
চীনের একটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (বিমানবিদ্যা) বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করে স্নাতক হয়েছেন সাতজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী। প্রথমবারের মতো চীনের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে এ বিশেষায়িত ও অত্যাধুনিক বিষয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার সুযোগ পান।
রোববার (২৮ জুন) চীনের তিয়ানজিনে অবস্থিত চীন-জার্মান ইউনিভার্সিটি অব অ্যাপ্লাইড সায়েন্সেস-এ আয়োজিত জাঁকজমকপূর্ণ সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তাদের এ সাফল্যের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
সমাবর্তনে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসিডেন্ট ঝাং ড্যান-ইয়ান এবং পার্টি কমিটির সচিব ঝাং ইয়ংওয়াং উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে।
বক্তব্যে তারা বলেন, শুধু চীনের জন্য নয়, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যৌথভাবে আধুনিক বিমান ও হেলিকপ্টার নির্মাণে কাজ করতে চায় বিশ্ববিদ্যালয়টি। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক হওয়া সাত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী আগামী ৮ জুলাই দেশে ফিরবেন। দেশের এভিয়েশন খাতে তাদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্নাতকদের একজন রাজশাহীর মো. সাকিবুল ইসলাম সিয়াম। সমাবর্তন শেষে তিনি বলেন, “আমরা আমাদের অর্জিত জ্ঞান দেশের কাজে লাগাতে চাই। দেশের মানুষ ও সরকার যদি আমাদের যথাযথ সুযোগ করে দেয়, তাহলে আমরা বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে প্রস্তুত।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিমান নির্মাণ ও অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মতো উচ্চপ্রযুক্তিনির্ভর বিষয়ে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি হওয়া বাংলাদেশের এভিয়েশন ও প্রযুক্তি খাতের জন্য ইতিবাচক সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করতে পারে।