সীমান্তবর্তী জেলা চুয়াডাঙ্গায় হাড়কাঁপানো শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা বেড়েছে কয়েকগুণ। সূর্যের দেখা না মেলায় দিনভর কনকনে ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এদিন সারা দেশের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা ছিল ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল প্রায় ৯৫ শতাংশ।
ঘন কুয়াশার চাদরে ঢেকে গেছে জেলার সড়ক ও মহাসড়ক। কম দৃশ্যমানতার কারণে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সূর্যের দেখা না মেলায় শীতের তীব্রতা কমছে না।
এই তীব্র শীতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষ। জীবিকার তাগিদে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা উপেক্ষা করেই কাজে বের হতে হচ্ছে তাদের। অনেকেই শীতবস্ত্রের অভাবে রাস্তার মোড়ে মোড়ে খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। কনকনে ঠান্ডার কারণে রাস্তাঘাটে লোকসমাগমও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, “আজ রেকর্ড করা ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা চলতি মৌসুমে চুয়াডাঙ্গা ও দেশের সর্বনিম্ন। কুয়াশা না কাটলে শীতের এই দাপট আরও কয়েকদিন অব্যাহত থাকতে পারে।”
এদিকে, হাড়কাঁপানো শীতে অসহায় ও শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে স্থানীয় প্রশাসন ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন মহল।


