
কক্সবাজারে পাহাড়ি ঢলের কারণে সৃষ্ট বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের ঘরবাড়ি, গবাদিপশু, মৎস্য খামার ও কৃষিজমির ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি বলেন, ত্রাণ সহায়তার পাশাপাশি দুর্গত মানুষকে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে পুনর্বাসন ও পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) কক্সবাজার সদর উপজেলার ঝিলংজা ইউনিয়নের চান্দেরপাড়ায় বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, বন্যার শুরু থেকেই সরকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে রয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রম ও ত্রাণ বিতরণ অব্যাহত আছে। প্রতিটি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তাকে ট্যাগ অফিসার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যাতে দুর্গতদের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করে দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দেওয়া যায়।
তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি পুনর্নির্মাণ, গবাদিপশুর ক্ষতি, মৎস্য খামার ও কৃষিজমির ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে দিতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে, যাতে তারা দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।
বন্যায় নিহতদের পরিবারের বিষয়ে অনিন্দ্য ইসলাম বলেন, শুধু এককালীন আর্থিক সহায়তা দিয়েই সরকারের দায়িত্ব শেষ হবে না। যেসব পরিবার উপার্জনক্ষম সদস্য হারিয়েছে, তাদের পুনর্বাসনে প্রশাসন ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া হবে।
পাহাড় ধসে প্রাণহানির বিষয়ে তিনি বলেন, প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যম ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত উদ্যোগে সচেতনতা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসকারীদের জন্য বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা করা গেলে ভবিষ্যতে এ ধরনের দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমানো সম্ভব হবে।
এ সময় কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমান কাজল, জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. নাজিমুল হক, পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান এবং সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাহমিনা আখতার উপস্থিত ছিলেন।