
পাকিস্তানে আবারও নতুন করে বৃষ্টিপাত শুরু হয়েছে। এর ফলে পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস দেখা দিয়েছে। সোয়াবি শহরে মেঘ ভাঙনের কারণে চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (এনডিএমএ) জানায়, গত ২৬ জুন থেকে শুরু হওয়া অবিরাম বৃষ্টিপাত ও বন্যায় সারাদেশে এখন পর্যন্ত অন্তত ৬৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন ৯২০ জনেরও বেশি মানুষ।
ভারী বর্ষণ, মেঘ ভাঙন, আকস্মিক বন্যা ও বজ্রপাতের কারণে বহু ঘরবাড়ি ধসে পড়েছে। এসব ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে খাইবার পাখতুনখোয়া (কেপি) প্রদেশ। এখানে একাই ৩০০ জনেরও বেশি প্রাণ হারিয়েছেন। বিশেষ করে প্রত্যন্ত পাহাড়ি জেলা বুনেরের পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ।
নতুন বৃষ্টিপাতের কারণে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। সোমবার মারদান শহর ভারী বর্ষণে প্লাবিত হয়েছে, অন্যদিকে নওশেরার বিভিন্ন এলাকায় বজ্রপাতের ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে।
খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সোয়াবি শহরে ভূমিধস ও মেঘ ভাঙনে বেশ কয়েকটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সারকোই পায়ান এলাকায় একটি বাড়ির ছাদ ধসে পড়লে দুই নারী ও দুই শিশুর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরও সাতজন আহত হয়েছেন।
এনডিএমএ জানিয়েছে, চলমান বন্যা ও বর্ষণে প্রাণহানি ছাড়াও লাখো মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি সহায়তা কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।
সূত্র: জিও নিউজ