ঢাকাসোমবার , ২ নভেম্বর ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. জীবন বীমা ও ব্যাংক

বীমা দাবির ২৩ কোটি টাকা পেলেন আরও ৫,৮৬৮ গ্রাহক

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:১০ বিকাল

Link Copied!

বীমা খাতে গ্রাহকদের আস্থা পুনর্গঠন এবং পলিসিধারীদের দীর্ঘদিনের বৈধ দাবি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে দ্বিতীয় দফায় ৫ হাজার ৮৬৮ জন পলিসিধারীর মোট ২৩ কোটি ৩ লাখ ৫৬ হাজার ৯৭১ টাকা পরিশোধের ব্যবস্থা করেছে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (আইডিআরএ)।

সংশ্লিষ্ট জীবন বীমা কোম্পানিগুলোর নিজস্ব সম্পদ, সিকিউরিটি বন্ডসহ বিভিন্ন উৎস থেকে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান করে আইডিআরএ এই পাওনা পরিশোধের ব্যবস্থা করে।

দ্বিতীয় দফায় পরিশোধিত অর্থের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ পেয়েছেন পদ্মা ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের গ্রাহকেরা। প্রতিষ্ঠানটির ৩ হাজার ৬০০ জন পলিসিধারীকে দেওয়া হয়েছে ১২ কোটি টাকা।

এ ছাড়া ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৫৮০ জন গ্রাহক পেয়েছেন ৫ কোটি টাকা এবং হোমল্যান্ড লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ১ হাজার ১৪৫ জন গ্রাহক পেয়েছেন ৪ কোটি ৯৮ লাখ ৮ হাজার ৫১৪ টাকা।

একই সঙ্গে সানফ্লাওয়ার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৩০০ জন পলিসিধারীর মধ্যে ৫৫ লাখ ৩০ হাজার টাকা এবং সানলাইফ ইন্স্যুরেন্সের ২৪৩ জনের মধ্যে ৫০ লাখ ১৮ হাজার ৪৫৭ টাকা বিতরণ করা হয়েছে।

এর আগে, ২০২৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর প্রথম দফায় ৭টি জীবন বীমা কোম্পানির ২ হাজার ৫৪৯ জন পলিসিধারীকে ১৪ কোটি ৫১ লাখ ৩ হাজার ১৪৬ টাকা ৫৮ পয়সা পরিশোধ করা হয়েছিল। দুই দফা মিলিয়ে এখন পর্যন্ত মোট ৮ হাজার ৪১৭ জন গ্রাহকের ৩৭ কোটি ৫৪ লাখ ৬০ হাজার ১১৭ টাকা ৫৮ পয়সা বীমা দাবি পরিশোধ করা সম্ভব হয়েছে।

এদিকে কোম্পানিগুলোর লুটপাট ও অপব্যবস্থাপনার পর জনগণের করের টাকায় গঠিত সরকারি তহবিল থেকে বেইলআউট বা সহায়তা দেওয়ার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইডিআরএ চেয়ারম্যান মীর নাদিয়া নিভিন।

তিনি বলেন, সরকারি তহবিল থেকে টাকা এনে কোম্পানিগুলোকে বেইলআউট দেওয়ার ক্ষেত্রে আইডিআরএ অত্যন্ত সতর্ক। সরকারি সহায়তা কোনো প্রাথমিক সমাধান নয়, বরং তা হতে পারে কেবল একদম শেষ পদক্ষেপ।

নাদিয়া নিভিন বলেন, শুরুতেই বার্তা দেওয়া হয়েছে যে প্রথম কাজ হবে কোম্পানিগুলোর নিজস্ব উৎস থেকে সব রকম চেষ্টা চালিয়ে টাকা আদায় করা। সব চেষ্টা ব্যর্থ হলে এবং দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেলেই কেবল সরকারের কাছে আবেদনের কথা ভাবা যেতে পারে।

তবে তার আগে দুটি বড় শর্ত পূরণের কথা উল্লেখ করেন আইডিআরএ চেয়ারম্যান। প্রথমত, আদায়ের সব রকম সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা শেষ করতে হবে। দ্বিতীয়ত, এমন শক্ত আইনি কাঠামো ও তদারকির নিয়মকানুন বা ‘গার্ডরেল’ প্রতিষ্ঠা করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোম্পানিগুলো আর কখনোই এমন সংকট সৃষ্টি করতে না পারে।

তিনি বলেন, সরকার থেকে টাকা এনে দেওয়ার পর যদি আবার একই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঘটে, তবে তা গ্রহণযোগ্য নয়। তাই সুনির্দিষ্ট গার্ডরেল ও রেগুলেশন নিশ্চিত করার পর এবং প্রাতিষ্ঠানিক সব চেষ্টা শেষ হওয়ার পরই কেবল বেইলআউট প্যাকেজের বিষয় বিবেচনা করা হবে।

আইডিআরএ জানিয়েছে, অবশিষ্ট সব বৈধ ও অপরিশোধিত দাবি পর্যায়ক্রমে যাচাই-বাছাই করে পরিশোধের এই উদ্যোগ গ্রাহকদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল তরুণ ইনফ্লুয়েন্সার জেজুনের

হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক-নার্স সংকট নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সময়মতো ন্যায্যমূল্যে কৃষকের কাছে সার পৌঁছানোর নির্দেশ কৃষিমন্ত্রীর

৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকায় পদ্মা ব্যারাজ, বদলে যাবে ১৯ জেলার চিত্র?

বাইন্যান্সের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে ৬৩০ কোটি ডলার চুরি, নেপথ্যে কারা?

শুঁটকিতেও মিলল বিষাক্ত মাইক্রোপ্লাস্টিক: শীর্ষে লইট্টা ও চিংড়ি

যুদ্ধে বিপর্যস্ত কৃষ্ণসাগর: সাড়ে ৪ বছরে ১ লাখ ২০ হাজার ডলফিনের মৃত্যু

সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের জীবন বাঁচাতে তরুণদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও সিপিআর প্রশিক্ষণ

হামের উপসর্গে ২৪ ঘণ্টায় দুই শিশুর মৃত্যু

কৃষকের কাছে সময়মতো ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছানোর তাগিদ কৃষিমন্ত্রীর

Tourism Fair Concludes with Tk 43 Crore in Business Over Three Days

তিন দিনে ৪৩ কোটি টাকার ব্যবসা, শেষ হলো পর্যটন মেলা