ঢাকারবিবার , ৭ জুন ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. জনস্বাস্থ্য

পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়ার পরও ডেঙ্গুতে মানুষের মৃত্যু বেদনাদায়ক : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

প্রতিবেদক
Ibrahim Khalil
১১ অক্টোবর ২০২৩, ৯:৫৯ অপরাহ্ণ

Link Copied!

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেছেন, এডিস মশা বাহিত রোগ ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বছরের প্রথম থেকেই মন্ত্রণালয় থেকে প্রস্তুতি ও উদ্যোগের কোন ঘাটতি ছিল না। আমাদের সমস্ত চেষ্টার পরও এ বছর ডেঙ্গুতে রেকর্ড সংখ্যক মানুষের মৃত্যু অত্যন্ত বেদনা ও পীড়াদায়ক। ডেঙ্গু রোগে একটি মৃত্যুও আমাদের কাম্য নয় কিন্তু আমাদের আর কোন কিছু করার বাকি রয়েছে কিনা সেই বিষয়গুলো আলোচনা করার জন্যই বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় আমাদের আজকের এ কর্মশালা। এখানে উপস্থিত আমরা সবাই কেউ কারো প্রতিপক্ষ নই বরং আমরা একে অপরের অংশীদার। ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে আমাদের অজানা কোন বিষয় যদি থেকে থাকে তা আলোচনা করার জন্যই আজকের এই কর্মশালা।

আজ বুধবার ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে বিশ্ব ব্যাংকের সহায়তায় স্থানীয় সরকার বিভাগ আয়োজিত “ডেঙ্গু প্রতিরোধ এবং নিয়ন্ত্রণঃ তথ্য শেয়ারিং সেশন” কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। এ কর্মশালায় গণমাধ্যমের প্রায় শতাধিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র অপারেশন অফিসার ইফাত মাহমুদ এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এতে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মুহম্মদ ইবরাহিম, আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর আব্দুল্লায়ে সেক, স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. মলয় চৌধুরী এবং যুগ্ম সচিব ফারজানা মান্নান।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী এ সময় বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে প্রতিবছর মশা বাহিত বিভিন্ন রোগ যেমন ডেঙ্গু, চিকনগুনিয়া ও ম্যালেরিয়ায় সারা পৃথিবীতে সাত লক্ষ মানুষ মারা যায়। ভৌগলিক অবস্থানগত কারণে আমাদের মতো দেশের জন্য মশা বাহিত রোগ মোকাবেলা করতে অনেক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়। যদিও ১৯৬৪ সালে প্রথম ডেঙ্গু রোগ বাংলাদেশে আসে বলে তথ্যে জানানো হয়েছে কিন্তু এ রোগের ব্যাপকতা ২০১৯ সালে প্রথম আমরা দেখতে পাই। অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে এ বছর আক্রান্ত ও মৃত্যুর হার আগের সব রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে। অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে মশা প্রতিরোধে জনসচেতনতা ও জনগণের অংশগ্রহণই প্রধান বিষয়। মন্ত্রণালয় থেকে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে টিবিসি প্রচারসহ নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সিটি কর্পোরেশন থেকে যেখানে এডিস মশার উৎসস্থল বা লার্ভা পাওয়া গেছে সেখানে জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়াও জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সিটি কর্পোরেশন এবং মন্ত্রণালয় থেকে আমি নিজে মাঠ পরিদর্শন করে জনগণের মাঝে লিফলেট বিতরণ করেছি।

এ সময় মোঃ তাজুল ইসলাম বলেন, বছরের প্রথম থেকেই এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সিটি কর্পোরেশন গুলোর মশা মারার পর্যাপ্ত ওষুধ, যন্ত্রপাতি এবং লোকবল রয়েছে কিনা সে বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে যথাযথ সহযোগিতা করা হয়েছে। এখন জনসম্পৃক্ততা যতো বাড়ানো যাবে এবং পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা যত শক্তিশালী হবে ততই এডিস মশার প্রজনন স্থল ও ডেঙ্গু রোগের সংক্রমণ হ্রাস পাবে। কর্মশালা শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের ডেঙ্গু বিষয়ক নানা প্রশ্নের উত্তর দেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

খাদ্য প্যাকেটের সম্মুখভাগে সতর্কবার্তা বাড়াবে ভোক্তা সচেতনতা, কমাবে স্বাস্থ্যঝুঁকি

ঈদযাত্রায় ১৫ দিনে সড়ক, রেল ও নৌপথে ৪৩৮ প্রাণহানি

ডেঙ্গু মোকাবিলায় জনগণের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ জরুরি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

দেশে ফিরেছেন ৩৭ হাজার ৪৩৫ হাজী, হজ ব্যবস্থাপনায় সন্তুষ্টি প্রকাশ

মৌসুমি বায়ু আরও সক্রিয়, ১১ জুন পর্যন্ত দেশজুড়ে বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস

নড়াইলে পৃথক বজ্রপাতে কৃষকসহ নিহত ২

জলবায়ুজনিত স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়লেও কমছে স্বাস্থ্য খাতে জলবায়ু বাজেট বরাদ্দ

নড়াইলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস উল্টে আহত ২০

কুমিল্লায় বাস-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩

কলাপাড়ায় বাস-ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৮

আজ থেকে নতুন সূচিতে চলবে মেট্রোরেল

এক বছর আগেই স্তন ক্যান্সার শনাক্ত করবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা