ঢাকাসোমবার , ৫ অক্টোবর ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. জনস্বাস্থ্য

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করবে পিকেএসএফ

প্রতিবেদক
Ibrahim Khalil
৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:০৮ সকাল

Link Copied!

দেশে থ্যালাসেমিয়া রোগের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকি মোকাবিলায় সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ)। পিকেএসএফ-এর প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কর্মসূচির আওতায় সারাদেশে সহযোগী সংস্থাগুলোর মাধ্যমে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

রবিবার (৪ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পিকেএসএফ ভবন–১-এ অনুষ্ঠিত স্বেচ্ছায় রক্তদান ও থ্যালাসেমিয়া সচেতনতা কর্মসূচিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। পিকেএসএফ এবং বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি ও হাসপাতাল যৌথভাবে এ কর্মসূচির আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে পিকেএসএফ-এর চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফজলুল কাদের এবং বাংলাদেশ থ্যালাসেমিয়া সমিতি ও হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক ড. এ. কে. এম. একরামুল হোসেন বক্তব্য রাখেন।

জাকির আহমেদ খান বলেন, থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে জনসচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। রোগটির ভয়াবহতা ও চিকিৎসার উচ্চ ব্যয়ের কথা বিবেচনা করে প্রতিরোধমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন। সমন্বিত উদ্যোগ, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সামাজিক সচেতনতার মাধ্যমেই বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে তিনি মন্তব্য করেন।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ ফজলুল কাদের বলেন, বর্তমানে পিকেএসএফ-এর সহযোগী সংস্থাগুলো দেশের প্রায় সোয়া ২ কোটি মানুষকে কাছে স্বাস্থ্য ও আর্থিক সুরক্ষাসহ নানাবিধ উন্নয়নমূলক সেবা পৌঁছে দিচ্ছে। এই বিস্তৃত কাঠামোকে কাজে লাগিয়ে বিয়ের আগে বর-কনের থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা, বাহক শনাক্তকরণ এবং আচরণগত পরিবর্তনের মাধ্যমে রোগটি প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে উল্লেখ করে ড. এ. কে. এম. একরামুল হোসেন বলেন, প্রতিবছর প্রায় ১৫ হাজার শিশু থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে। বর্তমানে দেশে প্রায় ১১.৪ শতাংশ মানুষ এ রোগের বাহক। এ প্রেক্ষাপটে সমাজে এ রোগ বিষয়ে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টির ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

বক্তারা বলেন, থ্যালাসেমিয়া একটি প্রতিরোধযোগ্য বংশগত রক্তের রোগ। স্বামী–স্ত্রী দুজনই থ্যালাসেমিয়ার বাহক হলে সন্তানের এ রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তবে একজন বাহক এবং অন্যজন সুস্থ হলে সন্তানের থ্যালাসেমিয়া হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তাই বিয়ের আগে হবু বর বা কনে থ্যালাসেমিয়ার বাহক কি না, তা জানা প্রয়োজন। এ লক্ষ্যে বিবাহ নিবন্ধনের সময় থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করারও প্রস্তাব দেন বক্তারা। সাইপ্রাস, ইতালি ও গ্রিসের মতো দেশে থ্যালাসেমিয়া বাহকদের মধ্যে বিয়ে নিরুৎসাহিত করা এবং বাধ্যতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা প্রায় শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

এরপর, পিকেএসএফ-এর চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান রক্তদান কর্মসূচি উদ্বোধন করেন এবং স্বেচ্ছায় রক্তদানকারীদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন ও উৎসাহ প্রদান করেন। পিকেএসএফ-এর বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

 

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

উপকূলের ১৪ জেলায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬: কতটা নিরাপদ ও বাসযোগ্য ঢাকা?

পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস যৌথভাবে কাজ করবে

কোম্পানির হস্তক্ষেপ তামাক নিয়ন্ত্রণের বড় বাঁধা

realme C100 Set to Bring All-round Durable Champion 8000mAh Titan Battery

অলরাউন্ড ডিউরেবল চ্যাম্পিয়ন ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি নিয়ে আসছে রিয়েলমি সি১০০

মানিকগঞ্জে বাসচাপায় তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি নিহত

আজ বিশ্ব বসতি দিবস

বৃষ্টির পর তেঁতুলিয়ায় শীতের আমেজ, তাপমাত্রা নামল ২০ ডিগ্রিতে

হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৩ মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ২ হাজার ৮৯

সরকারি হাসপাতাল তদারকিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা