
প্রায় ১৪ বছর ইরাকে কাটিয়ে দেশে ফিরেছিলেন জুয়েল মিয়া (৪১)। দেশে ফেরার মাত্র ২০ দিনের মাথায় সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তার। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) রাতে শেরপুর সদর উপজেলার জোড়া পাম এলাকায় বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই নিহত হন তিনি। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন।
নিহত জুয়েল মিয়া শেরপুরের নকলা উপজেলার বারমাইসাখিচা গ্রামের মো. হাফিজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ইরাকে কর্মরত ছিলেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে ঢাকা থেকে শেরপুরের দিকে আসছিল শেরপুর চেম্বার্স অব কমার্সের একটি বাস। পথে জোড়া পাম এলাকায় বাসটির সঙ্গে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশার যাত্রী জুয়েল মিয়া ঘটনাস্থলেই মারা যান। আহত চারজনকে উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হয়।
আহত ব্যক্তিরা হলেন শফিকুল ইসলাম (৪৫), দুলাল মিয়া (৬০), নকলা পৌরসভার হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ ফেরদৌসুর রহমান (৫০) ও হিসাব সহকারী আলমগীর হোসেন (৩২)।
তাদের মধ্যে ফেরদৌসুর রহমানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আলমগীর হোসেন নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শফিকুল ইসলাম ও দুলাল মিয়াকে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
জুয়েল মিয়ার চাচাতো ভাই এরশাদ আলী জানান, জীবিকার তাগিদে প্রায় ১৪ বছর ধরে ইরাকে ছিলেন জুয়েল। ২০ দিন আগে দেশে ফেরেন তিনি। মঙ্গলবার বিকেলে কাজের প্রয়োজনে শেরপুরে গিয়েছিলেন। রাতে বাড়ি ফেরার পথেই সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।
শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ জানান, দুর্ঘটনার ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।