ঢাকামঙ্গলবার , ২ জুন ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. লাইফস্টাইল

ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নেওয়া বিশ্বের ১০ বিখ্যাত চিত্রকর্ম

প্রতিবেদক
Ibrahim Khalil
২ জুন ২০২৬, ১:২০ অপরাহ্ণ

Link Copied!

বিপ্লব হোসাইন: শিল্পকলা মানবসভ্যতার অন্যতম মূল্যবান অর্জন। হাজার বছরের ইতিহাসে অসংখ্য শিল্পী তাদের সৃজনশীলতা, দর্শন, অনুভূতি এবং সময়ের বাস্তবতাকে রঙ ও রেখার মাধ্যমে অমর করে গেছেন। কিন্তু সব শিল্পকর্ম সমানভাবে মানুষের স্মৃতিতে জায়গা করে নিতে পারেনি। কিছু চিত্রকর্ম শিল্পের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্বসংস্কৃতির অংশ হয়ে উঠেছে। সেগুলো শুধু জাদুঘরের দেয়ালে ঝুলন্ত ছবি নয়; বরং ইতিহাস, নন্দনতত্ত্ব, রাজনীতি, ধর্ম, মানবিক অনুভূতি এবং সভ্যতার বিবর্তনের জীবন্ত দলিল।

পাশ্চাত্য শিল্পের ইতিহাসে সবচেয়ে বিখ্যাত চিত্রকর্মগুলোর তালিকায় প্রায় সবসময়ই যে দশটি নাম উঠে আসে, সেগুলো হলো— সান্দ্রো বত্তিচেলির ‘দ্য বার্থ অব ভেনাস’, লিওনার্দো দা ভিঞ্চির ‘দ্য লাস্ট সাপার’ ও ‘মোনা লিসা’, রেমব্রান্টের ‘দ্য নাইট ওয়াচ’, ভার্মিয়ারের ‘গার্ল উইথ এ পার্ল ইয়াররিং’, জেমস ম্যাকনিল হুইসলারের ‘হুইসলার’স মাদার’, ভিনসেন্ট ভ্যান গগের ‘দ্য স্টারি নাইট’, এডভার্ড মুঞ্চের ‘দ্য স্ক্রিম’, সালভাদর দালির ‘দ্য পারসিস্টেন্স অব মেমোরি’ এবং পাবলো পিকাসোর ‘গুয়ের্নিকা’।

১৪৮০-এর দশক থেকে ১৯৩৭ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত এই শিল্পযাত্রা মানবসভ্যতার প্রায় সাড়ে চারশ বছরের নান্দনিক ও সাংস্কৃতিক বিবর্তনের সাক্ষ্য বহন করে।

ভেনাসের জন্ম: রেনেসাঁ যুগের সৌন্দর্যের নতুন ভাষা

সান্দ্রো বত্তিচেলি ১৪৮০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে ‘দ্য বার্থ অব ভেনাস’ চিত্রকর্মটি আঁকেন। ধারণা করা হয়, এটি ইতালির প্রভাবশালী মেদিচি পরিবারের ফরমায়েশে নির্মিত হয়েছিল। চিত্রকর্মটিতে দেখা যায় প্রেম ও সৌন্দর্যের দেবী ভেনাস সমুদ্রের ফেনা থেকে জন্ম নিয়ে বিশাল এক ঝিনুকের খোলের ওপর দাঁড়িয়ে সাইপ্রাসের তীরে এসে পৌঁছেছেন।

বাম পাশে পশ্চিমা বাতাসের দেবতা জেফির তাকে তীরের দিকে উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছেন এবং ডান পাশে ঋতুর দেবী হোরাইদের একজন ফুলে সজ্জিত পোশাক হাতে অপেক্ষা করছেন।

এই চিত্রকর্মের বিশেষত্ব হলো, ধর্মীয় বিষয়বস্তুর বাইরে এটি ইতালীয় রেনেসাঁর প্রথমদিকের বৃহৎ আকারের নগ্নচিত্রগুলোর অন্যতম। তাছাড়া কাঠের প্যানেলের পরিবর্তে ক্যানভাসে আঁকা প্রথম প্রধান শিল্পকর্মগুলোর মধ্যেও এটি অন্যতম। ১৮১৫ সাল থেকে এটি ইতালির ফ্লোরেন্সে অবস্থিত উফিজি গ্যালারিতে সংরক্ষিত রয়েছে।

শেষ নৈশভোজ: বিশ্বাস ও বিশ্বাসঘাতকতার নাটকীয় মুহূর্ত

লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ১৪৯৫ থেকে ১৪৯৮ সালের মধ্যে মিলানের ডিউক লুডোভিকো স্ফোরজার ফরমায়েশে ‘দ্য লাস্ট সাপার’ বা ‘শেষ নৈশভোজ’ চিত্রকর্মটি আঁকেন।

মিলানের সান্তা মারিয়া দেলে গ্রাৎসিয়ে ডোমিনিকান কনভেন্টের ভোজনকক্ষের উত্তর দেয়ালে সরাসরি আঁকা ৪.৬ মিটার উচ্চতা ও ৮.৮ মিটার প্রস্থের এই শিল্পকর্মে সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, যখন যিশু খ্রিস্ট ঘোষণা করেন যে তাঁর বারোজন শিষ্যের মধ্যে একজন তাঁকে বিশ্বাসঘাতকতা করবে।

প্রত্যেক শিষ্যের বিস্ময়, আতঙ্ক, সন্দেহ ও প্রতিক্রিয়া তাদের অঙ্গভঙ্গি এবং মুখাবয়বের মাধ্যমে অসাধারণ দক্ষতায় উপস্থাপন করেছেন লিওনার্দো।

প্রচলিত ফ্রেস্কো পদ্ধতির পরিবর্তে তিনি শুকনো প্লাস্টারের ওপর টেম্পেরা ও তেলের পরীক্ষামূলক মিশ্রণ ব্যবহার করেন। এর ফলে সূক্ষ্ম বিবরণ ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হলেও কয়েক দশকের মধ্যেই চিত্রকর্মটির রঙ ক্ষয়ে যেতে শুরু করে। পরে এটি একাধিকবার পুনরুদ্ধার করা হয়। ১৯৭৮ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত পরিচালিত দীর্ঘ সংরক্ষণ কার্যক্রম ছিল সবচেয়ে বিস্তৃত পুনরুদ্ধার প্রকল্প।

মোনা লিসা: রহস্যময় হাসির অমর কিংবদন্তি

বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত চিত্রকর্ম বলা হলে প্রথমেই যে নামটি উচ্চারিত হয়, তা হলো ‘মোনা লিসা’।

লিওনার্দো দা ভিঞ্চি প্রায় ১৫০৩ সালে এই প্রতিকৃতি আঁকা শুরু করেন এবং ১৫১৯ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এর পরিমার্জন চালিয়ে যান। মাত্র ৭৭ সেন্টিমিটার বাই ৫৩ সেন্টিমিটার আকারের এই ছোট চিত্রকর্মটি পপলার কাঠের ওপর তেলরঙে আঁকা।

ধারণা করা হয়, এতে চিত্রিত নারী হলেন ফ্লোরেন্সের রেশম ব্যবসায়ী ফ্রান্সেস্কো দেল জোকোন্দোর স্ত্রী লিসা গেরার্দিনি। লিওনার্দোর বিখ্যাত ‘স্ফুমাটো’ কৌশল মুখের অভিব্যক্তিকে এমন এক রহস্যময়তা দিয়েছে, যা আজও শিল্পবিশ্বে আলোচনার বিষয়।

ফ্রান্সের রাজা প্রথম ফ্রান্সিস এটি সংগ্রহে নেন এবং বর্তমানে এটি প্যারিসের লুভর জাদুঘরে বুলেটপ্রুফ কাচের আড়ালে সংরক্ষিত। প্রতিদিন প্রায় ২০ হাজার দর্শনার্থী শুধু এই একটি চিত্রকর্ম দেখতেই সেখানে ভিড় করেন।

দ্য নাইট ওয়াচ: আলো-ছায়ার অনন্য নাট্যরূপ

রেমব্রান্ট ভ্যান রাইন ১৬৪২ সালে ‘দ্য নাইট ওয়াচ’ সম্পন্ন করেন। এর প্রকৃত নাম ছিল ‘ক্যাপ্টেন ফ্রানস ব্যানিনক ককের কমান্ডাধীন দ্বিতীয় জেলার মিলিশিয়া কোম্পানি’।

চিত্রকর্মটিতে দিনের আলোতে একটি নাগরিক মিলিশিয়া বাহিনীকে মার্চ করতে দেখা গেলেও শতাব্দীর পর শতাব্দী জমে থাকা বার্নিশ, ধোঁয়া এবং অক্সিডেশনের কারণে ছবিটি এতটাই কালো হয়ে গিয়েছিল যে এটি রাতের দৃশ্য বলে মনে হতো। সেখান থেকেই ‘দ্য নাইট ওয়াচ’ নামটির উৎপত্তি।

১৯৪৬-৪৭ সালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পর এর প্রকৃত দিনের দৃশ্য উন্মোচিত হয়। ১৯৭৫ সালে ছুরিকাঘাত এবং ১৯৯০ সালে অ্যাসিড হামলার শিকার হলেও এটি সফলভাবে পুনরুদ্ধার করা হয়। বর্তমানে আমস্টারডামের রাইক্সমিউজিয়ামে সংরক্ষিত এই শিল্পকর্মের ওপর এখনও গবেষণা চলছে।

গার্ল উইথ এ পার্ল ইয়াররিং: ডাচ মোনা লিসা

ইয়োহানেস ভার্মিয়ারের আঁকা ‘গার্ল উইথ এ পার্ল ইয়াররিং’ আনুমানিক ১৬৬৫ সালে নির্মিত হয়। রহস্যময় অর্ধ-হাসি এবং দর্শকের দিকে সরাসরি তাকিয়ে থাকা মেয়েটির অভিব্যক্তির কারণে একে প্রায়ই ‘ডাচ মোনা লিসা’ বলা হয়।

এটি প্রকৃত অর্থে কোনো প্রতিকৃতি নয়; বরং ‘ট্রোনি’ নামে পরিচিত ডাচ শিল্পধারার একটি উদাহরণ, যেখানে আদর্শায়িত বা বেনামী কোনো চরিত্রকে উপস্থাপন করা হয়।

চিত্রকর্মে ব্যবহৃত বিশাল মুক্তার দুল এবং নীল পাগড়ি বাস্তবতার চেয়ে শিল্পীর কল্পনারই বেশি প্রতিফলন। বর্তমানে এটি নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগ শহরের মাউরিৎসহুইস জাদুঘরে সংরক্ষিত।

হুইসলারের মা: মাতৃত্বের মর্যাদার প্রতিচ্ছবি

আমেরিকান শিল্পী জেমস ম্যাকনিল হুইসলার ১৮৭১ সালে লন্ডনে তাঁর মা আনা ম্যাকনিল হুইসলারের প্রতিকৃতি আঁকেন।

চিত্রকর্মটির প্রকৃত নাম ‘অ্যারেঞ্জমেন্ট ইন গ্রে অ্যান্ড ব্ল্যাক নং ১’। নামটি থেকেই বোঝা যায়, শিল্পী বিষয়বস্তুর চেয়ে রঙের বিন্যাস ও সামঞ্জস্যকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন।

১৮৯১ সালে ফরাসি সরকার এটি কিনে নেয়। এটি ছিল কোনো ফরাসি জাদুঘরের সংগ্রহে যুক্ত হওয়া প্রথম আমেরিকান চিত্রকর্ম। বর্তমানে এটি প্যারিসের মুজে দ’ওরসে জাদুঘরে রয়েছে।

দ্য স্টারি নাইট: অস্থির মন ও অসীম আকাশ

১৮৮৯ সালে মানসিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভিনসেন্ট ভ্যান গগ ‘দ্য স্টারি নাইট’ আঁকেন।

চিত্রকর্মে একটি কল্পিত গ্রামের ওপর ঘূর্ণায়মান নীল আকাশ, এগারোটি তারা, অর্ধচন্দ্র এবং উজ্জ্বল শুক্র গ্রহকে দেখা যায়। শক্তিশালী ইম্প্যাস্টো ব্রাশস্ট্রোক এই শিল্পকর্মকে এক অনন্য প্রাণশক্তি দিয়েছে।

১৯৪১ সাল থেকে নিউইয়র্কের মিউজিয়াম অব মডার্ন আর্টে সংরক্ষিত এই চিত্রকর্ম আজ বিশ্বের সবচেয়ে পরিচিত শিল্পচিত্রগুলোর একটি।

দ্য স্ক্রিম: আধুনিক উদ্বেগের প্রতীক

এডভার্ড মুঞ্চ ১৮৯৩ থেকে ১৯১০ সালের মধ্যে ‘দ্য স্ক্রিম’-এর একাধিক সংস্করণ তৈরি করেন।

সবচেয়ে বিখ্যাত সংস্করণটিতে একটি সেতুর ওপর দাঁড়িয়ে থাকা আতঙ্কগ্রস্ত মানবসদৃশ অবয়বকে কমলা-লাল আকাশের নিচে চিৎকাররত অবস্থায় দেখা যায়।

মানবমনের উদ্বেগ, ভয় ও অস্তিত্ব সংকটের সর্বজনীন প্রতীক হিসেবে এটি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করে। চিত্রকর্মটি একাধিকবার চুরির শিকার হলেও পরে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে এটি নরওয়ের জাতীয় জাদুঘরে সংরক্ষিত।

স্মৃতির স্থায়িত্ব: সময়ের ধারণাকে চ্যালেঞ্জ

সালভাদর দালি ১৯৩১ সালে ‘দ্য পারসিস্টেন্স অব মেমোরি’ বা ‘স্মৃতির স্থায়িত্ব’ আঁকেন।

মাত্র ২৪ বাই ৩৩ সেন্টিমিটার আকারের এই ছোট চিত্রকর্মে দেখা যায় একটি শুষ্ক ভূমির ওপর ছড়িয়ে থাকা গলে যাওয়া পকেট ঘড়ি। দালি দাবি করেছিলেন, রোদে গলে যাওয়া ক্যামেমবার্ট পনির দেখে তিনি এই চিত্রকল্পের ধারণা পেয়েছিলেন।

স্বপ্ন, সময়, স্মৃতি এবং অবচেতন মন নিয়ে পরাবাস্তববাদী আন্দোলনের দৃষ্টিভঙ্গিকে এই চিত্রকর্ম শক্তিশালীভাবে প্রকাশ করে। বর্তমানে এটি নিউইয়র্কের মিউজিয়াম অব মডার্ন আর্টে সংরক্ষিত।

গুয়ের্নিকা: যুদ্ধবিরোধী শিল্পের সবচেয়ে শক্তিশালী ভাষ্য

পাবলো পিকাসোর ‘গুয়ের্নিকা’ শুধু একটি চিত্রকর্ম নয়, বরং যুদ্ধ ও মানবিক বিপর্যয়ের বিরুদ্ধে শিল্পের শক্তিশালী প্রতিবাদ।

১৯৩৭ সালে স্প্যানিশ গৃহযুদ্ধ চলাকালে জার্মান ও ইতালীয় বিমানবাহিনীর বোমা হামলায় বিধ্বস্ত বাস্ক শহর গুয়ের্নিকার প্রতিক্রিয়ায় এটি আঁকা হয়।

৩.৫ মিটার উচ্চতা এবং ৭.৮ মিটার প্রস্থের এই বিশালাকৃতির ধূসর চিত্রকর্মে আর্তনাদরত মানুষ, আহত ঘোড়া, মৃত যোদ্ধা এবং ষাঁড়ের প্রতীকী উপস্থিতির মাধ্যমে যুদ্ধের বিভীষিকা তুলে ধরা হয়েছে।

পিকাসো স্পেনে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত এটি দেশে ফেরত পাঠাতে অস্বীকৃতি জানান। বহু বছর নিউইয়র্কে থাকার পর বর্তমানে এটি মাদ্রিদের রেইনা সোফিয়া জাদুঘরে সংরক্ষিত।

কী একটি চিত্রকর্মকে বিশ্ববিখ্যাত করে তোলে?

এই দশটি চিত্রকর্মের খ্যাতির পেছনে রয়েছে ভিন্ন ভিন্ন কারণ। ‘মোনা লিসা’র বিশ্বখ্যাতি অনেকাংশে ১৯১১ সালের চুরির ঘটনার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ‘গুয়ের্নিকা’ যুদ্ধবিরোধী প্রতীক হিসেবে বিশ্বব্যাপী মর্যাদা লাভ করে। ‘দ্য স্ক্রিম’ আধুনিক উদ্বেগের প্রতীক হয়ে ওঠে জনপ্রিয় সংস্কৃতিতে অসংখ্য পুনরুৎপাদনের মাধ্যমে।

অন্যদিকে ‘দ্য নাইট ওয়াচ’ শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে ডাচ শিল্পের গর্ব হিসেবে প্রতিষ্ঠিত রয়েছে।

তবে এসব শিল্পকর্মের মধ্যে কয়েকটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য রয়েছে-অসাধারণ কারিগরি দক্ষতা, শক্তিশালী ও স্মরণীয় চিত্রভাষা, গভীর মানবিক আবেদন এবং দীর্ঘ সময় ধরে জাদুঘরের মাধ্যমে সংরক্ষিত থাকার ইতিহাস। মোনা লিসার স্ফুমাটো, স্টারি নাইটের ইম্প্যাস্টো কিংবা নাইট ওয়াচের কিয়ারোস্কুরো-প্রতিটি শিল্পকর্মই শিল্পকলার ইতিহাসে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

শতাব্দী পেরিয়েও এই চিত্রকর্মগুলো শুধু শিল্পপ্রেমীদের নয়, সাধারণ মানুষের কল্পনাকেও সমানভাবে নাড়া দেয়। তাই এগুলো কেবল বিখ্যাত চিত্রকর্ম নয়; বরং মানবসভ্যতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অবিনাশী সম্পদ।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে তাপপ্রবাহ, ৪ জুনের পর মিলতে পারে স্বস্তি

দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে প্রাইভেটকারের ধাক্কা, প্রাণ গেল ৫ জনের

৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ইতালি

দেশের বাজারে কমলো স্বর্ণের দাম

জুনে কম বৃষ্টির আভাস, বাড়তে পারে তাপমাত্রা ও তাপপ্রবাহ

নতুন ওষুধে কমছে ক্যানসারের টিউমার

আজ যেসব বিভাগে হতে পারে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টি

নারীকে বাঁচাতে গিয়ে গাছে ধাক্কা, প্রাণ গেল পর্যটক কিশোরের

জয়পুরহাটে পিকআপের চাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

দুধ উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমাতে হবে: প্রতিমন্ত্রী

খাদ্যশস্যের মাঠে কেন বাড়ছে তামাকের আবাদ?

মুন্সিগঞ্জে ট্রাকের চাপায় প্রাণ গেল ১৩ বছরের কিশোরের