ঢাকামঙ্গলবার , ৬ অক্টোবর ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. জনস্বাস্থ্য

জনসম্পৃক্ততা ছাড়া ডেঙ্গু মোকাবিলা প্রায় অসম্ভব: জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা

প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
১৯ অগাস্ট ২০২৬, ২:২৮ বিকাল

Link Copied!

এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু মোকাবিলায় জনসম্পৃক্ততা ও সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে জানিয়েছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেছেন, জনসচেতনতা না বাড়ালে সরকারের একার পক্ষে ডেঙ্গু মোকাবিলা সম্ভব নয়। সরকারি-বেসরকারি পর্যবেক্ষণ, ব্যবস্থাপনা এবং জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতাই ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে প্রধান ভূমিকা রাখতে পারে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) ঢাকায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এসব কথা বলেন।

তারা আরও বলেন, ডেঙ্গু নির্মূলে সুশীল সমাজ, গণমাধ্যম এবং সর্বসাধারণকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। সামগ্রিকভাবে দেশের সেবাদানকারী ও সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সঠিক পরিকল্পনা করে তা বাস্তবায়নের মাধ্যমে এ সমস্যা থেকে উত্তরণ সম্ভব।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ড. মুশতাক হোসেন বলেন, ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে কমিউনিটির সম্পৃক্ততা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জনসম্পৃক্ততা ও সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গু মোকাবিলা প্রায় অসম্ভব।

ডেঙ্গু রোগের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, দ্রুত ডেঙ্গু শনাক্ত করতে ঢাকাসহ অন্যান্য শহরের বিভিন্ন স্থানে পরীক্ষার বুথ স্থাপন জরুরি। ডেঙ্গুর লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

এ ছাড়া ডেঙ্গু পরিস্থিতি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করতে সিটি করপোরেশনের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার বলেন, সাধারণত আবাসিক এলাকায় এডিস মশা দেখা যায়। এডিস মশার প্রজনন উৎস ঘরের ভেতর ও বাইরে। এর ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি অন্যান্য প্রজাতির মশার চেয়ে আলাদা। তাই ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এডিস মশার প্রজনন প্রকৃতি ও জীবনচক্র বোঝা গুরুত্বপূর্ণ।

এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজনন উৎস ধ্বংসে বছরব্যাপী পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা চালুর কথা জানিয়ে তিনি বলেন, স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করতে হবে, যারা সারা বছর ধরে ঢাকা শহরের নির্দিষ্ট এলাকায় নির্দিষ্ট সংখ্যক বাড়ির তদারকির দায়িত্ব পালন করবেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৭ আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২৪ হাজার ৮৪৮ জন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৩ হাজার ২৪ জন। চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

মৃতদের মধ্যে ৬০ দশমিক ৬ শতাংশ নারী এবং ৩৯ দশমিক ৪ শতাংশ পুরুষ। মোট মৃত ডেঙ্গু রোগীর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩৩ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ছয়জন, চট্টগ্রাম বিভাগে পাঁচজন, খুলনায় ১৬ জন, রংপুর ও রাজশাহীতে একজন করে, বরিশালে আটজন এবং সিলেটে একজন রয়েছেন।

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

উপকূলের ১৪ জেলায় সাড়ে ৭ হাজার কোটি টাকার প্রকল্প

বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬: কতটা নিরাপদ ও বাসযোগ্য ঢাকা?

পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ-নেদারল্যান্ডস যৌথভাবে কাজ করবে

কোম্পানির হস্তক্ষেপ তামাক নিয়ন্ত্রণের বড় বাঁধা

realme C100 Set to Bring All-round Durable Champion 8000mAh Titan Battery

অলরাউন্ড ডিউরেবল চ্যাম্পিয়ন ৮,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি নিয়ে আসছে রিয়েলমি সি১০০

মানিকগঞ্জে বাসচাপায় তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি নিহত

আজ বিশ্ব বসতি দিবস

বৃষ্টির পর তেঁতুলিয়ায় শীতের আমেজ, তাপমাত্রা নামল ২০ ডিগ্রিতে

হামের উপসর্গ নিয়ে ২৪ ঘণ্টায় ৩ মৃত্যু

ডেঙ্গুতে আরও ৬ মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ২ হাজার ৮৯

সরকারি হাসপাতাল তদারকিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ৫৪ কর্মকর্তা