ঢাকামঙ্গলবার , ১১ অগাস্ট ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. জনস্বাস্থ্য

স্ক্রাব টাইফাসের জ্বরও হতে পারে প্রাণঘাতী!

প্রতিবেদক
Ibrahim Khalil
২১ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ৩:৪০ বিকাল

Link Copied!

ব্যাকটেরিায়াজনিত রোগের মধ্যে অন্যতম একটি রোগ হলো স্ক্রাব টাইফাস। এ জ্বরের সঠিক সময়ে চিকিৎসা শুরু না হলে রোগী জীবন প্রদীপ নিভে যেতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়ের একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, স্ক্রাব টাইফাস একটি জুনোটিক ডিজিজ। পশুর শরীর থেকে যা মানব শরীরে প্রবেশ করে।

জানা যায়, ওরিয়েনটিয়া স্টুটসুগামুসি নামের ব্যাকটেরিয়া থেকে স্ক্রাব টাইফাস ছড়ায়। সাধারণত ইঁদুরের শরীরে এ ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি বেশি লক্ষ্য করা যায়।

এ প্রসঙ্গে কলকাতার আমরি হাসপাতালে বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা: রুদ্রজিৎ পাল বলছেন, ওরিয়েনটিয়া স্টুটসুগামুসি ব্যাকটেরিয়া বহনকারী ইঁদুর বা পোকা মানুষকে কামড়ালে মানুষ স্ক্রাব টাইফাস রোগে আক্রান্ত হতে পারে। আবার ব্যাকটেরিয়া বহনকারী ইঁদুরকে কোনো ছোট মাকড়সা কামড়ানোর পর ওই মাকড়সা যদি আবার কোনো মানুষকে কামড়ায় এতেও মানুষ আক্রান্ত হয়ে পড়ে স্ক্রাব টাইফাসে।

স্ক্রাব টাইফাস রোগের লক্ষণ

বিশেষজ্ঞ ডা: রুদ্রজিৎ পাল বলছেন, এ রোগে আক্রান্ত হলে রোগীর শরীরে মূলত চারটি লক্ষণ দেখা যায়। এগুলো হলো-
১. জ্বর।
২. গা, হাত, পায়ে ব্যথা।
৩. মাথা ব্যথা।
৪. প্রাণীর কামড়ানো স্থানে র‌্যাশ বা কালো দাগ হওয়া।

এছাড়া আরও যেসব লক্ষণ থাকতে পারে তাহলো-
৫.সর্দি-কাশি, র‌্যাশ।
৬. গলা ব্যথা
৭. পেটের সমস্যা
৮. চোখ লাল হয়ে যাওয়া
৯. শরীরের লসিকাগ্রন্থিগুলোতে ফোলাভাব ইত্যাদি।

রোগ নির্ণয়

রোগীর জ্বর হলে তার কারণ খুঁজতে কিংবা স্ক্রাব টাইফাসে আক্রান্ত হওয়ার কারণে জ্বর এসেছে কি না তা জানতে রোগীকে সরাসরি স্ক্রাব টাইফাসের ব্লাড টেস্ট করতে হবে। এর মাধ্যমেই জানা যাবে রোগী স্ক্রাব টাইফাসে আক্রান্ত কি না।

চিকিৎসা

ঠিক সময়ে এ রোগের চিকিৎসা নিতে চিকিৎসকের কাছে আসলে ৫ থেকে ৭ দিনের মধ্যে এ রোগ ও জ্বর ভালো হয়ে যায়। এর জন্য চিকিৎসকরা রোগীকে কিছু অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ দিয়ে থাকেন। রোগটি নিয়ন্ত্রণে সাধারণত অ্যান্টিবায়োটিক ডক্সিসাইক্লিইন ওষুধ ব্যবহার করেন চিকিৎসকরা।

সতর্কতা

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা: রুদ্রজিৎ পাল বলছেন, সঠিক সময়ে রোগীর চিকিৎসা শুরু হলে এ রোগে তেমন কোনো ভয়ের কারণ নেই। তবে চিকিৎসা শুরু দেরি হলে রোগীর কিডনি, লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। শরীরে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হতে পারে এনকেফালাইটিস। তখন পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যেতে পারে। যা রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত ডেকে আনতে পারে। তাই জ্বর বা অন্য যে কোনো লক্ষণে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়াটা জরুরী বলে মনে করেন চিকিৎসক ডা: রুদ্রজিৎ পাল।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

পুলিশকে জরিমানা করার ক্ষমতা দিলে গণপরিবহনে ধূমপান বন্ধ হবে

আমিরাতে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশিদের ভিসা পুনর্বহালের দাবি

Realme C100X with new battery backup surprises

ব্যাটারি ব্যাকআপে নতুন চমক নিয়ে রিয়েলমি সি১০০এক্স

লঘুচাপের প্রভাবে টানা কয়েক দিন বৃষ্টির পূর্বাভাস

এইচ৫ বার্ড ফ্লু: ঝুঁকিপূর্ণ পাখিকে টিকা দেবে অস্ট্রেলিয়া

রাঙ্গামাটির ৩৮৯ বিদ্যুৎবিহীন বিদ্যালয়ে সোলার প্যানেল বসানোর পরিকল্পনা

শাহরাস্তিতে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩

যেভাবে বুঝবেন আপনার হাড় দুর্বল হচ্ছে কি না

চীনে শক্তিশালী টাইফুন ডলফিন, ভারী বৃষ্টি ও ভূমিধসের সতর্কতা

কলম্বিয়ায় ৭.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১১১

এক আগুন নিভতেই আরেক আগুন, ভয়াবহ দাবানলে যুক্তরাষ্ট্র