ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২২ অক্টোবর ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. জনস্বাস্থ্য

জনসম্পৃক্ততা ছাড়া ডেঙ্গু মোকাবিলা প্রায় অসম্ভব: জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ অগাস্ট ২০২৬, ২:২৮ বিকাল

Link Copied!

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু মোকাবিলায় জনসম্পৃক্ততা ও সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, জনসচেতনতা না বাড়ালে সরকারের একার পক্ষে ডেঙ্গু মোকাবিলা সম্ভব নয়। সরকারি-বেসরকারি পর্যবেক্ষণ, ব্যবস্থাপনা এবং জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতাই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা রাখতে পারে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) ঢাকায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেন।

তারা আরও বলেন, ডেঙ্গু নির্মূলে সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম এবং সর্বসাধারণকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সামগ্রিকভাবে দেশের সেবাদানকারী ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিক পরিকল্পনা করে তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ সমস্যা থেকে উত্তরণ সম্ভব।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মুশতাক হোসেন বলেন, ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে কমিউনিটির সম্পৃক্ততা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জনসম্পৃক্ততা ও সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু মোকাবিলা প্রায় অসম্ভব।

ডেঙ্গু রোগের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, দ্রুত ডেঙ্গু শনাক্ত করতে ঢাকাসহ অন্যান্য শহরের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষার বুথ স্থাপন জরুরি। ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

এ ছাড়া ডেঙ্গু পরিস্থিতি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করতে সিটি করপোরেশনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, সাধারণত আবাসিক এলাকায় এডিস মশা দেখা যায়। এডিস মশার প্রজনন উৎস ঘরের ভেতর ও বাইরে। এর ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি অন্যান্য প্রজাতির মশার চেয়ে আলাদা। তাই ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এডিস মশার প্রজনন প্রকৃতি ও জীবনচক্র বোঝা গুরুত্বপূর্ণ।

এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজনন উৎস ধ্বংসে বছরব্যাপী পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালুর কথা জানিয়ে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করতে হবে, যারা সারা বছর ধরে ঢাকা শহরের নির্দিষ্ট এলাকায় নির্দিষ্ট সংখ্যক বাড়ির তদারকির দায়িত্ব পালন করবেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৪ হাজার ৮৪৮ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৩ হাজার ২৪ জন। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মৃতদের মধ্যে ৬০ দশমিক ৬ শতাংশ নারী এবং ৩৯ দশমিক ৪ শতাংশ পুরুষ। মোট মৃত ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ছয়জন, চট্টগ্রাম বিভাগে পাঁচজন, খুলনায় ১৬ জন, রংপুর ও রাজশাহীতে একজন করে, বরিশালে আটজন এবং সিলেটে একজন রয়েছেন।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

দেশব্যাপী হাতি জরিপ পরিচালনা করবে অরণ্যক ফাউন্ডেশন

বিশ্বের সেরা নতুন ভবনের স্বীকৃতি পেল রংপুরের ‘গ্রিন ফিল্ড ফ্যাক্টরি’

আম-লিচু বাগানে প্রথমবারের মতো মিলল নতুন প্রজাতির ঝিঁঝিঁ পোকা

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণে দেশের রোল মডেল হতে পারে বরিশাল

পাট খাতে চীনের প্রযুক্তি ও গবেষণা সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ

Xiaomi Launches Xiaomi TV S Pro Mini LED and Xiaomi TV X Mini LED Series in Bangladesh

বাংলাদেশে শাওমি টিভি এস প্রো মিনি এলইডি ও শাওমি টিভি এক্স মিনি এলইডি নিয়ে এলো শাওমি

স্তন ও জরায়ুমুখের ক্যানসার শনাক্তে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করছে সরকার

তৃণমূল পর্যায়ে স্তন ক্যান্সার শনাক্তে স্ক্রিনিং চালুর উদ্যোগ সরকারের

হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, নতুন রোগী ১,২৫৪

সিলেটে হামের উপসর্গে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, মোট ১৯৫

সোনাইমুড়ীতে ট্রলির চাপায় মাদরাসাছাত্রের মৃত্যু