রাজধানী ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৫ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটের দিকে এই ভূকম্পন আঘাত হানে। মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হলেও এর তীব্রতা এতটাই ছিল যে বহু মানুষ আতঙ্কে ঘর থেকে বের হয়ে রাস্তায় নেমে আসেন।
ভূমিকম্প অনুভূত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নগরবাসীর মধ্যে হইচই পড়ে যায়। অনেক অফিস, আবাসিক ভবন ও দোকানপাটের ভেতর থেকে লোকজন দ্রুত নিচে নেমে খোলা স্থানে আশ্রয় নেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও মুহূর্তেই ভূমিকম্প অনুভূতির অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে দেখা যায়।
ভূমিকম্পের পর রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় বাড়ির দেয়ালে ফাটল সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে। বাসিন্দারা জানান, কাঁপুনির পর টের পান যে দেয়ালের কোণায় ও সিমেন্টের অংশে চির ধরেছে। তবে এখন পর্যন্ত বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
ভূমিকম্পের মাত্রা খুব বেশি না হলেও কম গভীরতার কারণে ঝাঁকুনি বেশি অনুভূত হয়েছে বলে ধারণা করছেন ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা। তারা ভবন বিশেষ করে পুরোনো স্থাপনাগুলোর কাঠামো পরীক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছেন।
সচেতনতা ও করণীয়
১. ভবনের দেয়ালে নতুন ফাটল দেখা দিলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ দিয়ে পরীক্ষা করান।
২. পরবর্তী আফটারশকের সম্ভাবনা থাকায় ঘরে ফেরার আগে ভবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন।
৩. খোলা জায়গায় অবস্থান করুন এবং সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ করুন।
আজকের ভূমিকম্প আবারও মনে করিয়ে দিল-বাংলাদেশ ভূমিকম্পপ্রবণ দেশ। সামান্য কাঁপুনিও বড় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই ব্যক্তিগত ও সামাজিক পর্যায়ে প্রস্তুতি, সচেতনতা এবং ভবনের কাঠামোগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।


