ঢাকারবিবার , ১ নভেম্বর ২০২৬
  1. সর্বশেষ
  2. জনস্বাস্থ্য

কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট শিশুদের নতুন করে বাঁচার পথ খুলে দেয় : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

প্রতিবেদক
Ibrahim Khalil
২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ৩:১৫ বিকাল

Link Copied!

প্রতিবন্ধী শিশুদের সুরক্ষায় সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি বলেছেন, শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একটি বিশেষ উদ্যোগ। কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী শিশুদের নতুন করে বাঁচার পথ খুলে দেয়। গত বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট গ্রহণকারী জন্মবধির শিশুদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও কক্লিয়ার সার্জনদের সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে এসব কথা বলেন।

কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট গ্রুপ অব বাংলাদেশ এন্ড ইয়ার ফাউন্ডেশন এর সভাপতি অধ্যাপক ডা: এ এইচ এম জহরুল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক ডা: প্রাণ গোপাল দত্ত এমপি, বিএসএমএমইউ এর উপাচার্য অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শরফুদ্দিন আহমেদ।অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, অধ্যাপক ডাঃ মনি লাল আইচ লিটু, সাধারণ সম্পাদক, কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট গ্রুপ অব বাংলাদেশ এন্ড ইয়ার ফাউন্ডেশন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, সারা দেশে এত সংখক কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট হয়েছে এগুলো কি আসলে সকল ক্ষেত্রেই সফল হয়েছে কিনা সে বিষয়ে সাফল্যের হার তথ্য থাকতে হবে। কত শতাংশ শুনতে পারে এর পর ভালোভাবে কথা বলতে পারে তা নিয়েও তথ্য থাকতে হবে। অবেশ দেশে ছয়টি হাসপাতালে ইমপ্লান্ট এ কার্যক্রম চলছে। এটি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান কাজ। এ খাতে প্রতি বছর একটা ভালো বরাদ্দ থাকে এবং সক্ষমতা অনুযায়ী সেই বরাদ্দ প্রতিটি সেন্টারের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হয়।

মন্ত্রী বিশেষজ্ঞ সার্জনদের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বলেন, একটি প্রশ্ন উথ্থাপিত হয়েছে, এই ডিভাইসটি পরবর্তিতে নষ্ট হয়ে গেলে, বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে সেটির রিপ্লেসমেন্ট এর বিষয়ে। এটি অনেক ব্যায় সাপেক্ষ একটি ব্যাপার সেটি সকল পরিবারের পক্ষে সম্ভব হয় ন ; সেটি সরকার করবে কিনা? এটি অবশ্যই একটি নীতিগত সিদ্ধান্ত, সরকার প্রাথমিকভাবে যেটি করে দেয়। একটি কস্ট শেয়ারিংয়ের বিষয় থাকতে পারে। যেখানে কোন একটি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে ফান্ড রেইজ করে সেখানে একটি অবদান থাকতে পারে, সেভাবে করতে পরে । কিন্তু সকল ক্ষেত্রেই যদি পুরোটাই আবার সরকার করে তাহলে এই ডিভাইসের যত্নের ব্যাপারটাতো কারো কোন মনোযোগ থাকবে না। সবসময় সবকিছু বিনামূল্যে দেয়া সেটা সব সময় ভালো বিষয় নয়। যার যতটুকু সক্ষমতা আছে সে যেন ততটুকু অংশগ্রহন করে। যার একবারে নেই তার জন্য রাষ্ট্র অবশ্যই থাকবে । কিন্তু যার সক্ষমতা আছে সে সেই সক্ষমতা অনুসারে যদি অংশগহণ না করে তাহলে যে বিষয়টি পায় সেটির প্রতি যত্ন থাকেনা। পরবর্তীতে যাদের রিপ্লেমেন্ট প্রয়োজন হয়, তাদের আর্থিক অবস্থার বিবেচনায় নিয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তবে, যেখানে প্রয়োজন থাকবে সেখানে সরকারের সাধ্যমত পাশে দাঁড়াবার চেষ্টা থাকবে।

অনুষ্ঠানে কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট পাওয়া শিশুরা বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা করে । এর আগে মন্ত্রী কক্লিয়ার সার্জনদের সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

 

Facebook Comments Box

আরও পড়ুন

পাবনায় বজ্রপাতে নিহত ৬ জনের দাফন সম্পন্ন

BACCO and Banglalink sign MoU to expand business opportunities for BPO and ITES sector

বিপিও ও আইটিইএস খাতে ব্যবসার সুযোগ বাড়াতে বাক্কো-বাংলালিংকের চুক্তি

Country’s Largest International Tourism Fair Begins, With 20 Countries Participating

দেশের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক পর্যটন মেলা শুরু, অংশ নিচ্ছে ২০ দেশ

Anti-Aging Specialist Mr. A Jeya Prakash Expresses Gratification with JK Lifestyle

জেকে লাইফস্টাইলে অ্যান্টি-এজিং স্পেশালিস্ট মি. এ জয়া প্রকাশ-এর সন্তুষ্টি

মানবাধিকার বিধ্বংসী তিন আইন নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে আইনমন্ত্রীকে অ্যামনেস্টির চিঠি

১৫টি দেশে প্রসারিত হলো জাতিসংঘের ‘ফার্ম’ কর্মসূচি

বৈশ্বিক স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্যে ভূগোলের চেয়ে আয়ের প্রভাব বেশি: গবেষণা

সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিতের আহ্বান

নিষেধাজ্ঞা শেষ হচ্ছে রাতে, মাছ ধরতে প্রস্তুত হাতিয়ার জেলেরা