ঢাকাসোমবার , ২৬ অক্টোবর ২০২৬
  1. সর্বশেষ

হাতিয়ায় নদীভাঙন রোধে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দাবি

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩:১১ বিকাল

Link Copied!

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় মেঘনা নদীর ভাঙন থেকে বসতভিটা, ফসলি জমি ও জনপদ রক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতির দ্রুত বাস্তবায়ন চান নদীতীরবর্তী এলাকার বাসিন্দারা। আগামী বর্ষার আগেই টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও নদীভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) সকালে হাতিয়ার নলচিরা ইউনিয়নের তুফানিয়া গ্রামের মেঘনা নদীর তীরে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব দাবি জানানো হয়। নিজেদের বসতভিটা ও জনপদ রক্ষার দাবিতে ইউনিয়নের নয়টি গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক নারী-পুরুষ এতে অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হাতিয়ার নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। এখন সেই প্রতিশ্রুতির দ্রুত বাস্তবায়ন চান তারা। নদীভাঙনের কারণে বসতভিটা, ফসলি জমি ও জীবিকা হারানোর ঝুঁকিতে থাকা মানুষের সুরক্ষায় জরুরি উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিনের নদীভাঙনে হাতিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা মেঘনার গর্ভে বিলীন হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, উপজেলার মোট আয়তন প্রায় ২ হাজার ১০০ বর্গকিলোমিটার। এর মধ্যে প্রায় ১৫০ বর্গকিলোমিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে দ্বীপটির আরও বিস্তীর্ণ এলাকা হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

বক্তারা বলেন, বছরের পর বছর মেঘনার ভাঙনের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকতে হচ্ছে হাতিয়ার মানুষকে। নদীর পানি বাড়লে কিংবা ভাঙন তীব্র হলে পরিবার-পরিজন নিয়ে নির্ঘুম রাত কাটাতে হয়। কখন বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়ে যায়, সেই আতঙ্কে দিন পার করছেন নদীতীরের বাসিন্দারা।

বিশেষ করে নলচিরা ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রাম মারাত্মক ভাঙনঝুঁকিতে রয়েছে বলে দাবি করেন স্থানীয়রা। আগামী বর্ষার আগে কার্যকর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ঘরবাড়ির পাশাপাশি রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, নদীভাঙনে ঘরবাড়ি হারানো মানে শুধু জমি হারানো নয়; এর সঙ্গে মানুষের স্মৃতি, জীবিকার অবলম্বন ও নিরাপদ আশ্রয়ও হারিয়ে যায়। তাই সাময়িক বা অপরিকল্পিত কাজের পরিবর্তে নদীর গতিপ্রকৃতি বিবেচনায় নিয়ে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জরুরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সাখাওয়াত হোসেন, স্থানীয় ইউপি সদস্য, মসজিদের ইমাম, শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ নলচিরা ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা।

মানববন্ধন থেকে আগামী বর্ষার আগেই নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান অংশগ্রহণকারীরা।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

সুগন্ধা নদীর তীরে বর্জ্যের স্তূপ, দূষণের অভিযোগ দুই পৌরসভার বিরুদ্ধে

নিজের বাসের চাপায় প্রাণ গেল বাসমালিকের

যশোরে পিকআপের ধাক্কায় মা-ছেলের মৃত্যু

পঞ্চগড়ে তাপমাত্রা নামল ১৬ ডিগ্রিতে, বাড়ছে শীতের আমেজ

ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে গভীর নিম্নচাপ, আঘাতের শঙ্কা ২৮ অক্টোবর

চার দফায় ভরিতে ১০ হাজার ৪৩৯ টাকা কমল সোনার দাম

PKSF, IAB to launch climate-smart house design competition

জলবায়ু-সহনশীল গ্রামীণ আবাসনের নকশা প্রতিযোগিতা করবে পিকেএসএফ

বিএটিবির ১০৪ শ্রমিককে চাকরিচ্যুতির অভিযোগ, পুনর্বহাল ও স্থায়ীকরণের দাবি

Bangladesh Launches First Mass Media Campaign for Front-of-Package Warning Labels

বাংলাদেশে প্রথমবার অতিপ্রক্রিয়াজাত খাদ্যের মোড়কে সতর্কবার্তা প্রচারে ক্যাম্পেইন শুরু

Ensuring Young People’s Mental Well-being Is Essential for Nation-Building: Chief Whip