃপক্ষের দাবি, হাসপাতাল থেকে সংগ্রহ করা মানব প্লাসেন্টা বিদেশে পাচার করে সেগুলো দিয়ে কথিত অ্যান্টি-এজিং বা বার্ধক্য প্রতিরোধী ইনজেকশন তৈরি করা হতো।

এফআইএ জানায়, গত সপ্তাহে রাজধানী ইসলামাবাদের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ৫০০ কেজি মানব প্লাসেন্টা উদ্ধার করা হয়। বাড়িটি প্লাসেন্টা সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের অবৈধ কারখানায় পরিণত করা হয়েছিল। এ ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এদিকে বুধবার ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ভিয়েতনামগামী আরও ১০০ কেজি মানবদেহের টিস্যু জব্দ করেছে এফআইএ। তদন্তকারীদের ধারণা, এটি একই চক্রের আরেকটি চালান।

পাকিস্তানের মানব অঙ্গ প্রতিস্থাপন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তা হিনা কানওয়াল জানান, চক্রের সদস্যরা ইসলামাবাদ ও রাওয়ালপিন্ডির বিভিন্ন হাসপাতাল থেকে প্রতিটি প্লাসেন্টা প্রায় ৮০০ পাকিস্তানি রুপিতে সংগ্রহ করতেন। পরে সেগুলো প্রক্রিয়াজাত করে বিদেশে পাচার করা হতো। এফআইএর দাবি, এসব উপাদান দিয়ে তৈরি প্রতিটি কথিত অ্যান্টি-এজিং ইনজেকশনের বাজারমূল্য প্রায় সাত লাখ পাকিস্তানি রুপি পর্যন্ত হতে পারে।

তদন্তে আরও জানা গেছে, চক্রটির কার্যক্রম শুধু ইসলামাবাদে সীমাবদ্ধ নয়; লাহোর, পেশোয়ার ও রাওয়ালপিন্ডিসহ আরও কয়েকটি শহরেও তাদের নেটওয়ার্ক রয়েছে। এ ঘটনায় বিভিন্ন হাসপাতাল, চিকিৎসা বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এবং অভিবাসন কর্মকর্তাদের সম্ভাব্য সম্পৃক্ততার বিষয়ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্তরা দাবি করেছিলেন, তারা ভেড়ার প্লাসেন্টা নিয়ে কাজ করছিলেন। তবে পরে তারা স্বীকার করেন, উদ্ধার হওয়া টিস্যুগুলো মানব প্লাসেন্টা।

চিকিৎসকদের মতে, সন্তান জন্মের পর প্লাসেন্টাকে সংক্রামক চিকিৎসা বর্জ্য হিসেবে নির্ধারিত নিয়মে ধ্বংস করা হয়। কিছু দেশে প্লাসেন্টা থেকে ট্যাবলেট বা ইনজেকশন তৈরির দাবি করা হলেও এর স্বাস্থ্যগত উপকারিতা নিয়ে এখনো পর্যাপ্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই এবং বিষয়টি বিতর্কিত।

পাকিস্তানের আইন অনুযায়ী, মানব অঙ্গ বা দেহের অংশ বাণিজ্যিকভাবে সংগ্রহ বা পাচারের অপরাধে সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ পাকিস্তানি রুপি পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

পুলিশকে জরিমানা করার ক্ষমতা দিলে গণপরিবহনে ধূমপান বন্ধ হবে

আমিরাতে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশিদের ভিসা পুনর্বহালের দাবি

Realme C100X with new battery backup surprises

ব্যাটারি ব্যাকআপে নতুন চমক নিয়ে রিয়েলমি সি১০০এক্স

লঘুচাপের প্রভাবে টানা কয়েক দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

এইচ৫ বার্ড ফ্লু: ঝুঁকিপূর্ণ পাখিকে টিকা দেবে অস্ট্রেলিয়া

রাঙ্গামাটির ৩৮৯ বিদ্যুৎবিহীন বিদ্যালয়ে সোলার প্যানেল বসানোর পরিকল্পনা

শাহরাস্তিতে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩

যেভাবে বুঝবেন আপনার হাড় দুর্বল হচ্ছে কি না

চীনে শক্তিশালী টাইফুন ডলফিন, ভারী বৃষ্টি ও ভূমিধসের সতর্কতা

কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১১১

এক আগুন নিভতেই আরেক আগুন, ভয়াবহ দাবানলে যুক্তরাষ্ট্র