
গ্রিসে এক সপ্তাহের ব্যবধানে আবারও আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ভূমিকম্প। বৃহস্পতিবার (২২ মে) স্থানীয় সময় সকালবেলা দেশটির ক্রিট উপকূলে অনুভূত হয় রিখটার স্কেলে ৬ মাত্রার একটি কম্পন, যার ফলে সৃষ্টি হয়েছে সুনামির আশঙ্কা।
ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল ইউরোপের ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলে, এবং এটি ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৭৭ কিলোমিটার গভীরে উৎপন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে জার্মান রিসার্চ সেন্টার ফর জিও সায়েন্সেস। সংস্থাটি সতর্ক করেছে, এই ভূমিকম্পের ফলে সুনামির ঝুঁকি রয়েছে।
তবে ভূমিকম্পটির মাত্রা নিয়ে রয়েছে কিছুটা মতভেদ। গ্রিসের জিওডায়নামিক্স ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.১, যেখানে ইউরোপীয় ভূকম্পন সংস্থা ইএসএমসি বলছে এটি ছিল ৬.৩।
ভূমিকম্পটি শুধু গ্রিসেই নয়, বরং আশপাশের দেশ যেমন তুরস্ক, লেবানন, মিশর ও ইজরাইলেও অনুভূত হয়। এর ফলে পুরো অঞ্চলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। নিরাপত্তার স্বার্থে গ্রিক কর্তৃপক্ষ বাসিন্দা ও পর্যটকদের উপকূলীয় এলাকা থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
উল্লেখযোগ্য, এর এক সপ্তাহ আগেই ১৩ মে গ্রিসের কাসোস দ্বীপের কাছে ৬.১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে, যার ফলেও দক্ষিণ উপকূলে সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়েছিল। ধারাবাহিক এই ভূমিকম্পগুলো দেশটিতে ভূতাত্ত্বিক অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রয়েছে দেশটির সিভিল প্রোটেকশন সংস্থা। এখন পর্যন্ত বড় কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে সম্ভাব্য পরাঘাত বা আফটারশকের আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।