ঢাকাশনিবার , ৮ অগাস্ট ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. জনস্বাস্থ্য

শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস উপলক্ষে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন

প্রতিবেদক
Ibrahim Khalil
২৪ এপ্রিল ২০২৫, ১:২৮ বিকাল

Link Copied!

শব্দদূষণ একটি নিরব ঘাতক। বর্তমান ঢাকা শহরে যে হারে শব্দের মাত্রা বেড়ে যাচ্ছে মানুষ এই শব্দের কারণে দিন দিন তার শ্রবনশক্তি হারিয়ে ফেলছে। মানুষের মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাচ্ছে। শব্দদুষণ অন্যতম কারন হচ্ছে গাড়ির হর্ণ, এছাড়া ইটভাঙ্গার মেশিন, জেনারেটর,কলকারখানার সৃষ্ট শব্দ, ইত্যাদি বাদ্যযন্ত্রের শব্দ। একজন মানুষের জন্য স্বাভাবিকভাবে শব্দের মাত্রা হল ৪৫ ডেসিবেল। অথচ ঢাকা শহরের বিভিন্ন এলাকায় শব্দের মাত্রা ৬৮ থেকে ১০৬ ডেসিবেল বা অধিক মাত্রার শব্দ প্রবাহিত হচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তোরণে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন।

সারাবিশ্বে প্রতি বছর এপ্রিল মাসের শেষ বুধবার আন্তর্জাতিক শব্দ সচেতনতা দিবস পালিত হয়। প্রতি বছরের ন্যায় এবছর ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর ৩৪ নং ওয়ার্ড এর রায়ের বাজার এলাকার ৬টি স্কুলে ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট ও ইনস্টিটিউট অব ওয়েলবীইং বাংলাদেশ এর উদ্যোগে ২১-২৩ এপ্রিল ২০২৫ সপ্তাহব্যাপী “শ্রবণ শক্তি রক্ষা কর, স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত কর” জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনের আয়োজন করা হয়। এতে ঢাকা আইডিয়াল ক্যাডেট স্কুল, ধানমন্ডি কচিকন্ঠ হাই স্কুল, লরেল ইন্টারন্যাশনাল কলেজ, কনফিডেন্স মেমোরিয়াল হাই স্কুল, শের-ই বাংলা আইডিয়াল স্কুল, ইমপিরিয়াল ইন্টা: স্কুল এন্ড কলেজ এর শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।

ঢাকা শহরের শব্দদূষণ ঢাকা শহরের কারনে অকারণে গাড়ির হর্ন বেজে উঠে এখন যেন স্বাভাবিক ব্যাপার। শুধু হর্ণ নয় বিভিন্নভাবে শব্দদূষণের মাত্রা এখন যে পর্যায়ে পৌছেছে তা কোথাও স্বাভাবিক এর তুলনায় দ্বিগুনেরও বেশি। ১৯৯৭ পরিবেশ ও বন সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং সরকার নির্ধারিত কিছু প্রতিষ্ঠান থেকে ১০০ মিটার দুরত্ব পর্যন্ত নীরব এলাকা। স্থান এবং তার গুরুত্বের বিবেচনায় রেখে দিন ও রাত্রির ভেদে নীরব, আবাসিক, বাণিজ্যিক, মিশ্র ও শিল্প এলাকার শব্দের সহনীয় মাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

শব্দদূষণের কারণে শ্রবণশক্তি হ্রাসের পাশাপাশি উচ্চ রক্তচাপ, দুশ্চিন্তা, ঘুমের ব্যাঘাত, মানসিক অবসাদসহ বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। বিশেষত, শিশুরা বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে কারণ তাদের উপর শব্দদূষণের প্রভাব স্থায়ী হতে পারে। গর্ভবতী নারীরা অতিরিক্ত শব্দদূষণের শিকার হলে সন্তানদের বধির হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বৃদ্ধি পায়। আইনের প্রয়োগের পাশাপাশি জনগণের মাঝে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

ক্যাম্পেইন থেকে গাড়ি চালকদের প্রতি যানজটে অযথা হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকা, হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এর সামনে হর্ন না বাজানোর অভ্যাস করা, শব্দদূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ মেনে চলা, গাড়িতে নিষিদ্ধ হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহার না করা, নো-হর্ন সাইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া, যত্রতত্র গাড়ি রাস্তায় পার্কিং করা থেকে বিরত থাকা ইত্যাদি আহ্বান জানানো হয়।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে: প্রধানমন্ত্রী

মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় সাড়ে ৭ বছরে ঝরেছে ১৫ হাজারের বেশি প্রাণ

realme Set to Launch C100x with Exclusive Discount for Students on Daraz

শিক্ষার্থীদের জন্য দারাজে এক্সক্লুসিভ ডিসকাউন্ট নিয়ে আসছে রিয়েলমি সি১০০এক্স

গুরুদাসপুরে বাস-গরুবাহী টেম্পুর সংঘর্ষ, নিহত ৩

ক্রিট উপকূলে ২০২ অভিবাসী উদ্ধার, অধিকাংশই বাংলাদেশি

যান্ত্রিক ত্রুটিতে রোমে আটকা বিমান, কাল দুপুরে ছাড়বে বিজি-৩০৫

বাংলাদেশ থেকে আনারস আমদানির অনুমতি দিল পাকিস্তান

ফ্লু প্রতিরোধে বিশ্বে প্রথম এমআরএনএ টিকার অনুমোদন

সিরাজগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে চালকসহ নিহত ২, আহত ১০

আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

ঢাকায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে, বাড়তে পারে তাপমাত্রা