ঢাকাবুধবার , ৪ নভেম্বর ২০২৬
  1. সর্বশেষ

দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা-ভূমিধস পরিস্থিতির উন্নতি

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
২৮ জুলাই ২০২৬, ১২:৫৭ বিকাল

Link Copied!

দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় আকস্মিক বন্যা, ভূমিধস ও পাহাড়ধস পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। অনেক এলাকায় বন্যার পানি নেমে পরিস্থিতির উন্নতি হলেও কোথাও কোথাও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র সামনে এসেছে। একই সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও উদ্ধার-পরবর্তী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে প্রশাসন।

সোমবার গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের জেলা ও উপজেলা তথ্য অফিস এবং তথ্য অধিদপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে পাওয়া সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, চট্টগ্রাম মহানগরসহ জেলার ১৫টি উপজেলা এখনো বন্যাকবলিত। এসব এলাকায় জরুরি বার্তা প্রচার, অনিরাপদ বসতবাড়ি এড়িয়ে চলা, স্বাস্থ্যবিধি মানা, সাপে কাটা প্রতিরোধ এবং নারী, শিশু, প্রবীণ ও প্রতিবন্ধীদের নিরাপদে রাখার বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচার চলছে। ত্রাণ গ্রহণে আর্থিক লেনদেন না করা এবং বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া এড়াতেও মাইকিং করা হচ্ছে।

এদিকে হবিগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে। জেলার কোথাও কোনো পরিবার পানিবন্দি নেই এবং হতাহতের ঘটনাও ঘটেনি। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ১ দশমিক ৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

খাগড়াছড়িতে অধিকাংশ এলাকা থেকে পানি নেমে গেলেও পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। নতুন করে কোনো পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটেনি এবং নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। জেলায় ১৫০টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু রয়েছে।

কক্সবাজারেও বন্যা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ২৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলেও রামুর বাঁকখালী ও চকরিয়ার মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার অনেক নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ সময়ে কোনো পাহাড়ধস বা ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেনি।

তবে মৌলভীবাজারে বন্যার পানি কমলেও ক্ষয়ক্ষতির চিত্র উঠে এসেছে। আকস্মিক বন্যায় জেলার ৫৭ হেক্টর কৃষিজমির ফসল, প্রায় ৪০৫টি পুকুর এবং এলজিইডির ৫৪টি গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

অন্যদিকে রাঙামাটি, বান্দরবান ও রামগড়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে ভারী বৃষ্টির সময় পাহাড়ধসের ঝুঁকি থাকায় এসব এলাকায় সতর্কতামূলক প্রচার চালানো হচ্ছে। বান্দরবানে গত ২৪ ঘণ্টায় ১০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে এবং আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষ ধীরে ধীরে বাড়িতে ফিরছেন।

লামাতেও বন্যা, পাহাড়ধস বা ভূমিধসের কোনো নতুন ঘটনা ঘটেনি। মাতামুহুরী নদীর পানির স্তর স্বাভাবিক রয়েছে। রামগড়ে ফেনী নদীর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে এবং নতুন করে পাহাড়ধসের খবর পাওয়া যায়নি।

এদিকে কাপ্তাই, রাজস্থলী ও বিলাইছড়িতেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকায় এসব এলাকায় সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে। সোমবার সকাল থেকে সেখানে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হচ্ছে।

সরকারি সংস্থাগুলো জানিয়েছে, বন্যা ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি থাকা এলাকায় জনসচেতনতা, সতর্কতামূলক প্রচার এবং উদ্ধার-পরবর্তী কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

স্তনবৃন্তে স্পর্শ করলেই কেন হঠাৎ মন খারাপ, কী এই ‘স্যাড নিপল সিনড্রোম’?

upay Rewards Three Distributor Partners with Umrah Packages under ‘Shopner Umrah 2026’ Campaign

উপায়ের ‘স্বপ্নের ওমরাহ’ ক্যাম্পেইনে পুরস্কার পেলেন ৩ ডিস্ট্রিবিউশন পার্টনার

সাতক্ষীরায় ৭৫ শতাংশ জলবায়ু বাস্তুচ্যুত পরিবার তীব্র খাদ্য সংকটে

মিরপুর বেড়িবাঁধে বাস-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৪

হাসপাতাল নেই ৬০ গ্রামে, অসুস্থ হলে আট ঘণ্টার নদীপথ পাড়ি

চাঁদপুরে হাইড্রোলিক হর্ন ব্যবহারে ৬ যানবাহনকে জরিমানা

ঢাকায় শুষ্ক আবহাওয়া, কমতে পারে দিনের তাপমাত্রা

বাংলাদেশে জীববৈচিত্র্য ও জলবায়ু রক্ষায় ১২ সংস্থার সঙ্গে ইউএনডিপির চুক্তি

সড়ক দুর্ঘটনার আচরণগত ঝুঁকি নিরসনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাথে মতবিনিময় সভা

২৪ ঘণ্টায় হাম উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যু

ভিভো ভি৮০: নতুন রং ও নতুন ডিজাইনে আসছে নতুন চমক