ঢাকাবৃহস্পতিবার , ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. লাইফস্টাইল

প্রাকৃতিক খাদ্যরং: স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৩ অগাস্ট ২০২৬, ১২:৫৫ বিকাল

Link Copied!

প্রকৃতির রঙে ফিরে যাওয়া মানেই শুধু ঐতিহ্যে ফিরে যাওয়া নয়; এটি নিরাপদ খাদ্য, সুস্থ জীবন এবং টেকসই উন্নয়নের দিকে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। একসময় খাদ্যে রঙ আনার জন্য মানুষ হলুদ, বিট, ফুল বা বিভিন্ন শাকসবজির ওপর নির্ভর করত। কিন্তু আধুনিক খাদ্যশিল্পে কৃত্রিম রাসায়নিক রঙের ব্যবহার বাড়ার কারণে খাদ্য আরও আকর্ষণীয় হলেও স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ মারাত্মক আকারে  বেড়েছে। ফলে বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ভোক্তা ও খাদ্যশিল্প উভয়ই আবার প্রাকৃতিক খাদ্যরঙের দিকে ঝুঁকছে। বাংলাদেশেও এর ব্যাতিক্রম নয়।  বাংলাদেশের মতো কৃষিনির্ভর দেশের জন্য এটি শুধু জনস্বাস্থ্য রক্ষার বিষয়ই নয়; বরং কৃষিভিত্তিক শিল্প, মূল্য সংযোজন এবং রপ্তানির নতুন দিগন্ত উন্মোচনেরও একটি বড় সুযোগ বলে গবেষকদের মতামত।

বৈশ্বিক বাজারে প্রাকৃতিক খাদ্যরঙের চাহিদা

বর্তমানে বিশ্বজুড়ে “ক্লিন-লেবেল” (Clean Label) খাদ্যের জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। অর্থাৎ, ভোক্তারা এমন খাদ্য বেছে নিচ্ছেন যাতে কৃত্রিম সংযোজন কম এবং প্রাকৃতিক উপাদান বেশি  পরিমাণে থাকে। পানীয়, বেকারি, কনফেকশনারি, আইসক্রিম, দুগ্ধজাত পণ্য, স্ন্যাকস ও শিশু খাদ্যে প্রাকৃতিক রঙের ব্যবহার ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা এবং নিরাপদ খাদ্যের চাহিদার কারণে বৈশ্বিক প্রাকৃতিক খাদ্যরঙের বাজার ইতোমধ্যে বহু বিলিয়ন ডলারের শিল্পে পরিণত হয়েছে। এই ক্রমবর্ধমান বাজারে বাংলাদেশেরও প্রবেশের যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে।

কেন প্রাকৃতিক খাদ্যরং?

প্রাকৃতিক খাদ্যরঙের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এগুলো শুধু খাদ্যকে আকর্ষণীয়-ই করে না, বরং অনেক ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত পুষ্টিগুণও যোগ করে। বিভিন্ন উদ্ভিদজাত রঞ্জক পদার্থে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন, খনিজ এবং অন্যান্য জৈব সক্রিয় উপাদান থাকে, যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত উপকারী। অন্যদিকে, কিছু কৃত্রিম খাদ্যরঙ অতিরিক্ত ব্যবহারের ক্ষেত্রে শিশুদের আচরণগত পরিবর্তন, অ্যালার্জি এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যঝুঁকির সঙ্গে সম্পর্কিত বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গবেষণায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এজন্য অনেক দেশ কৃত্রিম রঙের ব্যবহার সীমিত করার পাশাপাশি প্রাকৃতিক বিকল্প ব্যবহারে উৎসাহ দিচ্ছে।

বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় প্রাকৃতিক রঙের উৎস

বাংলাদেশের আবহাওয়া ও কৃষি পরিবেশে এমন অনেক উদ্ভিদ জন্মায়, যেগুলো থেকে সহজেই নিরাপদ খাদ্যরং তৈরি করা সম্ভব। কিছু উদাহরণ নিচে তুলে ধরা হলো-

হলুদ: হলুদের প্রধান রঞ্জক কারকিউমিন উজ্জ্বল হলুদ রঙ দেয়। এটি বেকারি, সস, স্ন্যাকস, দুগ্ধজাত খাদ্য এবং মসলা শিল্পে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করা যায়। পাশাপাশি হলুদে বিদ্যমান কারকিউমিন শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহনাশক উপাদান হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

বিটরুট ও লালশাক : বিটরুটের বেটানিন এবং লালশাকের অ্যান্থোসায়ানিন উজ্জ্বল লাল ও গাঢ় গোলাপি রঙের উৎকৃষ্ট উৎস। বিশেষ করে দেশীয় লালশাক কম খরচে উচ্চমানের প্রাকৃতিক রঞ্জক উৎপাদনের সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে।

ড্রাগন ফল: ড্রাগন ফলে থাকা বেটাসায়ানিন প্রাকৃতিক লাল বা গোলাপি রঙের পাশাপাশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে। পানীয়, জেলি, আইসক্রিম ও ডেজার্টে এটি ব্যবহার করা যায়।

অপরাজিতা ফুল: প্রাকৃতিক নীল রঙ প্রকৃতিতে অত্যন্ত বিরল। অপরাজিতা ফুলের অ্যান্থোসায়ানিন থেকে নীল রঙ সংগ্রহ করা সম্ভব, যা চা, পানীয়, ডেজার্ট এবং বিশেষ ধরনের খাদ্যে ব্যবহার করা হয়।

গাঁদা ফুল : গাঁদা ফুল লুটেইন ও ক্যারোটিনয়েডে সমৃদ্ধ। এগুলো থেকে হলুদ ও কমলা রঙ উৎপাদন করা যায়।

গাজর ও টমেটো:  গাজরের বিটা-ক্যারোটিন এবং টমেটোর লাইকোপিন কমলা ও লাল রঙের গুরুত্বপূর্ণ উৎস। একই সঙ্গে এগুলো পুষ্টিগুণেও সমৃদ্ধ।

সজিনা (মরিঙ্গা) পাতা: সজিনা পাতা সবুজ রঙের পাশাপাশি ভিটামিন, খনিজ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ভালো উৎস। ফলে এটি খাদ্যের রঙ ও পুষ্টি—উভয়ই বৃদ্ধি করতে পারে।

বাংলাদেশে সম্ভাবনাময় আরও প্রাকৃতিক খাদ্যরং

উৎস প্রধান রঞ্জক সম্ভাব্য রং সম্ভাব্য ব্যবহার
পেঁপে ক্যারোটিনয়েড হলুদ–কমলা জুস, সস, বেকারি
মিষ্টি কুমড়া β-ক্যারোটিন হলুদ–কমলা বেকারি, স্যুপ, নুডলস
ভুট্টা জ্যান্থোফিল, ক্যারোটিনয়েড হলুদ স্ন্যাকস, নুডলস, বেকারি
পালং শাক ক্লোরোফিল সবুজ পানীয়, পাস্তা, সস
কলাপাতা ক্লোরোফিল সবুজ প্রক্রিয়াজাত খাদ্য ও প্রাকৃতিক রং
ধনেপাতা ক্লোরোফিল সবুজ সস, ডিপ, মসলা
পুদিনা পাতা ক্লোরোফিল সবুজ পানীয়, ডেজার্ট
কাঁচা মরিচ ক্লোরোফিল ও ক্যারোটিনয়েড সবুজ সস, আচার, মসলা
লাল/কালো জাম অ্যান্থোসায়ানিন লাল–বেগুনি পানীয়, জেলি, ডেজার্ট
কালোজাম অ্যান্থোসায়ানিন গাঢ় বেগুনি জুস, জেলি, আইসক্রিম
কালো আঙুর অ্যান্থোসায়ানিন বেগুনি–লাল পানীয়, জেলি
তেঁতুলের খোসা/বীজজাত অংশ পলিফেনলিক যৌগ বাদামি সস ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য
কোকো কোকো পলিফেনল/মেলানোইডিন বাদামি চকলেট, বেকারি
কফি মেলানোইডিন বাদামি বেকারি, পানীয়
চা পাতা থিয়াফ্লাভিন/থিয়ারুবিগিন হলুদ–বাদামি পানীয়, খাদ্য
পেঁয়াজের খোসা কোয়ারসেটিন ও ফ্ল্যাভোনয়েড হলুদ–বাদামি প্রাকৃতিক রঞ্জক
লাল পেঁয়াজের খোসা অ্যান্থোসায়ানিন লাল–বেগুনি খাদ্যরং
পানপাতা ক্লোরোফিল সবুজ বিশেষ খাদ্য ও পানীয়
জবা ফুল অ্যান্থোসায়ানিন লাল–গোলাপি পানীয়, জেলি, ডেজার্ট
শিউলি ফুল ক্যারোটিনয়েডজাত রঞ্জক হলুদ–কমলা প্রাকৃতিক রঞ্জক
পলাশ ফুল ক্যারোটিনয়েড/ফ্ল্যাভোনয়েড হলুদ–কমলা পানীয় ও বিশেষ খাদ্য
কুসুম ফুল কার্থামিন/কার্থামিডিন হলুদ–লাল খাদ্য ও পানীয়
কাঁঠালের পাতা ক্লোরোফিল সবুজ সম্ভাব্য সবুজ রঞ্জক
আমের পাতা ক্লোরোফিল সবুজ গবেষণামূলক সম্ভাবনা

অর্থনৈতিক সম্ভাবনা

বাংলাদেশে প্রাকৃতিক খাদ্যরং শিল্প গড়ে উঠলে কৃষি ও শিল্প উভয় ক্ষেত্রেই উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে। প্রথমত, কৃষকরা কাঁচা হলুদ, লালশাক বা অপরাজিতা ফুল কম দামে বিক্রি করার পরিবর্তে প্রক্রিয়াজাত শিল্পের জন্য কাঁচামাল সরবরাহ করে বেশি আয় করতে পারেন। দ্বিতীয়ত, বর্তমানে খাদ্যশিল্পে ব্যবহৃত অধিকাংশ রঙ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। দেশীয় উৎপাদন বাড়লে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। তৃতীয়ত, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যে অর্গানিক ও হালাল সার্টিফায়েড প্রাকৃতিক খাদ্যরঙের বড় বাজার রয়েছে। মানসম্পন্ন উৎপাদন নিশ্চিত করা গেলে বাংলাদেশ নতুন একটি রপ্তানি খাত গড়ে তুলতে পারবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো- নিরাপদ খাদ্যরঙ ব্যবহারের মাধ্যমে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকিও কমানো সম্ভবপর হবে।  এছাড়া বাংলাদেশে প্রাকৃতিক খাদ্যরঙের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা শুধু ফল-সবজিতে নয়; কৃষি ও খাদ্যশিল্পের বর্জ্য। যেমন- পেঁয়াজের খোসা, টমেটোর খোসা, ফলের খোসা ও উদ্ভিদজাত অবশিষ্টাংশ থেকেও মূল্যবান রঞ্জক আহরণ করা সম্ভব।

প্রধান চ্যালেঞ্জ

সম্ভাবনা থাকলেও এই শিল্পের সামনে কিছু বাস্তব চ্যালেঞ্জ রয়েছে। প্রথমত,  প্রাকৃতিক রঙ সাধারণত আলো, তাপ এবং অক্সিজেনের প্রভাবে দ্রুত বিবর্ণ হতে পারে। তাই দীর্ঘদিন সংরক্ষণ এবং শিল্প পর্যায়ে ব্যবহারের জন্য আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োজন। এছাড়া প্রাথমিক পর্যায়ে উৎপাদন খরচ কৃত্রিম রঙের তুলনায় কিছুটা বেশি হতে পারে। মান নিয়ন্ত্রণ, বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করা এবং আন্তর্জাতিক বাজারের উপযোগী পণ্য তৈরির জন্য উন্নত গবেষণাগার ও দক্ষ জনবলও প্রয়োজন।

উত্তরণের পথ

বাংলাদেশে প্রাকৃতিক খাদ্যরং শিল্প গড়ে তুলতে কয়েকটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্ব দিতে হবে। এর মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং শিল্পখাতের যৌথ উদ্যোগে প্রাকৃতিক রঙ নিষ্কাশন, পরিশোধন ও সংরক্ষণ প্রযুক্তির ওপর গবেষণা বাড়াতে হবে। মাইক্রোএনক্যাপসুলেশন, ফ্রিজ-ড্রাইং এবং উন্নত এক্সট্রাকশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে রঙের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি করতে হবে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের প্রণোদনা, কর-সুবিধা ও প্রযুক্তিগত সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। প্রাকৃতিক খাদ্য রং শিল্প গড়ে তোলার লক্ষ্যে কৃষকদের সঙ্গে চুক্তিভিত্তিক  চাষ চালু করে নিরবচ্ছিন্ন কাঁচামাল সরবরাহ নিশ্চিত করা যেতে পারে। আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে ISO 22000, HACCP, GMP অনুসরণের পাশাপাশি বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষ  এবং বিএসটিআই-এর মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

বাংলাদেশের সামনে নতুন সুযোগ

বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে কৃষিপণ্য উৎপাদনকারী দেশ হিসেবে পরিচিত। এখন সেই কৃষিপণ্যকে উচ্চমূল্যের শিল্পপণ্যে রূপান্তর করার সময় এসেছে। প্রাকৃতিক খাদ্যরং শিল্প হতে পারে এমনই একটি সম্ভাবনাময় খাত, যা একই সঙ্গে কৃষকের আয় বাড়াবে, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করবে, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। খাদ্যের রঙ যেন শুধু চোখ জুড়ায় না, বরং স্বাস্থ্যও রক্ষা করে—এটাই আগামী দিনের লক্ষ্য হওয়া উচিত । “প্রকৃতির রঙ, নিরাপদ খাদ্য”—এই দর্শনই বাংলাদেশের খাদ্যশিল্পের নতুন পরিচয় হয়ে উঠতে পারে।

তথ্যসূত্র:১

  1. Food and Agriculture Organization (FAO). Food Additives and Food Safety.
  2. World Health Organization (WHO). Food Safety and Food Additives.
  3. European Food Safety Authority (EFSA). Scientific Opinions on Food Colours.
  4. S. Food and Drug Administration (FDA). Color Additives and Food Safety.
  5. Delgado-Vargas, F., Jiménez, A. R., & Paredes-López, O. (2000). Natural Pigments: Carotenoids, Anthocyanins and BetalainsCharacteristics, Biosynthesis, Processing and Stability. Critical Reviews in Food Science and Nutrition.
  6. Clydesdale, F. M. (1993). Color as a Factor in Food Choice. Critical Reviews in Food Science and Nutrition.
  7. Rodriguez-Amaya, D. B. (2016). Natural Food Pigments and Colorants. Wiley-Blackwell.

লেখক: মো: আবু হাসান

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, বাংলাদেশ রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল মেজারমেন্টস (বিআরআইসিএম)

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

আগামী মাসে রূপপুর থেকে জাতীয় গ্রিডে যাবে ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ: রুশ রাষ্ট্রদূত

তামাক চাষের বদলে লাভজনক ও পরিবেশবান্ধব ফসল চাষের আহ্বান

তাহিরপুরে বজ্রপাতে বালু শ্রমিকের মৃত্যু

যে রক্তাক্ত আন্দোলন থেকে ‘মহান শিক্ষা দিবসের’ জন্ম

সন্ধ্যার মধ্যে চার অঞ্চলে ঝড়ের আভাস

রাজধানীতে গোপন গোডাউনে মিলল ৩ লাখ ১৬ হাজার বিদেশি সিগারেট

১৯ সেপ্টেম্বর বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের সম্ভাবনা, বাড়তে পারে বৃষ্টি

টিসিবির জন্য ১০ হাজার টন মসুর ডাল কিনবে সরকার

স্বর্ণের দাম আরও কমবে, নাকি আবারও বাড়বে?

অক্টোবরে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে চলতে পারে মহানগর এক্সপ্রেস

নতুন নিকোটিন পণ্যে তরুণদের আকৃষ্ট করছে কোম্পানিগুলো, নিষিদ্ধের দাবি

হাতিয়ায় দুর্যোগ মোকাবিলায় ৩০ স্বেচ্ছাসেবকের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ