ঢাকাবুধবার , ৭ অক্টোবর ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. জীবন বীমা ও ব্যাংক

ঢাকার নদী বাঁচাতে ৩৭০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

প্রতিবেদক
Ibrahim Khalil
১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:০১ সকাল

Link Copied!

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের নদী-খাল পুনরুদ্ধার, পানি দূষণ কমানো এবং স্যানিটেশন ও কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা উন্নত করতে ৩৭০ মিলিয়ন ডলার অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক (ডব্লিউবি)।

‘মেট্রো ঢাকা ওয়াটার সিকিউরিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম’ নামে এই কর্মসূচির লক্ষ্য বৃহত্তর ঢাকায় দূষণ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় ও জাতীয় প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশের জিডিপির এক-তৃতীয়াংশ এবং আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানের অর্ধেকই বৃহত্তর ঢাকায় সৃষ্টি হয়-তাই এ অঞ্চলের পরিবেশ সুরক্ষা জাতীয় অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কী থাকবে এই কর্মসূচিতে?

এই প্রোগ্রামের আওতায় সিটি কর্পোরেশন ও ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যুয়ারেজ অথরিটি (ওয়াসা)-কে ফলাফলভিত্তিক ব্যবস্থার মাধ্যমে পরিমাপযোগ্য উন্নতি অর্জনে সহায়তা করা হবে।

৫ লাখ ৫০ হাজার মানুষ নিরাপদ স্যানিটেশন সুবিধা পাবে

৫ লাখ মানুষ উন্নত কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আওতায় আসবে

দূষণে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে

বর্তমান পরিস্থিতি উদ্বেগজনক

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান বিভাগের পরিচালক জিন পেসমে বলেন, “বৃহত্তর ঢাকার লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনরেখা হলো জলাশয়। কিন্তু দ্রুত ও অপরিকল্পিত নগরায়ন এবং শিল্পায়ন শহরের বর্জ্য জল ও দূষণ ব্যবস্থাপনার সক্ষমতাকে ছাড়িয়ে গেছে।”

বর্তমানে ঢাকার মাত্র ২০ শতাংশ বাসিন্দার পাইপলাইনের মাধ্যমে নর্দমা সংযোগ রয়েছে। অন্যদিকে ৮০ শতাংশের বেশি অপরিশোধিত বর্জ্য জল সরাসরি জলপথে ফেলা হয়। শহরের অর্ধেকের বেশি খাল অদৃশ্য হয়ে গেছে অথবা অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে।

শিল্প খাতও বড় অবদান রাখছে এই সংকটে। ৭ হাজারের বেশি কারখানা প্রতিদিন প্রায় ২,৪০০ মিলিয়ন লিটার অপরিশোধিত বর্জ্য জল নিঃসরণ করে।

শিল্প খাতে জোর ও রিয়েল-টাইম নজরদারি

কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিল্প বর্জ্য পরিশোধন ও জল পুনঃব্যবহার বাড়াতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করা হবে।

বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন বিশেষজ্ঞ হর্ষ গোয়েল জানান, প্রথম পর্যায়ে ঢাকার চারটি প্রধান নদীর জন্য একটি সমন্বিত পানির মান সূচক (Water Quality Index) তৈরি এবং ডিজিটাল রিয়েল-টাইম মনিটরিং ব্যবস্থা চালু করা হবে।

প্রথম ধাপে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের নির্বাচিত এলাকায় প্রকল্প বাস্তবায়ন শুরু হবে। সেখানে কঠিন বর্জ্য ফেলা ও সরাসরি পয়ঃনিষ্কাশন বন্ধে দূষণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।

এই অর্থায়নের মাধ্যমে রাজধানীর নদী ও খাল পুনরুদ্ধারে একটি দীর্ঘমেয়াদি ও কাঠামোগত পরিবর্তনের ভিত্তি তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

কেনিয়ায় প্রথম ইবোলা আক্রান্তের মৃত্যু, শনাক্ত ২৮ সংস্পর্শ ব্যক্তি

সাইবেরিয়ায় ল্যাবকর্মীর মৃত্যু, রাশিয়ায় প্লেগ মহামারি ছড়ানোর ঝুঁকি কতটা?

বাজার তদারকিতে ৯৫ প্রতিষ্ঠানকে ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা জরিমানা

১০ এয়ারবাস কিনতে আজ চুক্তি করছে বিমান

ডেঙ্গু বাড়ায় হাসপাতালগুলোকে শয্যা বাড়ানোর নির্দেশ

দখলমুক্ত মিরপুর-১০, ফুটপাতে ফিরেছে স্বস্তি

গ্যাসকে পেছনে ফেলে এশিয়ার জ্বালানি মানচিত্রে শীর্ষে এখন সৌরবিদ্যুৎ

সড়ক দুর্ঘটনায় তাৎক্ষণিক চিকিৎসায় ভূমিকা রাখছে স্বেচ্ছাসেবকরা

ল্যাবরেটরির নিঃসঙ্গ রাত থেকে বিজ্ঞানী কার্ল ডেইসারথের নোবেলের জয়

দেশে শব্দদূষণ কমাতে ১ লাখ ৩৯ হাজারের বেশি মানুষকে প্রশিক্ষণ

রাজশাহীতে ৪৮৯ মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি, বরাদ্দ ২৮৯ টন চাল

মৎস্য খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর পাশাপাশি অপচয় বন্ধে জবাবদিহিতা নিশ্চিতের আহ্বান